
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই অভ্যুত্থানকে কেউ কেউ বাণিজ্যে পরিণত করার পাশাপাশি কোটারি ও গোষ্ঠীগত স্বার্থে ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র জুলাই শহিদদের স্বপ্নের উলটো পথে হাঁটছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সাইফুল হক বলেন, আবু সাঈদসহ জুলাই শহিদদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না। শহিদরা বৈষম্যহীন মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন। জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের রাষ্ট্র তার উলটো পথে হাঁটছে। অভ্যুত্থানের পর শোষণ-বৈষম্য আরও বেড়েছে, বেকারত্ব- চাকরিচ্যুতি, অভাব-দারিদ্র্যও আরও বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে শহিদ আবু সাঈদ দিবসে ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি সবাইকে জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করার আহ্বান জানান।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সাইফুল হক বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মতো কোনো কোনো মহল জুলাইকে বাণিজ্যে পরিণত করেছে। কিন্তু ব্যক্তি, কোটারি বা গোষ্ঠীগত স্বার্থে শহিদদের স্বপ্নকে ধূলিসাৎ হতে দেওয়া যাবে না।
জুলাই অভ্যুত্থানের সময়কার বিভিন্ন ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলোর তদন্তে ধীরগতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির এ নেতা। বলেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের ৮৭ শতাংশ মামলার তদন্ত ও অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল এখনো হয়নি। এ গতিতে এসব মামলার তদন্ত ও অভিযোগপত্র দিতে ৫০ বছর লেগে যেতে পারে। প্রকৃত অর্থে এটিই এক ধরনের অবিচারের সামিল।
জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান একটি প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও বহুত্ববাদী বাংলাদেশ গঠনের সুযোগ করে দিয়েছে উল্লেখ করে সাইফুল হক বলেন, কোনো ধরনের হিংসা, বিভাজন, মববাজি, সাম্প্রদায়িক বা জঙ্গিবাদি তৎপরতায় এই সুযোগকে কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।
বিএনপি তাদের কিছু অর্জনকে বিরোধীদের হাতে তুলে দিচ্ছে কি না— সে প্রশ্নও তোলেন সাইফুল হক। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের মধ্যেও দেশ ও জনগণের স্বার্থে সব গণতান্ত্রিক শক্তি মিলে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে না পারলে শহিদদের জীবনদান ব্যর্থ হয়ে যাবে। তাই জুলাই শহিদদের সঙ্গে কাউকেই প্রতারণা করতে দেওয়া হবে না।
কেন্দ্রীয় নেতা আকবর খান বলেন, কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে শহিদরা জীবন দেননি। শহিদদের চেতনাকে আলোকবর্তিকা হিসেবে নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
সাইফুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন পার্টির ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীর রেজাউল আলম, কেন্দ্রীয় সংগঠক কবি জামাল সিকদারসহ অন্যরা।
সমাবেশ শেষে আবু সাঈদ ও ওয়াসিম এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির দুই শহিদ বদিউজ্জামাল ও আবদুল লতিফসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহিদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে রংপুরে আবু সাঈদের কবরে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। স্বাধীন মিয়ার নেতৃত্বে পার্টির নেতাকর্মীরা এ সময় শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। এ ছাড়া সকালে সারা দেশেই পার্টির উদ্যোগে শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে জুলাই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

জুলাই অভ্যুত্থানকে কেউ কেউ বাণিজ্যে পরিণত করার পাশাপাশি কোটারি ও গোষ্ঠীগত স্বার্থে ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র জুলাই শহিদদের স্বপ্নের উলটো পথে হাঁটছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সাইফুল হক বলেন, আবু সাঈদসহ জুলাই শহিদদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না। শহিদরা বৈষম্যহীন মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন। জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের রাষ্ট্র তার উলটো পথে হাঁটছে। অভ্যুত্থানের পর শোষণ-বৈষম্য আরও বেড়েছে, বেকারত্ব- চাকরিচ্যুতি, অভাব-দারিদ্র্যও আরও বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে শহিদ আবু সাঈদ দিবসে ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি সবাইকে জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করার আহ্বান জানান।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সাইফুল হক বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মতো কোনো কোনো মহল জুলাইকে বাণিজ্যে পরিণত করেছে। কিন্তু ব্যক্তি, কোটারি বা গোষ্ঠীগত স্বার্থে শহিদদের স্বপ্নকে ধূলিসাৎ হতে দেওয়া যাবে না।
