
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন রুমিন ফারহানা। স্বাভাবিকভাবেই ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করা হচ্ছে না তার। তাহলে কোন প্রতীকে লড়বেন তিনি? প্রার্থীর জন্য প্রতীক বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার হলেও রুমিন ফারহানা জানিয়েছেন, প্রার্থী হিসেবে তিনি হাঁস প্রতীক চাইবেন ভোটের মাঠের জন্য।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন সদ্যই বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদকসহ সব ধরনের পদ-পদবি থেকে বহিষ্কৃত রুমিন ফারহানা। যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র এরই মধ্যে বৈধ ঘোষিত হয়েছে। আরও কিছু আনুষ্ঠানিকতার পর আগামী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে প্রার্থীদের।
কিন্তু হাঁস প্রতীক কেন চাইবেন রুমিন? মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে নির্বাচনি এলাকার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর পশ্চিমপাড়ায় অবস্থিত তার ভাড়া বাসায় সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তার উত্তর, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি হাঁস-মুরগি পালন করি। পাখিদের প্রতি আমার আলাদা একটা টান আছে। ঢাকার বাসাতেও হাঁস-মুরগি রয়েছে। বিষয়টি ইন্টারেস্টিং— ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডের অ্যাপার্টমেন্টেও হাঁস-মুরগি আছে।’
যে বাসায় বসে রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন, ওই বাড়িতেই তার হাঁসের ছোট একটি খামার রয়েছে। সেখানে কবুতরও পুষে থাকেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমি হাঁসই চাইব। দেখা যাক কী হয়। আশা করছি আমাকে হাঁস প্রতীকই দেওয়া হবে।’
জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী হতে কাজ করে আসছিলেন রুমিন ফারহানা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নভেম্বরের শুরুতে বিএনপি ২৩৭ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলে সেখানে ঠাঁই হয়নি রুমিনের। পরে নির্বাচনি আসন সমঝোতার অংশ হিসেবে বিএনপি এ আসনটি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে ছেড়ে দিয়েছে।
বিএনপি ঘোষণা দিয়েছিল, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে জাতীয় নির্বাচনে কেউ প্রার্থী হলে তাদের বিরুদ্ধে দল ব্যবস্থা নেবে। রুমিন ফারহানাকেও পরে বিএনপি বহিষ্কার করেছে।
শেষ পর্যন্ত দলের প্রতি সম্মান দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে যাবেন কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। আমি তো বহিষ্কৃত। বহিষ্কৃত একজনের ওপর তো চাপ প্রয়োগ করা যায় না। আমাকে কী করবে? আমার তো কিছু করার নেই। আমি তো আর দলের নই। এরপর যদি কোনো চাপ আসে, সেটি হলে তা ফৌজদারি অপরাধ হবে।’

দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন রুমিন ফারহানা। স্বাভাবিকভাবেই ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করা হচ্ছে না তার। তাহলে কোন প্রতীকে লড়বেন তিনি? প্রার্থীর জন্য প্রতীক বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার হলেও রুমিন ফারহানা জানিয়েছেন, প্রার্থী হিসেবে তিনি হাঁস প্রতীক চাইবেন ভোটের মাঠের জন্য।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন সদ্যই বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদকসহ সব ধরনের পদ-পদবি থেকে বহিষ্কৃত রুমিন ফারহানা। যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র এরই মধ্যে বৈধ ঘোষিত হয়েছে। আরও কিছু আনুষ্ঠানিকতার পর আগামী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে প্রার্থীদের।
কিন্তু হাঁস প্রতীক কেন চাইবেন রুমিন? মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে নির্বাচনি এলাকার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর পশ্চিমপাড়ায় অবস্থিত তার ভাড়া বাসায় সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তার উত্তর, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি হাঁস-মুরগি পালন করি। পাখিদের প্রতি আমার আলাদা একটা টান আছে। ঢাকার বাসাতেও হাঁস-মুরগি রয়েছে। বিষয়টি ইন্টারেস্টিং— ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডের অ্যাপার্টমেন্টেও হাঁস-মুরগি আছে।’
যে বাসায় বসে রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন, ওই বাড়িতেই তার হাঁসের ছোট একটি খামার রয়েছে। সেখানে কবুতরও পুষে থাকেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমি হাঁসই চাইব। দেখা যাক কী হয়। আশা করছি আমাকে হাঁস প্রতীকই দেওয়া হবে।’
জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী হতে কাজ করে আসছিলেন রুমিন ফারহানা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নভেম্বরের শুরুতে বিএনপি ২৩৭ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলে সেখানে ঠাঁই হয়নি রুমিনের। পরে নির্বাচনি আসন সমঝোতার অংশ হিসেবে বিএনপি এ আসনটি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে ছেড়ে দিয়েছে।
বিএনপি ঘোষণা দিয়েছিল, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে জাতীয় নির্বাচনে কেউ প্রার্থী হলে তাদের বিরুদ্ধে দল ব্যবস্থা নেবে। রুমিন ফারহানাকেও পরে বিএনপি বহিষ্কার করেছে।
শেষ পর্যন্ত দলের প্রতি সম্মান দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে যাবেন কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। আমি তো বহিষ্কৃত। বহিষ্কৃত একজনের ওপর তো চাপ প্রয়োগ করা যায় না। আমাকে কী করবে? আমার তো কিছু করার নেই। আমি তো আর দলের নই। এরপর যদি কোনো চাপ আসে, সেটি হলে তা ফৌজদারি অপরাধ হবে।’

হত্যাকাণ্ডের সময় আবুল মৃধা ও তার দুই সন্তান আলী হোসেন ও মোহাম্মদ মিয়া একই ঘরে ছিলেন। তবে ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ হত্যার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
আগুনে দলীয় কার্যালয়ে থাকা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার ছবি সংবলিত ব্যানার, সাইনবোর্ডসহ অফিসের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভস্মীভূত হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অভিজিত চৌধুরী।
১ দিন আগে
তারা বলেন, একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হওয়ার যে অনন্য ইতিহাস, বেগম খালেদা জিয়া তা নিজের জীবন দিয়ে রচনা করে গেছেন। তিনি ক্ষমতার মোহে রাজনীতিতে আসেননি; ইতিহাসের নির্মম ডাকেই তাঁকে নেতৃত্বের ভার কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল। স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হারানোর শোক তাঁকে ভেঙে দেয়নি, ব
১ দিন আগে