
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জানুয়ারি মাসে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার বা ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার। প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে দেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩৮ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, এর আগে একক মাস হিসেবে আর মাত্র দুবার রেমিট্যান্স এসেছে এর চেয়ে বেশি। অর্থাৎ সদ্য বিদায়ী মাসটিতে রেমিট্যান্স এসেছে একক মাসের হিসেবে ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসী আয়ের হালনাগাদ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকটির তথ্য বলছে, এর আগে গত বছরের জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল দুই দশমিক ১৯ বিলিয়ন বা ২১৯ ডলার। সে হিসাবে জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৫ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।
এদিকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে বাংলাদেশে ৩২৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। অন্যদিকে গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২৩ বিলিয়ন ডলার, যা ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এই দুই মাসের পরই একক মাসের রেমিট্যান্স প্রবাহে স্থান করে নিয়েছে জানুয়ারি।
অন্যদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সাত মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ১৯ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন বা এক হাজার ৯৪৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এই রেমিট্যান্স আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৫ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন বা এক হাজার ৫৯৬ ডলার। সে হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসের রেমিট্যান্স আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট মোকাবিলা ও রিজার্ভ বাড়াতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এসব পদক্ষেপ প্রবাসীদের আয় বা দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

জানুয়ারি মাসে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার বা ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার। প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে দেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩৮ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, এর আগে একক মাস হিসেবে আর মাত্র দুবার রেমিট্যান্স এসেছে এর চেয়ে বেশি। অর্থাৎ সদ্য বিদায়ী মাসটিতে রেমিট্যান্স এসেছে একক মাসের হিসেবে ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসী আয়ের হালনাগাদ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকটির তথ্য বলছে, এর আগে গত বছরের জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল দুই দশমিক ১৯ বিলিয়ন বা ২১৯ ডলার। সে হিসাবে জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৫ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।
এদিকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে বাংলাদেশে ৩২৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। অন্যদিকে গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২৩ বিলিয়ন ডলার, যা ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এই দুই মাসের পরই একক মাসের রেমিট্যান্স প্রবাহে স্থান করে নিয়েছে জানুয়ারি।
অন্যদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সাত মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ১৯ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন বা এক হাজার ৯৪৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এই রেমিট্যান্স আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৫ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন বা এক হাজার ৫৯৬ ডলার। সে হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসের রেমিট্যান্স আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট মোকাবিলা ও রিজার্ভ বাড়াতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এসব পদক্ষেপ প্রবাসীদের আয় বা দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ডলারের দাম কমার পেছনে মূল কারণ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে নিট ওপেন পজিশন (এনওপি) দীর্ঘমেয়াদে নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমার কাছাকাছি থাকা। সহজ কথায়, ব্যাংকগুলোর কাছে বর্তমানে পর্যাপ্ত ডলার রয়েছে।
৫ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আইসিসিবির পুষ্পাঞ্জলি হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আয়োজকরা। ‘সুপার সেল কার বাজার’ আয়োজন করছে উইজার্ড শোবিজ। ভেন্যু পার্টনার হিসেবে রয়েছে আইসিসিবি।
৫ দিন আগে
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর টেসলা থেকে ইলন মাস্ক যে বিপুল পরিমাণ পারিশ্রমিক পেয়েছেন তা অন্য কোনো কোম্পানির কোনো কর্মকর্তার সঙ্গেই তুলনীয় নয়। তবে মাস্ককে হিসাবের বাইরে রাখলেও যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় কোম্পানিগুলোর সিইও ও কর্মীদের বেতন বৈষম্য আগের বছরের তুলনায় ২০২৫ সালে বেড়েছে।
৫ দিন আগে
বাজার বিশ্লেষকরা জানান, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যকার যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে তেলের ব্যবহারে ব্যাঘাত ঘটছে। ফলে পূর্বাভাসদাতারা ২০২৬ সালের বিশ্বব্যাপী তেলের চাহিদার মাত্রা আগের চেয়ে কমিয়ে এনেছেন। বিশ্বজুড়ে চাহিদা কমার এই আশঙ্কাই মূলত তেলের দাম কমার পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে। তবে এ
৬ দিন আগে