
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে হলে কৃষকদের সহায়তা ও সহজ শর্তে ঋণ প্রদান জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, কৃষকদের ‘অ্যাকসেস টু ক্রেডিট’ এখনো সীমিত, তাই এই সুযোগ বাড়াতে হবে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) নতুন অর্থবছরের (২০২৫-২৬) কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচি ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর, নির্বাহী পরিচালক, পরিচালক এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।
গভর্নর বলেন, আমাদের দেশে ব্যাংকের মাধ্যমে যে কৃষিঋণ বিতরণ হয়, তা সবসময় প্রকৃত কৃষকের হাতে পৌঁছায় কি না—সে বিষয়ে সন্দেহ আছে। দালালের মাধ্যমে কৃষিঋণ যেন বিতরণ না হয়, সেদিকে নজরদারি বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, কৃষিঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে উচ্চাভিলাষী হতে হবে। অল্প লক্ষ্যমাত্রা ধরে শতভাগ অর্জনের চেয়ে বেশি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ঋণপ্রবাহ বাড়ানো ভালো। ছোট কৃষি উদ্যোক্তাদের ‘কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ে’ উৎসাহিত করতে হবে, যাতে সবাই লাভবান হয় এবং পুরো জাতি উপকৃত হয়।
ড. আহসান এইচ মনসুর ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের উদ্দেশে বলেন, প্রয়োজনে মাইক্রোফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নিয়ে হলেও কৃষিঋণের পরিধি আরও বাড়াতে হবে।
এদিন কৃষিখাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৩৯ হাজার কোটি টাকার কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত অর্থবছরে এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা এ বছর ২.৬৩ শতাংশ বেশি।
নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে— প্রাণিসম্পদ খাতে বরাদ্দ ২০ শতাংশ করা, সেচ ও কৃষি যন্ত্রপাতি খাতে ২ শতাংশ বরাদ্দ, ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণের সিআইবি সার্ভিস চার্জ মওকুফ, কন্ট্রাক্ট ফার্মিং ও এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আওতা বৃদ্ধি, খিরা, কচুর লতি, বিটরুট, কালোজিরা, আদা, রসুন, হলুদ, খেজুর গুড় ইত্যাদি নতুন ফসল ঋণনীতিতে অন্তর্ভুক্ত এবং অঞ্চলভিত্তিক উৎপাদন সম্ভাবনা অনুযায়ী ঋণ বিতরণের নির্দেশনা।
বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, কৃষি ও পল্লী খাতে পর্যাপ্ত ঋণ সরবরাহের মাধ্যমে কৃষিপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই অর্থনীতি গঠনে এ নীতিমালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে হলে কৃষকদের সহায়তা ও সহজ শর্তে ঋণ প্রদান জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, কৃষকদের ‘অ্যাকসেস টু ক্রেডিট’ এখনো সীমিত, তাই এই সুযোগ বাড়াতে হবে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) নতুন অর্থবছরের (২০২৫-২৬) কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচি ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর, নির্বাহী পরিচালক, পরিচালক এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।
গভর্নর বলেন, আমাদের দেশে ব্যাংকের মাধ্যমে যে কৃষিঋণ বিতরণ হয়, তা সবসময় প্রকৃত কৃষকের হাতে পৌঁছায় কি না—সে বিষয়ে সন্দেহ আছে। দালালের মাধ্যমে কৃষিঋণ যেন বিতরণ না হয়, সেদিকে নজরদারি বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, কৃষিঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে উচ্চাভিলাষী হতে হবে। অল্প লক্ষ্যমাত্রা ধরে শতভাগ অর্জনের চেয়ে বেশি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ঋণপ্রবাহ বাড়ানো ভালো। ছোট কৃষি উদ্যোক্তাদের ‘কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ে’ উৎসাহিত করতে হবে, যাতে সবাই লাভবান হয় এবং পুরো জাতি উপকৃত হয়।
ড. আহসান এইচ মনসুর ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের উদ্দেশে বলেন, প্রয়োজনে মাইক্রোফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নিয়ে হলেও কৃষিঋণের পরিধি আরও বাড়াতে হবে।
এদিন কৃষিখাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৩৯ হাজার কোটি টাকার কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত অর্থবছরে এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা এ বছর ২.৬৩ শতাংশ বেশি।
নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে— প্রাণিসম্পদ খাতে বরাদ্দ ২০ শতাংশ করা, সেচ ও কৃষি যন্ত্রপাতি খাতে ২ শতাংশ বরাদ্দ, ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণের সিআইবি সার্ভিস চার্জ মওকুফ, কন্ট্রাক্ট ফার্মিং ও এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আওতা বৃদ্ধি, খিরা, কচুর লতি, বিটরুট, কালোজিরা, আদা, রসুন, হলুদ, খেজুর গুড় ইত্যাদি নতুন ফসল ঋণনীতিতে অন্তর্ভুক্ত এবং অঞ্চলভিত্তিক উৎপাদন সম্ভাবনা অনুযায়ী ঋণ বিতরণের নির্দেশনা।
বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, কৃষি ও পল্লী খাতে পর্যাপ্ত ঋণ সরবরাহের মাধ্যমে কৃষিপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই অর্থনীতি গঠনে এ নীতিমালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।
৪ দিন আগে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।
৪ দিন আগে
আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’
৫ দিন আগে
পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৫ দিন আগে