
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করেছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ। সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের ওপরই প্রতিহিংসা বা নিপীড়ন করা সঠিক না।
সোহেল তাজ বলেন, দেশের এই পচা, নোংরা ও নষ্ট রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ফিরতে চাই না। আমার স্পষ্ট কথা- আমি বারবার বলেছি আমার রাজনীতিতে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই।
আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য দলগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এগিয়ে যেতে হলে একটু আত্মসমালোচনা ও আত্মউপলব্দি করা খুব প্রয়োজন।
এ সময় নিরীহ নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার ও নিপীড়নের নিন্দা জানিয়ে সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে সবাই দোষী নয়। বিষয়গুলো নিয়ে আরও সচেতন হওয়া জরুরি এবং এসবের সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
এর আগে, বুধবার দিনগত রাত সাড়ে ১২ টায় প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং সেনাবাহিনী প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন সোহেল তাজ।
সেখানে তিনি লিখেছেন, আজকে রাতে কাজ থেকে ফেরার সময় একটি খুবই আতঙ্কজনক ও রহস্যজনক ঘটনার শিকার হই। একজন মোটরসাইকেল আরোহী আমাকে সংসদ ভবন থেকে ফলো করে ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে চলে আসে এবং একটা সময় তার বুকে লাল-নীল বাতি জ্বালিয়ে আমাকে থামতে বলে। আমি থামার পর তার পরিচয় জানতে চাই এবং আমাকে কেন থামতে বললেন তা তাকে জিজ্ঞেস করি।
‘প্রতিউত্তরে সে আমাকে বলে যে তাদের লোক আসছে আর আমার তাদের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমি আবার তার পরিচয় জানতে চাইলাম এবং তাকে জিজ্ঞেস করলাম তিনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন কিনা। জবাবে সে আমাকে বলল আমি আপনাকে চিনি- আপনি সোহেল তাজ। তারপর সে মোবাইল ফোনে বলল যে সে আমাকে থামিয়েছে এবং লোকেশন জানিয়ে আসতে বলল। আমি আবার তার পরিচয় জানতে চাইলাম এবং কারা আসছে আর কেন আমাকে থামিয়েছে জানতে চাইলাম। সে কোনো উত্তর না দিয়ে আবার ফোনে কথা বলল তারপর আমাকে বলল চলে যেতে আর সেও মোটরসাইকেল ঘুরিয়ে চলে গেল। তার কথা বলার ধরণ এবং আচরণে আমি একেবারে কনফিডেন্ট সে কোন গোয়েন্দা সংস্থার লোক।’
সোহেল তাজ আরও লিখেছেন, এই ভাবে মানুষকে যাতে হয়রানি না করা হয় সেটাই ছিল আমাদের সকলের প্রত্যাশা- এখন দেখা যাচ্ছে একই কায়দায় সব চলছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করেছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ। সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের ওপরই প্রতিহিংসা বা নিপীড়ন করা সঠিক না।
সোহেল তাজ বলেন, দেশের এই পচা, নোংরা ও নষ্ট রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ফিরতে চাই না। আমার স্পষ্ট কথা- আমি বারবার বলেছি আমার রাজনীতিতে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই।
আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য দলগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এগিয়ে যেতে হলে একটু আত্মসমালোচনা ও আত্মউপলব্দি করা খুব প্রয়োজন।
এ সময় নিরীহ নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার ও নিপীড়নের নিন্দা জানিয়ে সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে সবাই দোষী নয়। বিষয়গুলো নিয়ে আরও সচেতন হওয়া জরুরি এবং এসবের সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
এর আগে, বুধবার দিনগত রাত সাড়ে ১২ টায় প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং সেনাবাহিনী প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন সোহেল তাজ।
সেখানে তিনি লিখেছেন, আজকে রাতে কাজ থেকে ফেরার সময় একটি খুবই আতঙ্কজনক ও রহস্যজনক ঘটনার শিকার হই। একজন মোটরসাইকেল আরোহী আমাকে সংসদ ভবন থেকে ফলো করে ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে চলে আসে এবং একটা সময় তার বুকে লাল-নীল বাতি জ্বালিয়ে আমাকে থামতে বলে। আমি থামার পর তার পরিচয় জানতে চাই এবং আমাকে কেন থামতে বললেন তা তাকে জিজ্ঞেস করি।
‘প্রতিউত্তরে সে আমাকে বলে যে তাদের লোক আসছে আর আমার তাদের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমি আবার তার পরিচয় জানতে চাইলাম এবং তাকে জিজ্ঞেস করলাম তিনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন কিনা। জবাবে সে আমাকে বলল আমি আপনাকে চিনি- আপনি সোহেল তাজ। তারপর সে মোবাইল ফোনে বলল যে সে আমাকে থামিয়েছে এবং লোকেশন জানিয়ে আসতে বলল। আমি আবার তার পরিচয় জানতে চাইলাম এবং কারা আসছে আর কেন আমাকে থামিয়েছে জানতে চাইলাম। সে কোনো উত্তর না দিয়ে আবার ফোনে কথা বলল তারপর আমাকে বলল চলে যেতে আর সেও মোটরসাইকেল ঘুরিয়ে চলে গেল। তার কথা বলার ধরণ এবং আচরণে আমি একেবারে কনফিডেন্ট সে কোন গোয়েন্দা সংস্থার লোক।’
সোহেল তাজ আরও লিখেছেন, এই ভাবে মানুষকে যাতে হয়রানি না করা হয় সেটাই ছিল আমাদের সকলের প্রত্যাশা- এখন দেখা যাচ্ছে একই কায়দায় সব চলছে।

নতুন এই রদবদলে কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. জায়েদ আহমাদ। তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ থেকে (২০১৮-২০১৯ সেশন) এমবিবিএস পাস করেছেন। এর আগে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সভাপতি এবং মেডিকেল জোনের সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার গ্রামের
১৫ ঘণ্টা আগে
নাহিদ বলেন, সরকার বলেছিল, তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই সরকার যদি বলে তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, তাহলে বিচার আর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আন্ত
১ দিন আগে
নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী তার পোস্টে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থা এখনও কোনো সুস্পষ্ট জাতীয় সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেনি এবং বর্তমান বিজ্ঞান, কলা ও ব্যবসায় শিক্ষার কাঠামো দক্ষ জনশক্তি গড়ার পরিবর্তে একটি বৃহৎ শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী তৈরি করছে।
২ দিন আগে
বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, 'গুম, খুন ও চরম নির্যাতনের শিকার হয়েও আপনারা সবাই মিলে দল সামলেছেন। নিজের পরিবারের চেয়ে দলকে বেশি সময় ও অর্থ দিয়েছেন। তখন সবাই সবার পাশে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে দল চালিয়েছেন। এখন নির্যাতনের সেই ভয় নেই, তাহলে এখন কেন ঐক্যবদ্ধ থা
৩ দিন আগে