
ঢাবি প্রতিনিধি

বিচার ও সংস্কার প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারকেও জুলাই আন্দোলনের চেতনা ধারণের প্রমাণ দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশক্তি আয়োজিত ‘স্মরণগাথায় জুলাই: বিপ্লবের দিনগুলি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে এ আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।
দুই বছর আগে সংঘটিত জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা ছিলেন নাহিদ ইসলাম। ওই সময় তিনি অপহরণের শিকারও হয়েছিলেন। আন্দোলন যখন তুঙ্গে, ওই সময় যে ছয় ছাত্রনেতাকে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তুলে নিয়ে গিয়ে নিজেদের কার্যালয়ে আটকে রেখেছিল, তাদের একজন তিনি।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে সেখানে উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন নাহিদ ইসলাম। পরে তিনি সরকার থেকে সরে দাঁড়িয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গড়ে তোলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা জুলাইয়ে মাঠে ছিলাম। আমরা প্রাণ দিতে প্রস্তুত ছিলাম। আমাদের আরও শত শত ভাইয়ের রক্তের বিনিময়ে আমরা জুলাইয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছি, ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছি। আমাদের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ। জুলাই আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, বিচার আর সংস্কারকাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই সবার প্রধান অগ্রাধিকার।
এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, এখন যে সরকার ক্ষমতায়, সেই সরকারও বলেছিল, তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে, তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই সরকার যদি বলে তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, তাহলে বিচার আর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আন্তরিকভাবে এগিয়ে নিয়ে তাদের সে দাবি প্রমাণ করতে হবে।
এ সময় জুলাই আন্দোলনকে ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উল্লেখযোগ্য কোনো কর্মসূচি না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন, গণতান্ত্রিক সহাবস্থান নিশ্চিত, নিয়মিত ডাকসু নির্বাচন এবং নির্দলীয় উপাচার্য ও শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানান।
অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে জুলাইয়ের চেতনা ও আদর্শের প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

বিচার ও সংস্কার প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারকেও জুলাই আন্দোলনের চেতনা ধারণের প্রমাণ দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশক্তি আয়োজিত ‘স্মরণগাথায় জুলাই: বিপ্লবের দিনগুলি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে এ আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।
দুই বছর আগে সংঘটিত জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা ছিলেন নাহিদ ইসলাম। ওই সময় তিনি অপহরণের শিকারও হয়েছিলেন। আন্দোলন যখন তুঙ্গে, ওই সময় যে ছয় ছাত্রনেতাকে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তুলে নিয়ে গিয়ে নিজেদের কার্যালয়ে আটকে রেখেছিল, তাদের একজন তিনি।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে সেখানে উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন নাহিদ ইসলাম। পরে তিনি সরকার থেকে সরে দাঁড়িয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গড়ে তোলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা জুলাইয়ে মাঠে ছিলাম। আমরা প্রাণ দিতে প্রস্তুত ছিলাম। আমাদের আরও শত শত ভাইয়ের রক্তের বিনিময়ে আমরা জুলাইয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছি, ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছি। আমাদের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ। জুলাই আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, বিচার আর সংস্কারকাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই সবার প্রধান অগ্রাধিকার।
এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, এখন যে সরকার ক্ষমতায়, সেই সরকারও বলেছিল, তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে, তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই সরকার যদি বলে তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, তাহলে বিচার আর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আন্তরিকভাবে এগিয়ে নিয়ে তাদের সে দাবি প্রমাণ করতে হবে।
এ সময় জুলাই আন্দোলনকে ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উল্লেখযোগ্য কোনো কর্মসূচি না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন, গণতান্ত্রিক সহাবস্থান নিশ্চিত, নিয়মিত ডাকসু নির্বাচন এবং নির্দলীয় উপাচার্য ও শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানান।
অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে জুলাইয়ের চেতনা ও আদর্শের প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

‘একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেহেতু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রায় সব কাজকেই প্রভাবিত করে, সেহেতু শিক্ষার্থী, শিক্ষক কিংবা পেশাজীবী—সবাই যার যার মতাদর্শ অনুযায়ী সচেতনভাবে সুসংগঠিত থাকবেন। এটা কোনো অযৌক্তিক বিষয় নয়। তবে— এই তবেটাই হচ্ছে ইম্পর্টেন্ট বিষয়। তবে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পাল
১ দিন আগে
তিনি বলেন, সীমান্ত হত্যাসহ ফেলানীর কিছু স্মৃতি ছিল, সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এটা ভয় থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে কি না, জানা নেই। সরিয়ে দিয়ে তারা ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বোঝাচ্ছে। কিন্তু এখানে আপসের কিছু নেই। আপস করে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখা যাবে না। জাদুঘরে বিএনপির নির্যাতনের কিছু জিনিস বৃদ্ধি
১ দিন আগে
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন সাকিব। ৩৯ বছর বয়সী এই ক্রিকেট অলরাউন্ডার জানিয়েছেন, তিনি দেশের মাটিতে একটি বিদায়ী সিরিজ খেলতে এবং ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশ নিতে চান।
২ দিন আগে
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গত পরশুদিন পতিত ফ্যাসিট সরকার ভারতে বসে প্রেস কনফারেন্সের চেষ্টা করেছেন। এর প্রেক্ষিতে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে ধরনের প্রতিবাদ জানিয়েছে। সে ধরনের প্রতিবাদ এর আগে কোনো সরকার জানাতে পারেনি।’
২ দিন আগে