জুলাই অভ্যুত্থানের সময়কার বিভিন্ন ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলোর তদন্তে ধীরগতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির এ নেতা। বলেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের ৮৭ শতাংশ মামলার তদন্ত ও অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল এখনো হয়নি। এ গতিতে এসব মামলার তদন্ত ও অভিযোগপত্র দিতে ৫০ বছর লেগে যেতে পারে। প্রকৃত অর্থে এটিই এক ধরনের অবিচারের সামিল।
জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান একটি প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও বহুত্ববাদী বাংলাদেশ গঠনের সুযোগ করে দিয়েছে উল্লেখ করে সাইফুল হক বলেন, কোনো ধরনের হিংসা, বিভাজন, মববাজি, সাম্প্রদায়িক বা জঙ্গিবাদি তৎপরতায় এই সুযোগকে কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।
বিএনপি তাদের কিছু অর্জনকে বিরোধীদের হাতে তুলে দিচ্ছে কি না— সে প্রশ্নও তোলেন সাইফুল হক। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের মধ্যেও দেশ ও জনগণের স্বার্থে সব গণতান্ত্রিক শক্তি মিলে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে না পারলে শহিদদের জীবনদান ব্যর্থ হয়ে যাবে। তাই জুলাই শহিদদের সঙ্গে কাউকেই প্রতারণা করতে দেওয়া হবে না।
কেন্দ্রীয় নেতা আকবর খান বলেন, কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে শহিদরা জীবন দেননি। শহিদদের চেতনাকে আলোকবর্তিকা হিসেবে নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
সাইফুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন পার্টির ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীর রেজাউল আলম, কেন্দ্রীয় সংগঠক কবি জামাল সিকদারসহ অন্যরা।
সমাবেশ শেষে আবু সাঈদ ও ওয়াসিম এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির দুই শহিদ বদিউজ্জামাল ও আবদুল লতিফসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহিদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে রংপুরে আবু সাঈদের কবরে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। স্বাধীন মিয়ার নেতৃত্বে পার্টির নেতাকর্মীরা এ সময় শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। এ ছাড়া সকালে সারা দেশেই পার্টির উদ্যোগে শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে জুলাই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

‘একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেহেতু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রায় সব কাজকেই প্রভাবিত করে, সেহেতু শিক্ষার্থী, শিক্ষক কিংবা পেশাজীবী—সবাই যার যার মতাদর্শ অনুযায়ী সচেতনভাবে সুসংগঠিত থাকবেন। এটা কোনো অযৌক্তিক বিষয় নয়। তবে— এই তবেটাই হচ্ছে ইম্পর্টেন্ট বিষয়। তবে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পাল
১ দিন আগে
তিনি বলেন, সীমান্ত হত্যাসহ ফেলানীর কিছু স্মৃতি ছিল, সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এটা ভয় থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে কি না, জানা নেই। সরিয়ে দিয়ে তারা ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বোঝাচ্ছে। কিন্তু এখানে আপসের কিছু নেই। আপস করে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখা যাবে না। জাদুঘরে বিএনপির নির্যাতনের কিছু জিনিস বৃদ্ধি
১ দিন আগে
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন সাকিব। ৩৯ বছর বয়সী এই ক্রিকেট অলরাউন্ডার জানিয়েছেন, তিনি দেশের মাটিতে একটি বিদায়ী সিরিজ খেলতে এবং ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশ নিতে চান।
২ দিন আগে
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গত পরশুদিন পতিত ফ্যাসিট সরকার ভারতে বসে প্রেস কনফারেন্সের চেষ্টা করেছেন। এর প্রেক্ষিতে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে ধরনের প্রতিবাদ জানিয়েছে। সে ধরনের প্রতিবাদ এর আগে কোনো সরকার জানাতে পারেনি।’
২ দিন আগে