
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা সাদিক কায়েম সম্প্রতি ছাত্রশিবির ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যোগ দেওয়ায় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি পদে থাকার ‘নৈতিকতা হারিয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।
বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের ৯ দফার মধ্যে ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের জন্য চাপ দেয় শিবির। কিন্তু আব্দুল কাদের (বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা) সে বিষয়ে সম্মত হয়নি। পরবর্তীতে আলোচনার ভিত্তিতে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের বিষয়ে দফা সংযুক্ত করা হয়।’
ছাত্রশিবিরই এখন ‘সবচেয়ে বড়’ লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র সংগঠন মন্তব্য করে রাশেদ বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের সময় ডাকসুর বর্তমান ভিপিসহ ডাকসুর অধিকাংশ নেতারা দাঁড়িপাল্লার পক্ষে খ্যাপ মেরেছে। এখন আবার ডাকসুর ভিপি থাকা অবস্থায় সাদিক কায়েম শিবির থেকে পদত্যাগ করে জামায়াতে যোগদান করেছে এবং জামায়াতের পক্ষ থেকে দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হয়েছে!’
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘অথচ জুলাইয়ের সময় ও ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আগে তারা লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার ওয়াদা করেছিল। কিন্তু এখন তারা ওয়াদা ভঙ্গ করে প্রকৃতপক্ষে শহিদের রক্তের সাথে বেইমানি করেছে। সাদিক কায়েমও জামায়াতে যোগদান করে ডাকসু ভিপি থাকার নৈতিকতা হারিয়েছে।’
সাদিক কায়েমের এমন সিদ্ধান্ত ‘শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা’ অভিহিত করে তাকে অনতিবিলম্বে ক্ষমা চাইতে এবং ভিপি পদ থেকে সরে দাঁড়াতে আহ্বান জানান রাশেদ খাঁন।
পরে ফেসবুকে দেওয়া আরেক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘সাদিক কায়েমের জামায়াতে যোগদানের বিষয়ে লেখার পর অনেকে আমাকে জানিয়েছে— সাদিক কায়েম জামায়াতের পক্ষ থেকে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন প্রার্থী হয়েছে সত্য, তবে ডাকসুর ভিপি পদে থাকার কারণে এখনো তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেননি। আপাতত জামায়াতের আমিরের সাথে সাক্ষাৎ করে মৌখিকভাবে যোগদান চুড়ান্ত করা হয়েছে, ভিপির মেয়াদ শেষ হলে আনুষ্ঠানিকতা হবে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমিও তো কোথাও বলিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছে। বরং মৌখিকভাবে যোগদান করে জামায়াতের প্রার্থী হয়েছে, এটা তো মিথ্যা নয়। এক্ষেত্রে আমার প্রশ্ন হলো— তিনি লেজুড়বৃত্তিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি তুলেও কীভাবে দাঁড়িপাল্লার ভোট করে বেড়ালেন এবং ডাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী হলেন। এটা কি প্রতারণা নয়? এ জন্যই আমি বলেছি, শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণার জন্য তার উচিত পদত্যাগ করা।’
এদিকে সাদিক কায়েমের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করার খবর ‘সঠিক নয়’ বলে জানিয়েছে দলটি। জামায়াতে ইসলামী বলছে, ‘দলের আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাদিক কায়েমের একটি ছবিকে কেন্দ্র করে এই বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। মূলত ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে বিদায় নিয়েছেন মাত্র।’
এ ছাড়া সাদিক কায়েমের জামায়াতে যোগদানের খবরটি ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি বলেন, ‘জামায়াত আমির ছাত্রশিবিরের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং সেই সময়ের একটি ছবিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে এই গুঞ্জন ছড়ানো হচ্ছে।’
এর আগে গত সোমবার (১৩ জুলাই) নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়ে ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব থেকে বিদায়ের কথা জানান সাদিক কায়েম নিজেই। তিনি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। ওই দিন কেন্দ্রীয় কমিটির আরও আট নেতাও ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নেন।
সাদিক কায়েম নিজের ফেসবুক পোস্টে ছাত্রশিবির থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়ে লিখেছিলেন, দেখতে দেখতে দীর্ঘ এক সোনালি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। সংগঠনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে আজ আমার আনুষ্ঠানিক ছুটি হয়েছে। সবকিছুর জন্য আল্লাহর কাছে অগণিত শুকরিয়া আদায় করছি। জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ও প্রোডাক্টিভ সময়গুলো কেটেছে এই কাফেলার সঙ্গে।
এর আগে গত ১ মে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয় এক অনুষ্ঠানে। ওই সময় ছাত্রশিবির জানায়, তাদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নির্বাচন করার সুযোগ নেই। তখনই সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছিলেন, নির্বাচনের আগে ছাত্রশিবির ছাড়তে পারেন সাদিক কায়েম।
এর মধ্যে আগামী আগস্টে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কথা জানিয়েছে সরকার। কয়েক ধাপ পরে সিটি করপোরেশন নির্বাচন শুরু হবে। অন্যদিকে গত মাসে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র পদে সাদিক কায়েমের নাম চূড়ান্ত করা হয়, যা দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদ মজলিশে শুরার চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। সব মিলিয়ে ভোটের তারিখ এগিয়ে আসার কারণেই সাদিক কায়েম ছাত্রশিবির ছেড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা সাদিক কায়েম সম্প্রতি ছাত্রশিবির ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যোগ দেওয়ায় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি পদে থাকার ‘নৈতিকতা হারিয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।
বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের ৯ দফার মধ্যে ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের জন্য চাপ দেয় শিবির। কিন্তু আব্দুল কাদের (বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা) সে বিষয়ে সম্মত হয়নি। পরবর্তীতে আলোচনার ভিত্তিতে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের বিষয়ে দফা সংযুক্ত করা হয়।’
ছাত্রশিবিরই এখন ‘সবচেয়ে বড়’ লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র সংগঠন মন্তব্য করে রাশেদ বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের সময় ডাকসুর বর্তমান ভিপিসহ ডাকসুর অধিকাংশ নেতারা দাঁড়িপাল্লার পক্ষে খ্যাপ মেরেছে। এখন আবার ডাকসুর ভিপি থাকা অবস্থায় সাদিক কায়েম শিবির থেকে পদত্যাগ করে জামায়াতে যোগদান করেছে এবং জামায়াতের পক্ষ থেকে দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হয়েছে!’
