
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

একটি নতুন ও ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার ডাক দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর মিরপুরের মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটদান শেষে তিনি দেশবাসীকে সব ভয় ও দ্বিধা কাটিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে ভোটাধিকার রক্ষার আহ্বান জানান।
পরে গণমাধ্যমকর্মীদের জামায়াত আমির বলেন, ‘দেড় যুগ পর আজ ভোট দিতে পেরে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। আমি আশা করি, এই ভোটের মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠিত হবে-যে সরকার হবে সবার সরকার, কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের নয়।’
সারাদেশের নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এখনই কেন্দ্র থেকে এলাম। সারাদেশের খোঁজ নেব। ছোটখাটো কোনো বিষয় হলে আমরা এড়িয়ে যাব, তবে বড় কোনো অনিয়ম হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোট নিরপেক্ষ হলে আমরা তা মেনে নেব।’
তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব। ভোটকেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।’ এ সময় দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
নির্বাচনে টাকা ছড়ানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘এ বিষয়ে বিভিন্ন মিডিয়া বিভিন্ন ধরনের খবর দিচ্ছে। মিডিয়া নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে না।’
এর আগে তিনি সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বার্তা দেন। সেখানে জামায়াত আমির একটি নতুন ও ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশবাসীকে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ডা. শফিকুর রহমান তার ফেসবুক পোস্টে লেখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ। একটি ঐতিহাসিক দিনের সূচনালগ্নে দাঁড়িয়ে আমরা। দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও ত্যাগের পর আজ সেই দিন যখন মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে আমরা জাতির এক নতুন অধ্যায় গড়ার মিছিলে শামিল হয়েছি। সব ভয় ও দ্বিধা-দ্বন্দ্ব কাটিয়ে ভোটকেন্দ্রে আসুন এবং উৎসবমুখর পরিবেশে আপনার পছন্দের সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক প্রার্থীকে ভোট দিন।
তিনি আরও লেখেছেন, ভোটদান থেকে শুরু করে ফল ঘোষণা পর্যন্ত যে কোনো ধরনের কারচুপি, অনিয়ম ও ভোট ডাকাতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।
মনে রাখবেন, আজকের এই ভোট শুধু একটি ব্যক্তিগত অধিকার নয়; বরং শহীদদের রক্তে রঞ্জিত এমন এক আমানত যা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য, নিরাপদ ও ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার চাবি। আপনারা অত্যন্ত ধৈর্য ও শৃঙ্খলার সাথে ভোটকেন্দ্রে যান এবং নিজের পবিত্র আমানত রক্ষা করুন।
যারা সত্য ও ন্যায়ের পথে সচেষ্ট থাকে, আল্লাহ কখনোই তাদের শ্রম বৃথা যেতে দেন না। ইনশাআল্লাহ, আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় সন্নিকটে (নাসরুম মিনাল্লাহি ওয়া ফাতহুন কারীব)। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমিন।
ডা. শফিকুর রহমান এবারের নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে দাড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

একটি নতুন ও ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার ডাক দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর মিরপুরের মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটদান শেষে তিনি দেশবাসীকে সব ভয় ও দ্বিধা কাটিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে ভোটাধিকার রক্ষার আহ্বান জানান।
পরে গণমাধ্যমকর্মীদের জামায়াত আমির বলেন, ‘দেড় যুগ পর আজ ভোট দিতে পেরে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। আমি আশা করি, এই ভোটের মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠিত হবে-যে সরকার হবে সবার সরকার, কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের নয়।’
সারাদেশের নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এখনই কেন্দ্র থেকে এলাম। সারাদেশের খোঁজ নেব। ছোটখাটো কোনো বিষয় হলে আমরা এড়িয়ে যাব, তবে বড় কোনো অনিয়ম হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোট নিরপেক্ষ হলে আমরা তা মেনে নেব।’
তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব। ভোটকেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।’ এ সময় দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
নির্বাচনে টাকা ছড়ানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘এ বিষয়ে বিভিন্ন মিডিয়া বিভিন্ন ধরনের খবর দিচ্ছে। মিডিয়া নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে না।’
এর আগে তিনি সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বার্তা দেন। সেখানে জামায়াত আমির একটি নতুন ও ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশবাসীকে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ডা. শফিকুর রহমান তার ফেসবুক পোস্টে লেখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ। একটি ঐতিহাসিক দিনের সূচনালগ্নে দাঁড়িয়ে আমরা। দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও ত্যাগের পর আজ সেই দিন যখন মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে আমরা জাতির এক নতুন অধ্যায় গড়ার মিছিলে শামিল হয়েছি। সব ভয় ও দ্বিধা-দ্বন্দ্ব কাটিয়ে ভোটকেন্দ্রে আসুন এবং উৎসবমুখর পরিবেশে আপনার পছন্দের সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক প্রার্থীকে ভোট দিন।
তিনি আরও লেখেছেন, ভোটদান থেকে শুরু করে ফল ঘোষণা পর্যন্ত যে কোনো ধরনের কারচুপি, অনিয়ম ও ভোট ডাকাতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।
মনে রাখবেন, আজকের এই ভোট শুধু একটি ব্যক্তিগত অধিকার নয়; বরং শহীদদের রক্তে রঞ্জিত এমন এক আমানত যা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য, নিরাপদ ও ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার চাবি। আপনারা অত্যন্ত ধৈর্য ও শৃঙ্খলার সাথে ভোটকেন্দ্রে যান এবং নিজের পবিত্র আমানত রক্ষা করুন।
যারা সত্য ও ন্যায়ের পথে সচেষ্ট থাকে, আল্লাহ কখনোই তাদের শ্রম বৃথা যেতে দেন না। ইনশাআল্লাহ, আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় সন্নিকটে (নাসরুম মিনাল্লাহি ওয়া ফাতহুন কারীব)। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমিন।
ডা. শফিকুর রহমান এবারের নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে দাড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে বলেন, রথযাত্রার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে শেষ পর্যায়ে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বিএনপি মহাসচিব। তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
১ দিন আগে
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা সাদিক কায়েম সম্প্রতি ছাত্রশিবির ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যোগ দেওয়ায় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি পদে থাকার ‘নৈতিকতা হারিয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।
১ দিন আগে
নতুন এই রদবদলে কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. জায়েদ আহমাদ। তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ থেকে (২০১৮-২০১৯ সেশন) এমবিবিএস পাস করেছেন। এর আগে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সভাপতি এবং মেডিকেল জোনের সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার গ্রামের
২ দিন আগে
নাহিদ বলেন, সরকার বলেছিল, তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই সরকার যদি বলে তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, তাহলে বিচার আর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আন্ত
২ দিন আগে