
সাঈদ মুহাম্মদ আনোয়ার, কক্সবাজার

সাগরপথে মালয়েশিয়া যেতে চেয়েছিলেন দুই শতাধিক রোহিঙ্গা। কক্সবাজারের আশ্রয়শিবির থেকে পালিয়ে তারা একটি ট্রলারে ওঠেন। সোমবার (৭ এপ্রিল) দিবাগত রাতের দিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সেন্টমার্টিনের অদূরে বঙ্গোপসাগর থেকে একটি মাছ ধরার ট্রলারসহ তাদের আটক করে। মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) রাত পৌনে ৯টার দিকে আইএসপিআরের সহকারী পরিচালকের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মোহাম্মদ রেজা-উল-করিম শাম্মী।
আইএসপিআর জানায়, সেন্টমার্টিন থেকে ৪৪ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থানরত একটি মাছ ধরার নৌকার সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বানৌজা দুর্জয়’। তাৎক্ষণিকভাবে জাহাজটি ‘এফভি কুলসুমা’ নামের ওই মাছ ধরার নৌকার কাছে পৌঁছে তার গতিপথ রোধ করে। পরে নৌকাটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৪৪ জন বাংলাদেশিসহ ২১৪ জন রোহিঙ্গা যাত্রীকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ১১৮ জন পুরুষ, ৬৮ জন নারী ও ২৮ জন শিশু রয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা সবাই মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিক বলে জানা যায়। এর আগে ট্রলারটি সোমবার দিবাগত রাতে টেকনাফের শাপলাপুর এলাকা থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করে। পরে ট্রলারসহ আটক মিয়ানমারের নাগরিকদের বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড স্টেশন, সেন্টমার্টিনে হস্তান্তর করা হয়।
নৌকাটি ন্যূনতম জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম, পর্যাপ্ত খাদ্য, পানি ও সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই যাত্রা শুরু করে, যা গভীর সমুদ্রে মানবিক বিপর্যয়ের কারণ হতে পারত। নৌবাহিনীর তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপে সম্ভাব্য বিপর্যয় প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।
এদিকে নৌবাহিনীর হাতে আটক আবদুল মালেক বলেন, “রাতে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ থেকে উপকূল ধরে সাগরপথে যাত্রা করি। কিন্তু মাঝ সাগরে নৌবাহিনীর হাতে ধরা পড়ি। আমরা স্থানীয় দালাল আবদুল আলীর মাধ্যমে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টা করছিলাম।”

সাগরপথে মালয়েশিয়া যেতে চেয়েছিলেন দুই শতাধিক রোহিঙ্গা। কক্সবাজারের আশ্রয়শিবির থেকে পালিয়ে তারা একটি ট্রলারে ওঠেন। সোমবার (৭ এপ্রিল) দিবাগত রাতের দিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সেন্টমার্টিনের অদূরে বঙ্গোপসাগর থেকে একটি মাছ ধরার ট্রলারসহ তাদের আটক করে। মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) রাত পৌনে ৯টার দিকে আইএসপিআরের সহকারী পরিচালকের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মোহাম্মদ রেজা-উল-করিম শাম্মী।
আইএসপিআর জানায়, সেন্টমার্টিন থেকে ৪৪ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থানরত একটি মাছ ধরার নৌকার সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বানৌজা দুর্জয়’। তাৎক্ষণিকভাবে জাহাজটি ‘এফভি কুলসুমা’ নামের ওই মাছ ধরার নৌকার কাছে পৌঁছে তার গতিপথ রোধ করে। পরে নৌকাটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৪৪ জন বাংলাদেশিসহ ২১৪ জন রোহিঙ্গা যাত্রীকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ১১৮ জন পুরুষ, ৬৮ জন নারী ও ২৮ জন শিশু রয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা সবাই মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিক বলে জানা যায়। এর আগে ট্রলারটি সোমবার দিবাগত রাতে টেকনাফের শাপলাপুর এলাকা থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করে। পরে ট্রলারসহ আটক মিয়ানমারের নাগরিকদের বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড স্টেশন, সেন্টমার্টিনে হস্তান্তর করা হয়।
নৌকাটি ন্যূনতম জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম, পর্যাপ্ত খাদ্য, পানি ও সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই যাত্রা শুরু করে, যা গভীর সমুদ্রে মানবিক বিপর্যয়ের কারণ হতে পারত। নৌবাহিনীর তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপে সম্ভাব্য বিপর্যয় প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।
এদিকে নৌবাহিনীর হাতে আটক আবদুল মালেক বলেন, “রাতে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ থেকে উপকূল ধরে সাগরপথে যাত্রা করি। কিন্তু মাঝ সাগরে নৌবাহিনীর হাতে ধরা পড়ি। আমরা স্থানীয় দালাল আবদুল আলীর মাধ্যমে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টা করছিলাম।”

হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে
প্রাথমিকভাবে এই রুটে বিআরটিসির দুটি বাস চলবে। এর মধ্যে একটি দ্বিতল ও অন্যটি একতলা। কালুরঘাট থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত চলাচল করবে বাস দুটি। ৭৫ আসনের দ্বিতল বাসটির পাশাপাশি থাকছে ৪৫ আসনের একটি একতলা বাস।
৩ দিন আগে
রোববার (১৬ আগস্ট) রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি সোমবার সকাল সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত থামেনি।
৪ দিন আগে
রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদের বলেন, দুপুর ১২টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৫ দিন আগে