
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কবি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফরহাদ মজহার বলেছেন,দিল্লি কখনোই একটা স্বাধীন বাংলাদেশ হতে দিতে চাইবে না। শুধু দিল্লি নয় এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও চাইবে না। এটা ভাববেন না যে তারা আপনাদেরকে বুকে জড়িয়ে নেবে।
যদি এর থেকে আপনি বাঁচতে চান তাহলে রাষ্ট্র গঠন আগে, সরকার গঠন পরে। কিন্তু সরকার আমরা অবশ্যই গঠন করব।
সোমবার (২৬ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে, 'বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা, আজ জেগেছে সেই জনতা' প্রতিপাদ্যে শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
সামনে দু'রকম নির্বাচন আছে জানিয়ে ফরহাদ মজহার বলেন, একটি নির্বাচন হচ্ছে গঠনতন্ত্র প্রণয়নের জন্য নির্বাচন। আরেকটি হচ্ছে গঠনতন্ত্র প্রণীত হবার পরে সরকার নির্বাচন। তাই রাজনৈতিক দলগুলোকে অপেক্ষা করতে হবে সরকারের নির্বাচন পর্যন্ত। আর গঠনতন্ত্র প্রণয়নের কাউন্সিল বা নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো অংশগ্রহণ করবে। জনগণ কি ধরনের রাষ্ট্র চায় এ আলোচনা গুলো রাজনৈতিক দলগুলোকে শুনতে হবে। এই শোনার মাধ্যমে আমরা নতুন যে বাংলাদেশ গঠন করতে চাই, আমাদের যে অভিপ্রায় আছে, যারা এই বাংলাদেশ করার জন্য শহীদ হয়েছেন তাদের যে স্বপ্নের বাংলাদেশ, তা তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, জনগণ মানে যারা ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, আর যারা ফ্যাসিস্ট তারা কিন্তু জনগণের অংশ না। বিভিন্ন ছুঁতায়, বিভিন্ন কাহিনী কেচ্ছা বলে আবার আপনারা ফ্যাসিস্টদের ক্ষমতায় আনবেন তা হবে না।
দ্রুত বিচারের প্রসঙ্গে ফরহাদ মজহার বলেন, দ্রুত বিচারের চেয়ে আমাদের বেশি প্রয়োজন ন্যায় বিচার চাওয়া। আমরা সত্যটা জানতে চাই। মাইকেল চাকমা বা আমাকে যারা উঠিয়ে নিয়ে গেছে, কারা নিয়ে গেছে আমরা তা জানতে চাই। আমাদের যাদের গুম করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তারা কোথায়? তাদের কোথায় কবর দিছো? দয়া করে আমাদের কবরটা দেখাও।
গতকাল আনসারদের নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রসঙ্গে এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, আজকে আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য নাই; গতকাল আনসারদের যে ঘটনা ঘটলো, গোয়েন্দারা কোথায় ছিল? এতো দেরি কেন? সকাল থেকেইতো তারা (আনসার) ঘেরাও করে ছিল, গেট আটকে ছিল। আমার প্রশ্ন, আপনারা তখন কোথায় ছিলেন? আমি আনসারদেরকে দোষ দিবো না। আমি বারবার বলছি আনসারদের সাথে ছাত্রদের কোনো বিরোধ আমরা বাংলাদেশে চাই না। এই আনসারদেরকে আমাদের কয়দিন পর লাগবে। যদি গতকালের পর আনসারদেরকে আবার প্রতিবিপ্লবে ব্যবহৃত হয় তাহলে আপনারা নিষিদ্ধ হবেন।
এসময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক লেখক ও গ্রন্থকার ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব,বাংলাদেশ যুব অর্থনীতিবিদ ফোরাম প্রেসিডেন্ট মীর্জা ওয়ালিদ হোসেইন, যুগ্ম সচিব শহীদ বখতিয়ার আলম, সাবেক সচিব রফিকুল ইসলাম সরকার, আয়না ঘর থেকে মুক্তি পাওয়া মাইকেল চাকমা প্রমুখ।

কবি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফরহাদ মজহার বলেছেন,দিল্লি কখনোই একটা স্বাধীন বাংলাদেশ হতে দিতে চাইবে না। শুধু দিল্লি নয় এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও চাইবে না। এটা ভাববেন না যে তারা আপনাদেরকে বুকে জড়িয়ে নেবে।
যদি এর থেকে আপনি বাঁচতে চান তাহলে রাষ্ট্র গঠন আগে, সরকার গঠন পরে। কিন্তু সরকার আমরা অবশ্যই গঠন করব।
সোমবার (২৬ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে, 'বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা, আজ জেগেছে সেই জনতা' প্রতিপাদ্যে শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
