মিরপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভে বন্ধ ছিল ৩ মেট্রোস্টেশন, যাত্রীদের ভোগান্তি
-f3a338.jpg)
বেতন বাড়ানোর দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ও সংঘর্ষের প্রভাব পড়েছে মেট্রোরেল চলাচলেও। নিরাপত্তার কারণে মিরপুরের তিনটি স্টেশন কয়েক ঘণ্টা বন্ধ রাখা হয়। এসব স্টেশনে ট্রেন না থামায় যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। তবে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল অব্যাহত ছিল। দুপুর ১টা ৫৮ মিনিটে সব স্টেশন চালুর মধ্য দিয়ে ট্রেন চলাচল ফের স্বাভাবিক হয়।
ঢাকায় মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্র জানায়, স্টেশনের নিচের সড়কে আগুন দেওয়ার ঘটনার পর নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হয়। এ কারণে বেলা ১১টা ৩৮ মিনিটে মিরপুর-১০ স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়। স্টেশনে প্রবেশ ও বের হওয়ার সব ফটক বন্ধ রাখার পাশাপাশি সেখানে ট্রেন থামানোও বন্ধ করা হয়।
এর ১০ মিনিট পর, বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে কাজীপাড়া স্টেশনের ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওই স্টেশনেও ট্রেন থামানো বন্ধ থাকে। পরে দুপুর ১২টা ২৪ মিনিটে পল্লবী স্টেশনে ট্রেন থামানো বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয় স্টেশনটির ফটক। ফলে ওই তিন স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা করতে পারেননি।

ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় স্টেশনের নিচে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ স্টেশনগুলোতে ট্রেন না থামানোর সুপারিশ করে মেট্রোরেল পুলিশ। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্টেশনগুলোর ফটক বন্ধ করে দিয়ে সেগুলো এড়িয়ে ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। ডিএমটিসিএলের ভাষায়, এ প্রক্রিয়াকে স্টেশন ‘স্কিপ’ করা বলা হয়।
ডিএমটিসিএলের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেনটেন্যান্স) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ঝুঁকি বিবেচনায় তিনটি স্টেশনে ট্রেন ‘স্কিপ’ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে স্টেশনগুলো চালু করা হয়েছে। দুপুর ১টা ৫৮ মিনিটে মেট্রোরেলের চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে। সবগুলো স্টেশন খুলে দেওয়া হয়েছে। ট্রেনও থামছে সব স্টেশনে।










-2af723-256x144.webp)




