
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ময়মনসিংহের নান্দাইল শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে শনিবার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কর্তৃক আয়োজিত এক পথসভায় দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ যোগ দেননি। ফলে শত শত মানুষ রাত ১০টা পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর আশাহত হয়ে ফিরে যান। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ নান্দাইলের রাজনৈতিক মহলের সর্বত্র সমালোচনার ঝড় বইছে।
কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সভায় যোগ না দেওয়া প্রসঙ্গে পথসভার মঞ্চ থেকে নিরাপত্তার সমস্যার কথা বলে অপেক্ষমান জনতার কাছে ক্ষমা চান স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তাঁরা নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শোনার জন্য আগামী ২৮ জুলাই ময়মনসিংহের সভায় যোগ দিতে বলেন।
তবে জেলার গৌরীপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) দেবাশীষ কর্মকার এ প্রতিবেদককে বলেন, নান্দাইলে এনসিপির নেতৃবৃন্দের নিরাপত্তায় শনিবার নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিশোরগঞ্জ সীমান্ত থেকে নান্দাইল সীমান্ত পর্যন্ত পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছিল। আরেক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, সভায় যোগ দেওয়া বা না দেওয়ার বিষয়টি এনসিপির নেতৃবৃন্দের বিষয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য নান্দাইল উপজেলার এনসিপির আহবায়ক মো. আশিকিন আলম রাজনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
জানা যায়, শনিবার পথসভার জন্য এনসিপি নান্দাইল পৌরশহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে ডাচ বাংলা এটিএস বুথের সামনে সভামঞ্চ তৈরি করে। ওই সভায় উপস্থিত থাকার জন্য গত কয়েকদিন ধরে এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য পদ প্রত্যাশী মো. আশিকিন আলম রাজনের বরাত দিয়ে নান্দাইলে ব্যাপক প্রচারণা চালানো। জুলাই শহীদদের স্বজনরাসহ শত শত মানুষ পথসভা মঞ্চের সামনে উপস্থিত হয়ে নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শোনার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের গাড়ি বহর সভামঞ্চের সামনে দিয়েই ময়মনসিংহের দিকে চলে গেলে আয়োজকরা হতবাক হয়ে পড়েন। পরে সুফী আবদুল্লাহ নামে এনসিপি নেতা মাইকে বলেন, নিরাপত্তাজনিত সমস্যার কারণে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সভামঞ্চে আসেননি। তিনি সকালের কাছে ক্ষমা চেয়ে সভা শেষ করার ঘোষণা দেন। সাড়ে ১০টার দিকে জেলা পর্যায়ে এক নেতা মাইক নিয়ে বক্তব্য দেন। ততক্ষণে উপস্থিত লোকজন সভামঞ্চ ছেড়ে চলে যান।
নান্দাইল উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের চারকান্দা গ্রামের মো. আজিজুল হক (৩৫) নামে এক ব্যক্তি বলেন, সন্ধ্যা সাতটা থেকে সভামঞ্চের সামনে এসে অপেক্ষা করছিলাম ছাত্র নেতাদের বক্তব্য শোনার জন্য। কিন্তু তাঁরা আমাদের সামনে দিয়ে গাড়িতে করে ময়মনসিংহের দিকে চলে গেছেন। ওই ব্যক্তি বলেন, দেশের জন্য তাঁরা কী বলতে চান তা জানতে পারলাম না।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একজন লিখেছেন-জীবনের প্রথম মিটিং বা পথসভায় নান্দাইলবাসীকে আহত করেছে সময়ের আলোচিত দল এনসিপি। আরেকজন লিখেছেন আমরা বিব্রত। এ ধরনের মন্তব্যে ফেসবুকের পেজগুলো ভরে গেছে।

ময়মনসিংহের নান্দাইল শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে শনিবার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কর্তৃক আয়োজিত এক পথসভায় দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ যোগ দেননি। ফলে শত শত মানুষ রাত ১০টা পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর আশাহত হয়ে ফিরে যান। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ নান্দাইলের রাজনৈতিক মহলের সর্বত্র সমালোচনার ঝড় বইছে।
কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সভায় যোগ না দেওয়া প্রসঙ্গে পথসভার মঞ্চ থেকে নিরাপত্তার সমস্যার কথা বলে অপেক্ষমান জনতার কাছে ক্ষমা চান স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তাঁরা নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শোনার জন্য আগামী ২৮ জুলাই ময়মনসিংহের সভায় যোগ দিতে বলেন।
তবে জেলার গৌরীপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) দেবাশীষ কর্মকার এ প্রতিবেদককে বলেন, নান্দাইলে এনসিপির নেতৃবৃন্দের নিরাপত্তায় শনিবার নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিশোরগঞ্জ সীমান্ত থেকে নান্দাইল সীমান্ত পর্যন্ত পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছিল। আরেক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, সভায় যোগ দেওয়া বা না দেওয়ার বিষয়টি এনসিপির নেতৃবৃন্দের বিষয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য নান্দাইল উপজেলার এনসিপির আহবায়ক মো. আশিকিন আলম রাজনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
জানা যায়, শনিবার পথসভার জন্য এনসিপি নান্দাইল পৌরশহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে ডাচ বাংলা এটিএস বুথের সামনে সভামঞ্চ তৈরি করে। ওই সভায় উপস্থিত থাকার জন্য গত কয়েকদিন ধরে এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য পদ প্রত্যাশী মো. আশিকিন আলম রাজনের বরাত দিয়ে নান্দাইলে ব্যাপক প্রচারণা চালানো। জুলাই শহীদদের স্বজনরাসহ শত শত মানুষ পথসভা মঞ্চের সামনে উপস্থিত হয়ে নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শোনার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের গাড়ি বহর সভামঞ্চের সামনে দিয়েই ময়মনসিংহের দিকে চলে গেলে আয়োজকরা হতবাক হয়ে পড়েন। পরে সুফী আবদুল্লাহ নামে এনসিপি নেতা মাইকে বলেন, নিরাপত্তাজনিত সমস্যার কারণে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সভামঞ্চে আসেননি। তিনি সকালের কাছে ক্ষমা চেয়ে সভা শেষ করার ঘোষণা দেন। সাড়ে ১০টার দিকে জেলা পর্যায়ে এক নেতা মাইক নিয়ে বক্তব্য দেন। ততক্ষণে উপস্থিত লোকজন সভামঞ্চ ছেড়ে চলে যান।
নান্দাইল উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের চারকান্দা গ্রামের মো. আজিজুল হক (৩৫) নামে এক ব্যক্তি বলেন, সন্ধ্যা সাতটা থেকে সভামঞ্চের সামনে এসে অপেক্ষা করছিলাম ছাত্র নেতাদের বক্তব্য শোনার জন্য। কিন্তু তাঁরা আমাদের সামনে দিয়ে গাড়িতে করে ময়মনসিংহের দিকে চলে গেছেন। ওই ব্যক্তি বলেন, দেশের জন্য তাঁরা কী বলতে চান তা জানতে পারলাম না।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একজন লিখেছেন-জীবনের প্রথম মিটিং বা পথসভায় নান্দাইলবাসীকে আহত করেছে সময়ের আলোচিত দল এনসিপি। আরেকজন লিখেছেন আমরা বিব্রত। এ ধরনের মন্তব্যে ফেসবুকের পেজগুলো ভরে গেছে।

আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে ‘নাগরিক সমাজ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন। এতে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, গবেষক, চিকিৎসক, শিক্ষক, ধর্মীয় প্রতিনিধি, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি ও বিভিন্ন পেশাজীবী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
এদিকে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান বলেন, ১১ দলের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেবে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলের কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবে না, এককভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচন করবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)’ আত্মপ্রকাশ করেছে। ‘জনগণের শক্তি, আগামীর মুক্তি’— স্লোগানকে সামনে রেখে আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে প্ল্যাটফর্মটি।
১৯ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৭০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে দুজনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল হয়েছে। আমরা বাকি ২৬৮ জন প্রার্থীকে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছি, তারা কেউ মনোনয়নপ
১ দিন আগে