প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
সব সংকট অতি দ্রুত নিরসন করে চলতি বছরের মধ্যেই পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্তত ১০০ স্কুলে ই-লার্নিং চালুর নির্দেশ নিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বুধবার (২ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ নির্দেশ দেন তিনি। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামের স্কুলগুলোতে ভার্চুয়াল পড়াশোনা চালুর ক্ষেত্রে তিন ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে— দুর্গম এলাকায় বিদ্যুতের ঘাটতি, ইন্টারনেট সংযোগের অভাব এবং এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার স্থানীয় দক্ষ শিক্ষকের অভাব।
এ ক্ষেত্রে সোলার প্যানেল ব্যবহার করে বিদ্যুতের ঘাটতি নিরসন এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক ও স্টারলিংক পরিষেবা ব্যবহার করে সংকট মোকাবিলার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। পাশাপাশি দক্ষ শিক্ষকের ঘাটতি মোকাবিলায় স্কুলের তালিকা করে সেসব স্কুলে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদে চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগেরও পরামর্শ দেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্বল এলাকায় শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে প্রথমে ১০০ স্কুলের তালিকা তৈরি করতে হবে, যেখানে ইন্টারনেট-বেজড স্কুল শুরুর ব্যবস্থা করতে হবে। কোন স্কুলে কীসের ঘাটতি— ইন্টারনেট সংযোগ, সরঞ্জাম ইত্যাদি কী কী লাগবে সব তালিকা করে যত দ্রুত সম্ভব কাজ শুরু করে দিতে হবে। চলতি বছরের মধ্যেই ক্লাস শুরু করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যেসব দক্ষ শিক্ষক শহরের বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ান, তারাই অনলাইনে পার্বত্য চট্টগ্রামের ছেলেমেয়েদের গণিত, বিজ্ঞান ও ইংলিশ পড়াবে। তাহলে এখানকার ছেলেমেয়েরাও আর পিছিয়ে থাকবে না। ভালো শিক্ষক ও পড়াশোনার সুযোগ-সুবিধা পেলে অনেক মেধাবী ছেলেমেয়েরা সেখান থেকে উঠে আসবে।
বৈঠকে পার্বত্য উপদেষ্টা তিন পার্বত্য উপজেলায় জীবন-জীবিকার মান উন্নত করা ও পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। প্রধান উপদেষ্টা এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে পরিকল্পনার নির্দেশ দেন।
পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ও দুর্যোগ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সব সংকট অতি দ্রুত নিরসন করে চলতি বছরের মধ্যেই পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্তত ১০০ স্কুলে ই-লার্নিং চালুর নির্দেশ নিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বুধবার (২ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ নির্দেশ দেন তিনি। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামের স্কুলগুলোতে ভার্চুয়াল পড়াশোনা চালুর ক্ষেত্রে তিন ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে— দুর্গম এলাকায় বিদ্যুতের ঘাটতি, ইন্টারনেট সংযোগের অভাব এবং এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার স্থানীয় দক্ষ শিক্ষকের অভাব।
এ ক্ষেত্রে সোলার প্যানেল ব্যবহার করে বিদ্যুতের ঘাটতি নিরসন এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক ও স্টারলিংক পরিষেবা ব্যবহার করে সংকট মোকাবিলার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। পাশাপাশি দক্ষ শিক্ষকের ঘাটতি মোকাবিলায় স্কুলের তালিকা করে সেসব স্কুলে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদে চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগেরও পরামর্শ দেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্বল এলাকায় শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে প্রথমে ১০০ স্কুলের তালিকা তৈরি করতে হবে, যেখানে ইন্টারনেট-বেজড স্কুল শুরুর ব্যবস্থা করতে হবে। কোন স্কুলে কীসের ঘাটতি— ইন্টারনেট সংযোগ, সরঞ্জাম ইত্যাদি কী কী লাগবে সব তালিকা করে যত দ্রুত সম্ভব কাজ শুরু করে দিতে হবে। চলতি বছরের মধ্যেই ক্লাস শুরু করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যেসব দক্ষ শিক্ষক শহরের বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ান, তারাই অনলাইনে পার্বত্য চট্টগ্রামের ছেলেমেয়েদের গণিত, বিজ্ঞান ও ইংলিশ পড়াবে। তাহলে এখানকার ছেলেমেয়েরাও আর পিছিয়ে থাকবে না। ভালো শিক্ষক ও পড়াশোনার সুযোগ-সুবিধা পেলে অনেক মেধাবী ছেলেমেয়েরা সেখান থেকে উঠে আসবে।
বৈঠকে পার্বত্য উপদেষ্টা তিন পার্বত্য উপজেলায় জীবন-জীবিকার মান উন্নত করা ও পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। প্রধান উপদেষ্টা এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে পরিকল্পনার নির্দেশ দেন।
পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ও দুর্যোগ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এলাকাবাসী ও পরিবার জানিয়েছে, নিজাম সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে প্রশিক্ষণে ছিলেন। সেখান থেকে ছুটি নিয়ে ২৭ আগস্ট বাড়ি ফেরেন। পরে তিনি রাজীবপুর ইউনিয়নের রামগোপালবাড়ি গ্রামে নানাবাড়িতে বেড়াতে যান।
১৪ ঘণ্টা আগে১২৭৫ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ডা. আনোয়ারুল হক, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাহফুজুল হক পেয়েছেন ২১১ ভোট। অন্যদিকে ৭৪৬ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুলাহ আল মামুন খান রনি পেয়েছেন ৭২১ ভোট।
১৪ ঘণ্টা আগেমির্জা ফখরুল বলেন, আজ দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, একটি গোষ্ঠী— তারা বিভিন্ন রকম উগ্রবাদের কথা বলে মানুষকে বিভক্ত করতে চায়, বিভাজন তৈরি করতে চায়। একটা চক্রান্ত চলছে— যে নির্বাচন হওয়ার কথা, সেই নির্বাচন বানচাল করে দেওয়ার জন্য একটি গোষ্ঠী চেষ্টা করছে।
১৫ ঘণ্টা আগে