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘অথচ জুলাইয়ের সময় ও ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আগে তারা লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার ওয়াদা করেছিল। কিন্তু এখন তারা ওয়াদা ভঙ্গ করে প্রকৃতপক্ষে শহিদের রক্তের সাথে বেইমানি করেছে। সাদিক কায়েমও জামায়াতে যোগদান করে ডাকসু ভিপি থাকার নৈতিকতা হারিয়েছে।’
সাদিক কায়েমের এমন সিদ্ধান্ত ‘শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা’ অভিহিত করে তাকে অনতিবিলম্বে ক্ষমা চাইতে এবং ভিপি পদ থেকে সরে দাঁড়াতে আহ্বান জানান রাশেদ খাঁন।
পরে ফেসবুকে দেওয়া আরেক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘সাদিক কায়েমের জামায়াতে যোগদানের বিষয়ে লেখার পর অনেকে আমাকে জানিয়েছে— সাদিক কায়েম জামায়াতের পক্ষ থেকে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন প্রার্থী হয়েছে সত্য, তবে ডাকসুর ভিপি পদে থাকার কারণে এখনো তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেননি। আপাতত জামায়াতের আমিরের সাথে সাক্ষাৎ করে মৌখিকভাবে যোগদান চুড়ান্ত করা হয়েছে, ভিপির মেয়াদ শেষ হলে আনুষ্ঠানিকতা হবে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমিও তো কোথাও বলিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছে। বরং মৌখিকভাবে যোগদান করে জামায়াতের প্রার্থী হয়েছে, এটা তো মিথ্যা নয়। এক্ষেত্রে আমার প্রশ্ন হলো— তিনি লেজুড়বৃত্তিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি তুলেও কীভাবে দাঁড়িপাল্লার ভোট করে বেড়ালেন এবং ডাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী হলেন। এটা কি প্রতারণা নয়? এ জন্যই আমি বলেছি, শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণার জন্য তার উচিত পদত্যাগ করা।’
এদিকে সাদিক কায়েমের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করার খবর ‘সঠিক নয়’ বলে জানিয়েছে দলটি। জামায়াতে ইসলামী বলছে, ‘দলের আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাদিক কায়েমের একটি ছবিকে কেন্দ্র করে এই বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। মূলত ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে বিদায় নিয়েছেন মাত্র।’
এ ছাড়া সাদিক কায়েমের জামায়াতে যোগদানের খবরটি ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি বলেন, ‘জামায়াত আমির ছাত্রশিবিরের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং সেই সময়ের একটি ছবিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে এই গুঞ্জন ছড়ানো হচ্ছে।’
এর আগে গত সোমবার (১৩ জুলাই) নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়ে ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব থেকে বিদায়ের কথা জানান সাদিক কায়েম নিজেই। তিনি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। ওই দিন কেন্দ্রীয় কমিটির আরও আট নেতাও ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নেন।
সাদিক কায়েম নিজের ফেসবুক পোস্টে ছাত্রশিবির থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়ে লিখেছিলেন, দেখতে দেখতে দীর্ঘ এক সোনালি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। সংগঠনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে আজ আমার আনুষ্ঠানিক ছুটি হয়েছে। সবকিছুর জন্য আল্লাহর কাছে অগণিত শুকরিয়া আদায় করছি। জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ও প্রোডাক্টিভ সময়গুলো কেটেছে এই কাফেলার সঙ্গে।
এর আগে গত ১ মে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয় এক অনুষ্ঠানে। ওই সময় ছাত্রশিবির জানায়, তাদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নির্বাচন করার সুযোগ নেই। তখনই সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছিলেন, নির্বাচনের আগে ছাত্রশিবির ছাড়তে পারেন সাদিক কায়েম।
এর মধ্যে আগামী আগস্টে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কথা জানিয়েছে সরকার। কয়েক ধাপ পরে সিটি করপোরেশন নির্বাচন শুরু হবে। অন্যদিকে গত মাসে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র পদে সাদিক কায়েমের নাম চূড়ান্ত করা হয়, যা দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদ মজলিশে শুরার চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। সব মিলিয়ে ভোটের তারিখ এগিয়ে আসার কারণেই সাদিক কায়েম ছাত্রশিবির ছেড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, যারা এখন সংসদে আছেন তারা সবাই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দুটি করে ভোট (সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের গণভোট) দিয়েছেন। যারা সরকারে আছেন তারাও দিয়েছেন। তারা বলেছিলেন, ক্ষমতায় এলে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করবেন। কিন্তু এখন তারা, সেটি মানছেন না।
৩ দিন আগে
এর আগে গত ১ মে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয় এক অনুষ্ঠানে। ওই সময় ছাত্রশিবির জানায়, তাদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নির্বাচন করার সুযোগ নেই। তখনই সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছিলেন, নির্বাচনের আগে ছাত্রশিবির
৩ দিন আগে
টানা ভারী বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষাসহ অন্যান্য সব বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করার দাবি জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন
৩ দিন আগে