সামনে দু'রকম নির্বাচন আছে জানিয়ে ফরহাদ মজহার বলেন, একটি নির্বাচন হচ্ছে গঠনতন্ত্র প্রণয়নের জন্য নির্বাচন। আরেকটি হচ্ছে গঠনতন্ত্র প্রণীত হবার পরে সরকার নির্বাচন। তাই রাজনৈতিক দলগুলোকে অপেক্ষা করতে হবে সরকারের নির্বাচন পর্যন্ত। আর গঠনতন্ত্র প্রণয়নের কাউন্সিল বা নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো অংশগ্রহণ করবে। জনগণ কি ধরনের রাষ্ট্র চায় এ আলোচনা গুলো রাজনৈতিক দলগুলোকে শুনতে হবে। এই শোনার মাধ্যমে আমরা নতুন যে বাংলাদেশ গঠন করতে চাই, আমাদের যে অভিপ্রায় আছে, যারা এই বাংলাদেশ করার জন্য শহীদ হয়েছেন তাদের যে স্বপ্নের বাংলাদেশ, তা তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, জনগণ মানে যারা ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, আর যারা ফ্যাসিস্ট তারা কিন্তু জনগণের অংশ না। বিভিন্ন ছুঁতায়, বিভিন্ন কাহিনী কেচ্ছা বলে আবার আপনারা ফ্যাসিস্টদের ক্ষমতায় আনবেন তা হবে না।
দ্রুত বিচারের প্রসঙ্গে ফরহাদ মজহার বলেন, দ্রুত বিচারের চেয়ে আমাদের বেশি প্রয়োজন ন্যায় বিচার চাওয়া। আমরা সত্যটা জানতে চাই। মাইকেল চাকমা বা আমাকে যারা উঠিয়ে নিয়ে গেছে, কারা নিয়ে গেছে আমরা তা জানতে চাই। আমাদের যাদের গুম করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তারা কোথায়? তাদের কোথায় কবর দিছো? দয়া করে আমাদের কবরটা দেখাও।
গতকাল আনসারদের নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রসঙ্গে এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, আজকে আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য নাই; গতকাল আনসারদের যে ঘটনা ঘটলো, গোয়েন্দারা কোথায় ছিল? এতো দেরি কেন? সকাল থেকেইতো তারা (আনসার) ঘেরাও করে ছিল, গেট আটকে ছিল। আমার প্রশ্ন, আপনারা তখন কোথায় ছিলেন? আমি আনসারদেরকে দোষ দিবো না। আমি বারবার বলছি আনসারদের সাথে ছাত্রদের কোনো বিরোধ আমরা বাংলাদেশে চাই না। এই আনসারদেরকে আমাদের কয়দিন পর লাগবে। যদি গতকালের পর আনসারদেরকে আবার প্রতিবিপ্লবে ব্যবহৃত হয় তাহলে আপনারা নিষিদ্ধ হবেন।
এসময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক লেখক ও গ্রন্থকার ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব,বাংলাদেশ যুব অর্থনীতিবিদ ফোরাম প্রেসিডেন্ট মীর্জা ওয়ালিদ হোসেইন, যুগ্ম সচিব শহীদ বখতিয়ার আলম, সাবেক সচিব রফিকুল ইসলাম সরকার, আয়না ঘর থেকে মুক্তি পাওয়া মাইকেল চাকমা প্রমুখ।

নতুন এই রদবদলে কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. জায়েদ আহমাদ। তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ থেকে (২০১৮-২০১৯ সেশন) এমবিবিএস পাস করেছেন। এর আগে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সভাপতি এবং মেডিকেল জোনের সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার গ্রামের
১৮ ঘণ্টা আগে
নাহিদ বলেন, সরকার বলেছিল, তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই সরকার যদি বলে তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, তাহলে বিচার আর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আন্ত
১ দিন আগে
নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী তার পোস্টে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থা এখনও কোনো সুস্পষ্ট জাতীয় সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেনি এবং বর্তমান বিজ্ঞান, কলা ও ব্যবসায় শিক্ষার কাঠামো দক্ষ জনশক্তি গড়ার পরিবর্তে একটি বৃহৎ শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী তৈরি করছে।
২ দিন আগে
বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, 'গুম, খুন ও চরম নির্যাতনের শিকার হয়েও আপনারা সবাই মিলে দল সামলেছেন। নিজের পরিবারের চেয়ে দলকে বেশি সময় ও অর্থ দিয়েছেন। তখন সবাই সবার পাশে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে দল চালিয়েছেন। এখন নির্যাতনের সেই ভয় নেই, তাহলে এখন কেন ঐক্যবদ্ধ থা
৩ দিন আগে