অর্থমন্ত্রী জানান, মূল্যস্ফীতির হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অনুসরণ করা হচ্ছে এবং রাজস্ব নীতিতেও সহায়ক নীতিকৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দিতে ফ্যামিলি কার্ড, ওএমএস ইত্যাদি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
অনেক ক্ষেত্রে কোম্পানির কিছু অপ্রদর্শিত আয় ও পরিসম্পদ দেখানোর ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্ট হয়েছে বলে জানা গেছে। এমন ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোকে এই অপ্রদর্শিত অর্থ ১৫ শতাংশ কর দিয়ে বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কোম্পানির অপ্রদর্শিত সম্পদ নির্দিষ্ট হারে কর দিয়েও বৈধ করার সুযোগ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেটে বিভিন্ন ধরনের পণ্যে শুল্ক ও কর হ্রাস-বৃদ্ধির প্রস্তাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত প্রস্তাবিত বাজেটের মূল স্লোগান সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার। রাজস্ব আহরণ ত্বরান্বিত করতে
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে মোবাইলফোনের কল রেটের ওপর সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এতে গ্রাহকদের মোবাইলফোনে কথা বলার খরচও বাড়বে।
বাজার স্থিতিশীল রাখা ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি কমাতে প্রস্তাবিত বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও খাদ্যশস্য সরবরাহের ওপর উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এসব পণ্যে উৎসে কর ২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পণ্যগুলো হলো—ধান, চাল, ডাল, আটা, ময়দা, লবণ, ভুট্টা, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, মটর, ছ
ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, এখন পর্যন্ত মোট ১২ জন ৫২টি বাজেট উপস্থাপন করেছেন। তদের মধ্যে একজন রাষ্ট্রপতি, নয়জন অর্থমন্ত্রী, দুইজন অর্থ উপদেষ্টা। আবার ৫২টি বাজেটের মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকার পাঁচ মেয়াদে ২৫টি, বিএনপি সরকার তিন মেয়াদে ১৬টি, জাতীয় পার্টি নয়টি এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার তিনটি বাজেট উপস্থাপন করেছে। সে
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বৃহস্পতিবার (১ জুন) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।
আগামী অর্থবছরের (২০২৪-২৫) বাজেটে শুল্ক-করারোপ করা হতে পারে বেশকিছু পণ্য ও সেবায়। এতে বাড়তে পারে আইসক্রিম, বেভারেজ, ইট, এলইডি বাল্ব, তামাকজাতীয় দ্রব্য প্রভৃতি পণ্যের দাম। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
এবার নিম্নবিত্ত মানুষের কথা বিবেচনা করে কর কমানো হয়েছে বেশকিছু পণ্যের। গুঁড়োদুধ, দেশে তৈরি মোটরসাইকেল, ল্যাপটপসহ অনেক পণ্যের দাম কমতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
আমরা বিভিন্ন প্রয়োজন-অপ্রয়োজনে মোবাইলে বাড়তি কথা বলে থাকি। আবার একেকজন গ্রাহকের একাধিক সিম রয়েছে। কিন্তু নতুন অর্থবছরে মোবাইলের এসব ব্যবহারের জন্য গুনতে হবে বাড়তি খরচ।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উত্থাপন হতে যাচ্ছে। টানা চতুর্থ মেয়াদে গঠিত সরকারের প্রথম বাজেট এটি। এর মাধ্যমে অর্থমন্ত্রী হিসেবে আবুল হাসান মাহমুদ আলীরও হবে বাজেটের সূচনা। তিনি বেলা ৩টায় প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন।
চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১১ মাসে সকল পণ্য থেকে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১৫৪ কোটি ডলার। প্রবৃদ্ধি ২.০১ শতাংশ। তবে গত মে মাসে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩৩৫ কোটি ডলারের, যা আগের বছরের থেকে ১৭.১৯ শতাংশ কম।
জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজ বুধবার। এটি চলতি দ্বাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় এবং প্রথম বাজেট অধিবেশন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ৬ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার।মঙ্গলবার (৪ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়।
বিশ্লেষকেরা বলেন, মূল্যস্ফীতি এক ধরনের কর; ধনী-গরিব-নির্বিশেষে সবার ওপর চাপ সৃষ্টি করে মূল্যস্ফীতি। আয় বৃদ্ধির তুলনায় মূল্যস্ফীতির হার বেশি হলে গরিব ও মধ্যবিত্তরা সংসার চালাতে ভোগান্তিতে পড়ে। গত দুই বছর ধরে চলা এই উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। প্রভাব পড়ছে মানুষের যাপিত জীবনে।
খাত সশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ব বাজারে কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি, জাহাজীকরণ ব্যয় বৃদ্ধি, ডলার বাজারে অস্থিরতা এবং গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এ খাতের কোম্পানিগুলোর জন্য বাধা স্বরূপ। তাছাড়া দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় এ খাতে উৎপাদন বেশি হওয়ায় বেশিরভাগ কোম্পানির বিক্রি ধারাবাহিকভাবে কমছে। এ বিক্রি হ্রাস ও
ভোলাহাটের আমচাষি শরিফুল ইসলাম জানান, এ বছর তারা বিভিন্ন জাতের গুটি আম আকারভেদে মণপ্রতি ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায় এবং গোপালভোগ আম মণপ্রতি ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি করছেন। তবে বাজারে ক্রেতা খুবই কম।