
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদ এবং গণরায় অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবিতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সঞ্চালনায় এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
আজহারুল ইসলাম বলেন, আজকে আমি সংসদে গিয়েছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। আজ আমি এখানে বক্তব্য দিচ্ছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। জুলাই বিপ্লব আমাদের নতুন জীবন দান করেছে। সেই জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করা মানে নতুন জীবনকে অস্বীকার করা। জুলাই বিপ্লব একদলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে আরেক দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য ছিল না।
তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব ছিল পুরোনো ব্যবস্থাকে ছুড়ে ফেলে নতুন ব্যবস্থা কায়েম করা। জুলাই বিপ্লব ছিল, একদল ব্যক্তির হাতে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত না করে জনগণের ক্ষমতাকে জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া। আজকে গণভোটকে অস্বীকার করা মানে শুধু ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে অস্বীকার করা নয়, ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে অস্বীকার করার মধ্য দিয়ে আবার তারা সেই ফ্যাসিবাদী কায়দায় এক ব্যক্তির কাছে সব ক্ষমতা দিতে চায়। আমরা দীর্ঘ ১৬ বছরে এক ব্যক্তির শাসন দেখেছি। আমাদের হাজার হাজার ভাইকে জীবন দিতে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের আন্দোলন কোনো দলের বিরুদ্ধে নয়, আমাদের আন্দোলন সব সময় জনগণের পক্ষে। আমরা সব সময় জনগণের পাশে থাকি। আজকে একজন ব্যক্তির কাছে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার মাধ্যমে যদি আপনারা স্বপ্ন দেখেন আবার জোর করে আপনারা ক্ষমতায় থাকতে পারবেন, বোকার স্বর্গে বাস করছেন। মনে করেন কেয়ারটেকার সরকারের আন্দোলনের কথা। কেয়ারটেকার নাকি পাগল ছাগল ছাড়া কেউ বোঝে না। আপনারা অস্বীকার করলেন, আন্দোলন দমাবার চেষ্টা করলেন, শেষ পর্যন্ত মারলেন- এমনভাবে মারলেন কেয়ারটেকার হলো, আপনারা ক্ষমতায় আসতে পারলেন না।
আজহার বলেন, জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করবেন না। আমাদের রাজপথে আসতে বাধ্য করবেন না। সময় থাকতে যদি দেশকে ভালোভাবে চালাতে চান তাহলে গণভোটের রায়কে মেনে নেন। জনগণ আপনাদেরকে ভালোবাসবে, শ্রদ্ধা করবে। আর যদি অবজ্ঞা করেন সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ার কারণে তবে তার পরিণতি ভালো হবে না।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেন, বিএনপির হয়েছে সুবিধাবাদের রোগ। অন্তর্বর্তী সরকারের যে অধ্যাদেশগুলো ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করে সেগুলো বিএনপির কাছে খুব পছন্দনীয় আর যে অধ্যাদেশগুলো জনগণের জন্য ভালো সেগুলো তাদের কাছে অপছন্দনীয়। বিএনপির এখন সুবিধাবাদের রোগ হয়েছে। বিএনপি সারা দেশে না এর পক্ষে ভোট চেয়েছে আর প্রকাশ্যে হ্যাঁ এর পক্ষে বাধ্য হয়ে ভোট চেয়েছে। এ দেশের জনরায়কে যদি হাইকোর্ট দেখান, এ দেশের জনগণ রাজপথে আপনাদেরকে মোকাবিলা করবে। জনগণের রায়ের প্রতি সন্মান রাখেন। নাহলে সংসদে এবং রাজপথে আমরা আপনাদের প্রতিহত করব ইনশাআল্লাহ।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, খেলাফত মজলিশের মহাসচিব ড. আহমাদ আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মোখলেসুর রহমান কাসেমী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. ওমর ফারুক, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম প্রমুখ।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে শুরু হয় রাজধানীর পল্টন, বিজয়নগর মোড়, কাকরাইল অতিক্রম করে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়।

গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদ এবং গণরায় অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবিতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সঞ্চালনায় এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
আজহারুল ইসলাম বলেন, আজকে আমি সংসদে গিয়েছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। আজ আমি এখানে বক্তব্য দিচ্ছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। জুলাই বিপ্লব আমাদের নতুন জীবন দান করেছে। সেই জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করা মানে নতুন জীবনকে অস্বীকার করা। জুলাই বিপ্লব একদলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে আরেক দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য ছিল না।
তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব ছিল পুরোনো ব্যবস্থাকে ছুড়ে ফেলে নতুন ব্যবস্থা কায়েম করা। জুলাই বিপ্লব ছিল, একদল ব্যক্তির হাতে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত না করে জনগণের ক্ষমতাকে জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া। আজকে গণভোটকে অস্বীকার করা মানে শুধু ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে অস্বীকার করা নয়, ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে অস্বীকার করার মধ্য দিয়ে আবার তারা সেই ফ্যাসিবাদী কায়দায় এক ব্যক্তির কাছে সব ক্ষমতা দিতে চায়। আমরা দীর্ঘ ১৬ বছরে এক ব্যক্তির শাসন দেখেছি। আমাদের হাজার হাজার ভাইকে জীবন দিতে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের আন্দোলন কোনো দলের বিরুদ্ধে নয়, আমাদের আন্দোলন সব সময় জনগণের পক্ষে। আমরা সব সময় জনগণের পাশে থাকি। আজকে একজন ব্যক্তির কাছে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার মাধ্যমে যদি আপনারা স্বপ্ন দেখেন আবার জোর করে আপনারা ক্ষমতায় থাকতে পারবেন, বোকার স্বর্গে বাস করছেন। মনে করেন কেয়ারটেকার সরকারের আন্দোলনের কথা। কেয়ারটেকার নাকি পাগল ছাগল ছাড়া কেউ বোঝে না। আপনারা অস্বীকার করলেন, আন্দোলন দমাবার চেষ্টা করলেন, শেষ পর্যন্ত মারলেন- এমনভাবে মারলেন কেয়ারটেকার হলো, আপনারা ক্ষমতায় আসতে পারলেন না।
আজহার বলেন, জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করবেন না। আমাদের রাজপথে আসতে বাধ্য করবেন না। সময় থাকতে যদি দেশকে ভালোভাবে চালাতে চান তাহলে গণভোটের রায়কে মেনে নেন। জনগণ আপনাদেরকে ভালোবাসবে, শ্রদ্ধা করবে। আর যদি অবজ্ঞা করেন সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ার কারণে তবে তার পরিণতি ভালো হবে না।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেন, বিএনপির হয়েছে সুবিধাবাদের রোগ। অন্তর্বর্তী সরকারের যে অধ্যাদেশগুলো ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করে সেগুলো বিএনপির কাছে খুব পছন্দনীয় আর যে অধ্যাদেশগুলো জনগণের জন্য ভালো সেগুলো তাদের কাছে অপছন্দনীয়। বিএনপির এখন সুবিধাবাদের রোগ হয়েছে। বিএনপি সারা দেশে না এর পক্ষে ভোট চেয়েছে আর প্রকাশ্যে হ্যাঁ এর পক্ষে বাধ্য হয়ে ভোট চেয়েছে। এ দেশের জনরায়কে যদি হাইকোর্ট দেখান, এ দেশের জনগণ রাজপথে আপনাদেরকে মোকাবিলা করবে। জনগণের রায়ের প্রতি সন্মান রাখেন। নাহলে সংসদে এবং রাজপথে আমরা আপনাদের প্রতিহত করব ইনশাআল্লাহ।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, খেলাফত মজলিশের মহাসচিব ড. আহমাদ আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মোখলেসুর রহমান কাসেমী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. ওমর ফারুক, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম প্রমুখ।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে শুরু হয় রাজধানীর পল্টন, বিজয়নগর মোড়, কাকরাইল অতিক্রম করে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়।

বিএনপি সংস্কার চায় না— এমন বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এর মাধ্যমে জাতিকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, বিএনপি শুধু সংস্কার চায় না, সংস্কার বাস্তবায়নও করবে।
৮ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি নিজে উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়া দলের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য দেওয়ান আব্দুর রশিদ নীলু, মনির উদ্দীন পাপ্পু, ফিরোজ আহমেদ, তাসলিমা আখতার, হাসান মারুফ রুমীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
১ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংবিধানে গণভোট নেই বলে যে দাবি করা হচ্ছে তা অযৌক্তিক, কারণ অতীতে একাধিকবার দেশে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১ দিন আগে
গত ৯ জানুয়ারি স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর ডাকা এই বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সাংগঠনিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১ দিন আগে