
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

দীর্ঘ ২৩ বছর পর পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে কাউন্সিলরদের গোপন ব্যালটের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মজিবর রহমান টোটন।
বুধবার (২ জুলাই) বিকেলে জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়। নির্বাচনে এক হাজার ৫১৪ কাউন্সিলর ডেলিগেটদের মধ্যে এক হাজার ১৭২ জন ভোট দেন।
নির্বাচনে সভাপতি পদে স্নেহাংশু সরকার কুট্টি পেয়েছেন ৭৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মাকসুদ আহমেদ বায়েজিদ পান্না মিয়া পেয়েছেন ৪০২ ভোট। সভাপতি পদে এই দুজনই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে আইনজীবী মজিবর রহমান টোটন ৪৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বসির আহমেদ মৃধা পেয়েছেন ৪২০ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে আরও চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন আইনজীবী আব্দুল হক ফরাজী।
এর আগে জেলা বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০২ সালের ১৫ এপ্রিল। ওই সম্মেলনে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে সভাপতি ও স্নেহাংশু সরকার কুট্টিকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি গঠন করা হয়।
পরে ২০১৩ সালের ১৪ মে ১৭১ সদস্যবিশিষ্ট পটুয়াখালী জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। ওই কমিটির সভাপতি হন সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক করা হয় এম এ রব মিয়াকে।
এই কমিটি ২০২০ সালের ২ নভেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে। পরদিন ৩ নভেম্বর এ কমিটি ভেঙে দিয়ে ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়। প্রায় পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করল সেই কমিটি।

দীর্ঘ ২৩ বছর পর পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে কাউন্সিলরদের গোপন ব্যালটের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মজিবর রহমান টোটন।
বুধবার (২ জুলাই) বিকেলে জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়। নির্বাচনে এক হাজার ৫১৪ কাউন্সিলর ডেলিগেটদের মধ্যে এক হাজার ১৭২ জন ভোট দেন।
নির্বাচনে সভাপতি পদে স্নেহাংশু সরকার কুট্টি পেয়েছেন ৭৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মাকসুদ আহমেদ বায়েজিদ পান্না মিয়া পেয়েছেন ৪০২ ভোট। সভাপতি পদে এই দুজনই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে আইনজীবী মজিবর রহমান টোটন ৪৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বসির আহমেদ মৃধা পেয়েছেন ৪২০ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে আরও চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন আইনজীবী আব্দুল হক ফরাজী।
এর আগে জেলা বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০২ সালের ১৫ এপ্রিল। ওই সম্মেলনে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে সভাপতি ও স্নেহাংশু সরকার কুট্টিকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি গঠন করা হয়।
পরে ২০১৩ সালের ১৪ মে ১৭১ সদস্যবিশিষ্ট পটুয়াখালী জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। ওই কমিটির সভাপতি হন সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক করা হয় এম এ রব মিয়াকে।
এই কমিটি ২০২০ সালের ২ নভেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে। পরদিন ৩ নভেম্বর এ কমিটি ভেঙে দিয়ে ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়। প্রায় পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করল সেই কমিটি।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
১২ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে