
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনে জন্য নানা কার্যক্রম চলছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
সরকার পতনের ওই আন্দোলনের অন্যতম নেতা হাসনাতের অভিযোগ, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের জন্য সক্রিয় ভূমিকা রাখছে ভারতীয় হাইকমিশনসহ গোয়েন্দা সংস্থা। এর অংশ হিসেবেই জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যা ও গণহত্যার বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব অভিযোগ তোলেন হাসনাত। এর আগে আরেক স্ট্যাটাসেও তিনি বিচার ও সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকারের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
হাসনাত আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনে ভারতীয় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে লিখেছেন, ‘শুধু এ মাসেই ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ও হাইকমিশন বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি ও সামরিক পর্যায়ে অন্তত ২৩টি মিটিং করেছে। লিখে রাখেন, আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের সুযোগ করে দিতেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিচারের নামে কালেক্ষপণ করা হচ্ছে।’
https://www.facebook.com/share/p/1Bxihfe69D/?mibextid=wwXIfr
অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করবে না উল্লেখ করে হাসনাত লিখেছেন, ‘একপর্যায়ে গিয়ে বলা হবে, একসময়ের জনসমর্থিত রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা আমাদের কাজ নয়।’
আওয়ামী লীগের বিচার ও দলটিকে নিষিদ্ধ করতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘যার এজেন্ডায় গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের বিচার নাই, যার এজেন্ডায় আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা নাই, তার সাথে আমরা নাই।’
হাসনাতের এই পোস্টের যথার্থতা নিশ্চিত হতে পারেনি রাজনীতি ডটকম। বিশেষ করে এ মাসেই ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ও হাইকমিশনের বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি ও সামরিক পর্যায়ে করা বৈঠকের তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
হাসনাতের পোস্টটি ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে নেটিজেনদের। ৯ ঘণ্টায় এক লাখ ৬৬ হাজারের বেশি রিয়্যাকশন পড়েছে এই পোস্টে, মন্তব্য পড়েছে সাড়ে ১৮ হাজারের বেশি। পোস্টটি শেয়ার হয়েছে সাত হাজার আট শ বার।
এর আগে এ দিন সকালে ফেসবুকে দেওয়া আরেক পোস্টে হাসনাত বলেন, ‘খুনিকে দেশ থেকে নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, পুলিশ আসামি ধরলেও আদালত থেকে জামিন দেওয়া হয়। শিরীন শারমিনকে রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে বাসায় গিয়ে পাসপোর্ট করে দেওয়া হয়। দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল জানুয়ারিতে হওয়ার কথা থাকলেও মে মাসে এসেও শুরু হয়নি। আর আপনারা বলছেন আওয়ামী লীগের বিচার করবেন?’
‘তা ইন্টেরিম, এখন পর্যন্ত কী কী বিচার ও সংস্কার করেছেন?— প্রশ্ন রেখে পোস্ট শেষ করেন হাসনাত।
হাসনাতের এই পোস্টের বিষয়বস্তুর মধ্যে অবশ্য দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে এ দিন বিকেলের দিকে। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীকে চেয়ারম্যান করে গঠন করা হয়েছে এ ট্রাইব্যুনাল। প্রথম ট্রাইব্যুনালটিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও নতুন ট্রাইব্যুনালটিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ নাম দেওয়া হয়েছে।

ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনে জন্য নানা কার্যক্রম চলছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
সরকার পতনের ওই আন্দোলনের অন্যতম নেতা হাসনাতের অভিযোগ, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের জন্য সক্রিয় ভূমিকা রাখছে ভারতীয় হাইকমিশনসহ গোয়েন্দা সংস্থা। এর অংশ হিসেবেই জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যা ও গণহত্যার বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব অভিযোগ তোলেন হাসনাত। এর আগে আরেক স্ট্যাটাসেও তিনি বিচার ও সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকারের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
হাসনাত আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনে ভারতীয় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে লিখেছেন, ‘শুধু এ মাসেই ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ও হাইকমিশন বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি ও সামরিক পর্যায়ে অন্তত ২৩টি মিটিং করেছে। লিখে রাখেন, আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের সুযোগ করে দিতেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিচারের নামে কালেক্ষপণ করা হচ্ছে।’
https://www.facebook.com/share/p/1Bxihfe69D/?mibextid=wwXIfr
অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করবে না উল্লেখ করে হাসনাত লিখেছেন, ‘একপর্যায়ে গিয়ে বলা হবে, একসময়ের জনসমর্থিত রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা আমাদের কাজ নয়।’
আওয়ামী লীগের বিচার ও দলটিকে নিষিদ্ধ করতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘যার এজেন্ডায় গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের বিচার নাই, যার এজেন্ডায় আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা নাই, তার সাথে আমরা নাই।’
হাসনাতের এই পোস্টের যথার্থতা নিশ্চিত হতে পারেনি রাজনীতি ডটকম। বিশেষ করে এ মাসেই ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ও হাইকমিশনের বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি ও সামরিক পর্যায়ে করা বৈঠকের তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
হাসনাতের পোস্টটি ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে নেটিজেনদের। ৯ ঘণ্টায় এক লাখ ৬৬ হাজারের বেশি রিয়্যাকশন পড়েছে এই পোস্টে, মন্তব্য পড়েছে সাড়ে ১৮ হাজারের বেশি। পোস্টটি শেয়ার হয়েছে সাত হাজার আট শ বার।
এর আগে এ দিন সকালে ফেসবুকে দেওয়া আরেক পোস্টে হাসনাত বলেন, ‘খুনিকে দেশ থেকে নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, পুলিশ আসামি ধরলেও আদালত থেকে জামিন দেওয়া হয়। শিরীন শারমিনকে রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে বাসায় গিয়ে পাসপোর্ট করে দেওয়া হয়। দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল জানুয়ারিতে হওয়ার কথা থাকলেও মে মাসে এসেও শুরু হয়নি। আর আপনারা বলছেন আওয়ামী লীগের বিচার করবেন?’
‘তা ইন্টেরিম, এখন পর্যন্ত কী কী বিচার ও সংস্কার করেছেন?— প্রশ্ন রেখে পোস্ট শেষ করেন হাসনাত।
হাসনাতের এই পোস্টের বিষয়বস্তুর মধ্যে অবশ্য দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে এ দিন বিকেলের দিকে। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীকে চেয়ারম্যান করে গঠন করা হয়েছে এ ট্রাইব্যুনাল। প্রথম ট্রাইব্যুনালটিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও নতুন ট্রাইব্যুনালটিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ নাম দেওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে