মে মাসে মূল্যস্ফীতি ২০২৫ সালের জানুয়ারির পর সর্বোচ্চ

গত মে মাসে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত পণ্য মিলিয়ে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে। এপ্রিলে এ হার ছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির এ হার ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের পর সর্বোচ্চ।
রোববার (৭ জুন) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। তথ্য বলছে, এ নিয়ে টানা দুই মাসেই দেশে মূল্যস্ফীতি বাড়ল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মে মাসে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ০৬ শতংশে, যা এপ্রিলে ছিল ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
অন্যদিকে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি এপ্রিলে ছিল ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ, যা মে মাসে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার প্রভাবে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়েছে৷ এর কারণেই মূল্যস্ফীতিও বেড়ে গেছে।
মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার অর্থ হলো গত বছরের একই সময়ের তুলনায় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া। সে হিসাবে পয়েন্ট টু পয়েন্টে ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি মে মাসে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশের অর্থ, গত বছর মে মাসে যে পণ্য বা সেবা নিতে ১০০ টাকা খরচ হয়েছে, একই পণ্য বা সেবা কিনতে এ বছরের মে মাসে খরচ করতে হয়েছে ১০৯ টাকা ৪২ পয়সা।
এর আগে গত বছরের জানুয়ারি মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এরপর থেকে মে মাসের সমান মূল্যস্ফীতি আর হয়নি গত ১৬ মাসে।
চলতি অর্থবছরের শুরুর দিকে টানা কয়েক মাস বেড়ে ফেব্রুয়ারিতে ৯ শতাংশের ঘরে পৌঁছেছিল মূল্যস্ফীতি। তবে পরের মাসে মার্চে তা আবার ৮ শতাংশের ঘরে নেমে এসেছিল। পরে এপ্রিলে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে।










-1bec3e-256x144.webp)




