সঞ্চয়পত্রের সার্ভার জালিয়াতি, হ্যাকিং কি না নিশ্চিত নয় বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
সঞ্চয়পত্রের সার্ভার জালিয়াতি, হ্যাকিং কি না নিশ্চিত নয় বাংলাদেশ ব্যাংক

সঞ্চয়পত্রের সার্ভার জালিয়াতি করে ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনা হ্যাকিং কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি বাংলাদেশ ব্যাংক। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগের তিন কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সন্দেহভাজন তিনটি ব্যাংক হিসাব জব্দও করা হয়েছে।

পাশাপাশি এ ঘটনায় সাইবার নিরাপত্তা আইনে মতিঝিল থানায় মামলা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঘটনা তদন্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয় দুটি আলাদা আলাদা কমিটি গঠন করেছে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে এসব কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

গত ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয় থেকে এক ব্যক্তি ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কেনেন। চার দিন পরই ঘটে সঞ্চয়পত্রের টাকা চুরির ঘটনা। ওই ২৫ লাখ টাকাই হাতিয়ে নেয় একটি চক্র।

ধারণা করা হচ্ছে, চক্রটি বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভার হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করেছে। পরে এনআরবিসি ব্যাংকের দিনাজপুরের একটি উপশাখায় টাকা স্থানান্তর করে। একই দিনে চক্রটি রাজধানীর শ্যামলী শাখায় টাকা স্থানান্তর করে টাকা তুলে নেয়।

একই প্রক্রিয়ায় একই দিনে ডাচ-বাংলা ব্যাংকে ৩০ লাখ ও এনআরবি ব্যাংকের মাধ্যমে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ভাঙানোর চেষ্টা করা হয়। তবে লেনদেনগুলো বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দীকী বলেন, পাসওয়ার্ডগুলো কম্প্রোমাইজড হয়েছে। এগুলো কম্প্রোমাইজড হয়েছে বলেই জানানো হয়েছে। সে হিসাবেই তদন্ত চলছে যে এটি কোথা থেকে হলো এবং কীভাবে হলো।

দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোতে যখন সাইবার নিরাপত্তা বাড়াতে জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ঠিক তখনই বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয়ের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে এ জালিয়াতি হয়েছে। এ ঘটনায় মতিঝিল থানায় মামলা হয়েছে।

মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে সার্ভার থেকে। বিস্তারিত তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আমরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement