
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতায় ওহাব মল্লিক নামে একজন নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২৩ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. এনামুল করিম এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. ফরিদ হোসেন রায়ের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রায়ে সাজাপ্রাপ্তরা হলেন— হাফিজুর রহমান (২৭), তোফায়েল সরদার (৩৯), শামীম সরদার (৩৫), এলমাছ সরদার (৩৪), সোহরাব সরদার (৪৭), নাঈম মল্লিক (৫৭), আব্দুর রাজ্জাক সরদার (৪২), মুসা সরদার (৩২), সামসু সরদার (৩৪), মাওলা সরদার (৩৯), ইউসুফ সরদার (৩৭), ফরিদ আহম্মেদ (৬১), জসিম সরদার (৪১), বাবলু (৪৫), মো. ডালিম তালুকদার (৩১), মো. ফিরোজ সিকদার (৪৩), হাসান গাজী (৩২), সেকান্দার সরদার (৫৭), মো. জামাল (৩৫), শামীম হাওলাদার (২৮), জহিরুল ইসলাম বাবুল (৫২), মন্টু সরদার (৩৫) ও মো. দুলাল সরদার ওরফে ভয় (৪৫)। সাজাপ্রাপ্তরা সবাই বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ বাউফলের কালিশুরী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন চলাকালে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর এজেন্ট সাইদুর রহমান সোহেল মল্লিকের বাড়িতে হামলা চালান আসামিরা। ওই হামলায় সোহেলের বাবা আব্দুল ওহাব মল্লিক গুরুতর আহত হন। পরদিন ২১ মার্চ তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সাইদুর রহমান সোহেল মল্লিক বাদী হয়ে বাউফল থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ২০১৮ সালে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ সাত বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আজ এ রায় ঘোষণা করলেন।
মামলার বাদী সাইদুর রহমান সোহেল বলেন, আমার বাবা হত্যার দীর্ঘদিন পর আমরা ন্যায় বিচার পেলাম। বিচার বিভাগকে ধন্যবাদ জানাই। এখন আমার বাবার আত্মা শান্তি পাবে।
এপিপি মো. ফরিদ হোসেন বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, কোনো অপরাধীই আইনের হাত থেকে রেহাই পায় না। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আমরা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পেরেছি।
তবে আসামিদের পরিবারের সদস্যরা এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, এ রায় একপেশে ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। প্রকৃত অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। তারা এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতায় ওহাব মল্লিক নামে একজন নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২৩ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. এনামুল করিম এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. ফরিদ হোসেন রায়ের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রায়ে সাজাপ্রাপ্তরা হলেন— হাফিজুর রহমান (২৭), তোফায়েল সরদার (৩৯), শামীম সরদার (৩৫), এলমাছ সরদার (৩৪), সোহরাব সরদার (৪৭), নাঈম মল্লিক (৫৭), আব্দুর রাজ্জাক সরদার (৪২), মুসা সরদার (৩২), সামসু সরদার (৩৪), মাওলা সরদার (৩৯), ইউসুফ সরদার (৩৭), ফরিদ আহম্মেদ (৬১), জসিম সরদার (৪১), বাবলু (৪৫), মো. ডালিম তালুকদার (৩১), মো. ফিরোজ সিকদার (৪৩), হাসান গাজী (৩২), সেকান্দার সরদার (৫৭), মো. জামাল (৩৫), শামীম হাওলাদার (২৮), জহিরুল ইসলাম বাবুল (৫২), মন্টু সরদার (৩৫) ও মো. দুলাল সরদার ওরফে ভয় (৪৫)। সাজাপ্রাপ্তরা সবাই বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ বাউফলের কালিশুরী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন চলাকালে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর এজেন্ট সাইদুর রহমান সোহেল মল্লিকের বাড়িতে হামলা চালান আসামিরা। ওই হামলায় সোহেলের বাবা আব্দুল ওহাব মল্লিক গুরুতর আহত হন। পরদিন ২১ মার্চ তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সাইদুর রহমান সোহেল মল্লিক বাদী হয়ে বাউফল থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ২০১৮ সালে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ সাত বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আজ এ রায় ঘোষণা করলেন।
মামলার বাদী সাইদুর রহমান সোহেল বলেন, আমার বাবা হত্যার দীর্ঘদিন পর আমরা ন্যায় বিচার পেলাম। বিচার বিভাগকে ধন্যবাদ জানাই। এখন আমার বাবার আত্মা শান্তি পাবে।
এপিপি মো. ফরিদ হোসেন বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, কোনো অপরাধীই আইনের হাত থেকে রেহাই পায় না। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আমরা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পেরেছি।
তবে আসামিদের পরিবারের সদস্যরা এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, এ রায় একপেশে ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। প্রকৃত অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। তারা এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

সকাল ৯টার দিকে রানীগঞ্জ বাজারের কাছে একই মোটরসাইকেলে চড়ে ওই তিন আরোহী স্থানীয় একটি সড়ক থেকে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে উঠছিলেন। এ সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় অপর দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
১ দিন আগে
কুষ্টিয়া থেকে পাংশাগামী একটি ড্রামট্রাকের (বগুড়া ড ১১-২৭০৩) সঙ্গে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্রো ব-১৩ ০০৯৩) মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ১৩ বন্ধু দেওভোগ এলাকার মোস্তাকুর রহমানের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে বিকেলে কয়েকজন গোসলে নামেন। এ সময় পা পিছলে আজওয়াদ পানিতে দূরে চলে যান। অপর বন্ধু সোপান উদ্ধারের চেষ্টা করেন। পরে দুজনেই পানিতে তলিয়ে যান।
২ দিন আগে
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মৌলভীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতসহ বৃষ্টি হয়। এ সময়ে তালেব মিয়া নিজ জমিতে ধান কাটার সময় এবং স্বপন মুন্ডা স্থানীয় রাবারবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।
২ দিন আগে