নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি ১১ দলের

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভূমিকার পরিবর্তন না হলে জোটকে বড় কর্মসূচিতে যেতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও জোটের অন্যতম নেতা মামুনুল হক।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
মামুনুল হক বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে তাঁদের অনেক শঙ্কা রয়েছে। নির্বাচন পুরোপুরি নিরপেক্ষ হবে, এমন আস্থা তারা রাখতে পারছেন না।
নির্বাচন কমিশনের সচিব পর্যায়ে দলীয় ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে মামুনুল হক বলেন, বিষয়টি নিয়ে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট উদ্বিগ্ন।
ঠাকুরগাঁও-২ আসনের উপনির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সরকার ও ইসির উদ্দেশে মামুনুল হক বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে তাঁরা প্রত্যাশিত নিরপেক্ষ ভূমিকা দেখতে চান।
তিনি বলেন, নিরপেক্ষ ভূমিকার ব্যত্যয় ঘটলে জোট চুপ করে বসে থাকবে না। জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিনের সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য যেকোনো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মামুনুল হকের ভাষ্য, সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বর্তমান ভূমিকা অব্যাহত থাকলে শিগগিরই তাঁদের বড় কর্মসূচি দিতে হতে পারে। এ বিষয়ে আগাম সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। অন্যথায় তাঁরা কঠোর পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন।
৩১ অক্টোবর লংমার্চ নিয়ে আলোচনা
মঙ্গলবার সকালে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ আয়োজন নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য দেওয়ার সময় লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান মামুনুল হক।
বৈঠকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি অলি আহমদ এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ জোটের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।













