
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পুরনো বিভেদ ভুলে এবার একতাবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন গণফোরামের নেতারা। দেশের বতর্মান পরিস্থিতিতে গণফোরামের নেতারা ঐক্যবদ্ধভাবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে বলে জানিয়েছেন গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে গণফোরামের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের মধ্য দিয়ে গণফোরাম নতুন করে যাত্রা শুরু করবে। গণফোরামের নেতাকর্মীরা ছাত্র-জনতার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত হবে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সহযোগিতা করবে।’
লিখিত বক্তব্যে কামাল হোসেন বলেন, ‘গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার এক নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। দেশের জনগণ স্বপ্ন দেখছে এক স্বাধীন ও বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশের। কোনো অশুভ শক্তি বা ষড়যন্ত্র যেন এই রক্তস্নাত বিজয় ও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে। এই অর্জনকে আরও অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’
ইমেরিটাস এই সভাপতি বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে বিগত সময়ে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয়করণের ফলে প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। এসব প্রতিষ্ঠান সংস্কার করতে ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরী করতে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে তাদেরকে যথাযথ সময় ও সার্বিক সহযোগিতা করা সকল রাজনৈতিক দল ও জনগণের নৈতিক দায়িত্ব। যাতে অভীষ্ট্য সংস্কার কর্মসূচি সুষ্ঠভাবে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হন।’
লিখিত বক্তব্য ছাড়াও সরাসরি কথা বলেন গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা।
তিনি বলেন, ‘অনেকেই বলে আমরা (গণফোরাম) ব্যর্থ হয়েছি। কিন্তু আজকে এখানে এত মানুষ দেখে মনে হচ্ছে আমরা ব্যর্থ হয়নি। আমরা ব্যর্থ হয়েছি, আমি এক মুহুর্তের জন্য মনে করতে পারি না।’
গণফোরামের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘কেন এসেছেন আপনারা? কারণ ওদের (আওয়ামীলীগ) মত টাকা পয়সা মেরে ছুটেন নাই, ওদেরকে সমর্থন দেন নাই। আমরা পরীক্ষিত। আপনাদের কেউ এখানে লোভ বা টাকা দিয়ে আনছে না। সুষ্ঠু রাজনীতির জন্য আমরা একটা প্রতিষ্ঠান (গণফোরাম) করেছিলাম সেই প্রতিষ্ঠান ধরে রাখতে পেরেছি। আমরা নিজেদেরকে বিক্রি করি নাই।’
কামাল হোসেন বলেন, ‘যারা বিক্রি হতে দিয়েছিল তাদের কী দশা হয়েছে। মন্ত্রী হয়েছে, তথাকথিত ক্ষমতা ভোগ করেছেন। কিন্তু আজকে কোথায়? দেশ ছেড়ে পালাতে হয়। এটা একটা শিক্ষা। মানুষের কাজ না করলে আমরা টিকে থাকতে পারবো না। টাকা দিয়ে নির্বাচিত হলে কিছুদিন পদ ধরে রাখা যায় এরপর দেশ ছেড়ে পলাতে হয়। এরথেকে কিছু শিক্ষা হয়েছে।’
কেন পালাতে হয় এই ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘এদেশের জনগণ প্রমাণ করেছে তাদের একটা বিচার করার ক্ষমতা আছে। তারা (জনগণ) তাদেরকেই নেতৃত্ব দেখতে চায় যারা তাদের জন্য কাজ করবে।’
গণফোরাম তার পরীক্ষিত মানুষের প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা নিজের এলাকায় পরীক্ষিত নেতা। আপনারা এখনো এই দলকে ধরে রেখেছেন। এটা আপনাদের প্রতিষ্ঠান। আমার প্রতিষ্ঠান না। আমার নেতৃত্ব বলা হয় কিন্তু আমি এটা মনে করি না। এটা সবার যৌথ নেতৃত্ব। আপনাদেরকে আমি পেয়েছি। আপনারা টাকার লোভে কোথাও ছুটে যাননি। আপনাদের মোবারকবাদ জানাই। এটাই কৃতিত্ব আমার যে আপনাদের সঙ্গে পেয়েছি। আমার আর কিছুর দরকার নাই। আমি যতদিন পারবো এই রাজনীতি করবো। আমৃত্যু এটা করতে চাই। আমার মন্ত্রী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নেই।’
আলোচনা সভায় সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘এতদিন আমাদের শতশত কর্মী যারা ঐক্যবদ্ধ হতে পারি নাই আগামী দিনে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের কাছে যাবো। আমরা নেতাকর্মী সৃষ্টি করবো। আগামীতে রাজনীতিতে যত ঘটনা আসে আমরা নেতৃত্ব দিব। গণফোরামকে অতন্দ্র প্রহরীর মত কাজ করতে হবে।’
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট এস এম আলতাফ হোসেন, ড. মো. মিজানুর রহমান। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মোস্তফা মহসীন মন্টু।
দ্রুততম সময়ে ঐক্যবদ্ধ গণফোরামের জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয় আলোচনা সভায়।

পুরনো বিভেদ ভুলে এবার একতাবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন গণফোরামের নেতারা। দেশের বতর্মান পরিস্থিতিতে গণফোরামের নেতারা ঐক্যবদ্ধভাবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে বলে জানিয়েছেন গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে গণফোরামের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের মধ্য দিয়ে গণফোরাম নতুন করে যাত্রা শুরু করবে। গণফোরামের নেতাকর্মীরা ছাত্র-জনতার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত হবে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সহযোগিতা করবে।’
লিখিত বক্তব্যে কামাল হোসেন বলেন, ‘গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার এক নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। দেশের জনগণ স্বপ্ন দেখছে এক স্বাধীন ও বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশের। কোনো অশুভ শক্তি বা ষড়যন্ত্র যেন এই রক্তস্নাত বিজয় ও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে। এই অর্জনকে আরও অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’
ইমেরিটাস এই সভাপতি বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে বিগত সময়ে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয়করণের ফলে প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। এসব প্রতিষ্ঠান সংস্কার করতে ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরী করতে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে তাদেরকে যথাযথ সময় ও সার্বিক সহযোগিতা করা সকল রাজনৈতিক দল ও জনগণের নৈতিক দায়িত্ব। যাতে অভীষ্ট্য সংস্কার কর্মসূচি সুষ্ঠভাবে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হন।’
লিখিত বক্তব্য ছাড়াও সরাসরি কথা বলেন গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা।
তিনি বলেন, ‘অনেকেই বলে আমরা (গণফোরাম) ব্যর্থ হয়েছি। কিন্তু আজকে এখানে এত মানুষ দেখে মনে হচ্ছে আমরা ব্যর্থ হয়নি। আমরা ব্যর্থ হয়েছি, আমি এক মুহুর্তের জন্য মনে করতে পারি না।’
গণফোরামের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘কেন এসেছেন আপনারা? কারণ ওদের (আওয়ামীলীগ) মত টাকা পয়সা মেরে ছুটেন নাই, ওদেরকে সমর্থন দেন নাই। আমরা পরীক্ষিত। আপনাদের কেউ এখানে লোভ বা টাকা দিয়ে আনছে না। সুষ্ঠু রাজনীতির জন্য আমরা একটা প্রতিষ্ঠান (গণফোরাম) করেছিলাম সেই প্রতিষ্ঠান ধরে রাখতে পেরেছি। আমরা নিজেদেরকে বিক্রি করি নাই।’
কামাল হোসেন বলেন, ‘যারা বিক্রি হতে দিয়েছিল তাদের কী দশা হয়েছে। মন্ত্রী হয়েছে, তথাকথিত ক্ষমতা ভোগ করেছেন। কিন্তু আজকে কোথায়? দেশ ছেড়ে পালাতে হয়। এটা একটা শিক্ষা। মানুষের কাজ না করলে আমরা টিকে থাকতে পারবো না। টাকা দিয়ে নির্বাচিত হলে কিছুদিন পদ ধরে রাখা যায় এরপর দেশ ছেড়ে পলাতে হয়। এরথেকে কিছু শিক্ষা হয়েছে।’
কেন পালাতে হয় এই ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘এদেশের জনগণ প্রমাণ করেছে তাদের একটা বিচার করার ক্ষমতা আছে। তারা (জনগণ) তাদেরকেই নেতৃত্ব দেখতে চায় যারা তাদের জন্য কাজ করবে।’
গণফোরাম তার পরীক্ষিত মানুষের প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা নিজের এলাকায় পরীক্ষিত নেতা। আপনারা এখনো এই দলকে ধরে রেখেছেন। এটা আপনাদের প্রতিষ্ঠান। আমার প্রতিষ্ঠান না। আমার নেতৃত্ব বলা হয় কিন্তু আমি এটা মনে করি না। এটা সবার যৌথ নেতৃত্ব। আপনাদেরকে আমি পেয়েছি। আপনারা টাকার লোভে কোথাও ছুটে যাননি। আপনাদের মোবারকবাদ জানাই। এটাই কৃতিত্ব আমার যে আপনাদের সঙ্গে পেয়েছি। আমার আর কিছুর দরকার নাই। আমি যতদিন পারবো এই রাজনীতি করবো। আমৃত্যু এটা করতে চাই। আমার মন্ত্রী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নেই।’
আলোচনা সভায় সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘এতদিন আমাদের শতশত কর্মী যারা ঐক্যবদ্ধ হতে পারি নাই আগামী দিনে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের কাছে যাবো। আমরা নেতাকর্মী সৃষ্টি করবো। আগামীতে রাজনীতিতে যত ঘটনা আসে আমরা নেতৃত্ব দিব। গণফোরামকে অতন্দ্র প্রহরীর মত কাজ করতে হবে।’
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট এস এম আলতাফ হোসেন, ড. মো. মিজানুর রহমান। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মোস্তফা মহসীন মন্টু।
দ্রুততম সময়ে ঐক্যবদ্ধ গণফোরামের জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয় আলোচনা সভায়।

নতুন এই রদবদলে কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. জায়েদ আহমাদ। তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ থেকে (২০১৮-২০১৯ সেশন) এমবিবিএস পাস করেছেন। এর আগে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সভাপতি এবং মেডিকেল জোনের সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার গ্রামের
১৫ ঘণ্টা আগে
নাহিদ বলেন, সরকার বলেছিল, তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই সরকার যদি বলে তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, তাহলে বিচার আর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আন্ত
১ দিন আগে
নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী তার পোস্টে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থা এখনও কোনো সুস্পষ্ট জাতীয় সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেনি এবং বর্তমান বিজ্ঞান, কলা ও ব্যবসায় শিক্ষার কাঠামো দক্ষ জনশক্তি গড়ার পরিবর্তে একটি বৃহৎ শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী তৈরি করছে।
২ দিন আগে
বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, 'গুম, খুন ও চরম নির্যাতনের শিকার হয়েও আপনারা সবাই মিলে দল সামলেছেন। নিজের পরিবারের চেয়ে দলকে বেশি সময় ও অর্থ দিয়েছেন। তখন সবাই সবার পাশে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে দল চালিয়েছেন। এখন নির্যাতনের সেই ভয় নেই, তাহলে এখন কেন ঐক্যবদ্ধ থা
৩ দিন আগে