গুলিস্তান-সদরঘাট সড়ক হকারমুক্ত রাখতে কঠোর ডিএসসিসি, গ্রেপ্তারের হুঁশিয়ারি

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
বুধবার রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় ডিএসসিসি। ছবি: ডিএসসিসির সৌজন্যে
বুধবার রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় ডিএসসিসি। ছবি: ডিএসসিসির সৌজন্যে

রাজধানীর গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়ক ও ফুটপাত হকারমুক্ত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম। নির্ধারিত স্থানের বাইরে দোকান বসালে মালামাল জব্দের পাশাপাশি প্রয়োজনে গ্রেপ্তার করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর গুলিস্তানে উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএসসিসি প্রশাসক।

এর আগে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত গুলিস্তানের ঢাকা ট্রেড সেন্টার ও ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেট-সংলগ্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় ডিএসসিসি। এ সময় ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা শতাধিক অবৈধ দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। পে-লোডারসহ ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে এসব স্থাপনা ভেঙে ফেলার পাশাপাশি দোকানের মালামাল ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

অভিযান চলাকালে আবদুস সালাম বলেন, হকারদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফুটপাত, নৈশকালীন মার্কেট ও হলিডে মার্কেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। হকাররা শুধু এসব নির্ধারিত স্থানেই বসতে পারবেন। বিশেষ করে গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়ক পুরোপুরি পরিষ্কার রাখা হবে। মূল সড়কে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না।

রাজধানীর গুলিস্তানে উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম। ছবি: ডিএসসিসির সৌজন্যে
রাজধানীর গুলিস্তানে উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম। ছবি: ডিএসসিসির সৌজন্যে

উচ্ছেদের পরও আবার রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে দোকান বসানোর বিষয়ে প্রশাসক বলেন, হকারদের বিভিন্ন মাধ্যমে সতর্ক করা হয়েছে। হকার সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকও হয়েছে। এরপরও উচ্ছেদ করা জায়গায় আবার দোকান বসানো হচ্ছে। এ কারণে এখন কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া উপায় নেই।

তিনি বলেন, নিয়ম অমান্য করে দোকান বসালে মালামাল জব্দের পাশাপাশি প্রয়োজনে গ্রেপ্তার করা হবে। রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান চলবে।

ডিএসসিসি জানিয়েছে, বুধবারের অভিযানে সংস্থাটির চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, শতাধিক উচ্ছেদকর্মী ও ছয় প্লাটুন পুলিশ অংশ নেন।

অভিযান পরিচালনা করেন ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোনায়েদ কবীর সোহাগ, সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাছিবা খান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম।

পথচারীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএসসিসি।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad