
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে বিজয়ের পর ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে ভোটাররা তাকে সমর্থন দিয়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। তারা আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। এজন্য তাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।
ভোটের দিন সবচেয়ে উদ্বেগের মুহূর্ত প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস বলেন, কিছু কেন্দ্রে তার পক্ষের ব্যালট বাতিল করা হচ্ছে— এমন খবর পাওয়ার পর তিনি দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন।
এটাই ছিল সবচেয়ে চিন্তার মুহূর্ত, বলেন তিনি।
নিজের ধৈর্যের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, আল্লাহ আমার অনেক ধৈর্য পরীক্ষা নিচ্ছেন— এমনটাই মনে হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত প্রমাণ হলো ধৈর্যের ফল ভালো হয়। তবে সময়টা খুব কষ্টকর ছিল।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন আনন্দ ও উৎসবের বিষয়, যুদ্ধক্ষেত্র নয়। তবে কেউ কেউ এটিকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে সংঘাতমুখর করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, নির্বাচনের ক্ষেত্রটাকে নির্বাচনী ক্ষেত্রই রাখা উচিত ছিল। কিন্তু শুরু থেকেই এটিকে যুদ্ধক্ষেত্র বানিয়ে ফেলা হয়েছে, শুধুমাত্র নিজেকে হাইলাইটেড করার জন্য।
ঢাকা-৮ আসনের ফলাফল নিয়ে দেশব্যাপী আগ্রহের প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি নির্বাচন করায় মানুষের কৌতূহল বেশি ছিল। 'আমাকে যেভাবে জনসম্মুখে গালিগালাজ করা হয়েছে, মানুষ তা আশা করেনি। তাই ফলাফলের জন্য অনেকে অপেক্ষা করছিলেন,' যোগ করেন তিনি।
ভোটের মাঠে বিশেষ কোনো কৌশল নেননি দাবি করে তিনি বলেন, আমি কোনো কৌশল অবলম্বন করিনি। তবে আমার বিরুদ্ধে একটি ন্যারেটিভ তৈরি করে কেউ নিজেকে হাইলাইটেড করার চেষ্টা করেছে, যা অপকৌশল।
তিনি আরও বলেন, এটি হয়তো তার প্রতিদ্বন্দ্বীর প্রথম নির্বাচন হতে পারে, কিন্তু তিনি বহুবার নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন এবং অতীতে শক্তিশালী প্রার্থীদের মুখোমুখি হয়েছেন।
তিনি বলেন, এই নির্বাচনটা একটু ব্যতিক্রম হয়ে গেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে বিজয়ের পর ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে ভোটাররা তাকে সমর্থন দিয়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। তারা আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। এজন্য তাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।
ভোটের দিন সবচেয়ে উদ্বেগের মুহূর্ত প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস বলেন, কিছু কেন্দ্রে তার পক্ষের ব্যালট বাতিল করা হচ্ছে— এমন খবর পাওয়ার পর তিনি দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন।
এটাই ছিল সবচেয়ে চিন্তার মুহূর্ত, বলেন তিনি।
নিজের ধৈর্যের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, আল্লাহ আমার অনেক ধৈর্য পরীক্ষা নিচ্ছেন— এমনটাই মনে হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত প্রমাণ হলো ধৈর্যের ফল ভালো হয়। তবে সময়টা খুব কষ্টকর ছিল।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন আনন্দ ও উৎসবের বিষয়, যুদ্ধক্ষেত্র নয়। তবে কেউ কেউ এটিকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে সংঘাতমুখর করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, নির্বাচনের ক্ষেত্রটাকে নির্বাচনী ক্ষেত্রই রাখা উচিত ছিল। কিন্তু শুরু থেকেই এটিকে যুদ্ধক্ষেত্র বানিয়ে ফেলা হয়েছে, শুধুমাত্র নিজেকে হাইলাইটেড করার জন্য।
ঢাকা-৮ আসনের ফলাফল নিয়ে দেশব্যাপী আগ্রহের প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি নির্বাচন করায় মানুষের কৌতূহল বেশি ছিল। 'আমাকে যেভাবে জনসম্মুখে গালিগালাজ করা হয়েছে, মানুষ তা আশা করেনি। তাই ফলাফলের জন্য অনেকে অপেক্ষা করছিলেন,' যোগ করেন তিনি।
ভোটের মাঠে বিশেষ কোনো কৌশল নেননি দাবি করে তিনি বলেন, আমি কোনো কৌশল অবলম্বন করিনি। তবে আমার বিরুদ্ধে একটি ন্যারেটিভ তৈরি করে কেউ নিজেকে হাইলাইটেড করার চেষ্টা করেছে, যা অপকৌশল।
তিনি আরও বলেন, এটি হয়তো তার প্রতিদ্বন্দ্বীর প্রথম নির্বাচন হতে পারে, কিন্তু তিনি বহুবার নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন এবং অতীতে শক্তিশালী প্রার্থীদের মুখোমুখি হয়েছেন।
তিনি বলেন, এই নির্বাচনটা একটু ব্যতিক্রম হয়ে গেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনে নানা অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন তিনি।
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলছেন, বিএনপি বিলটি পাশ করে জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়েছে এবং তার মতে, "আওয়ামী লীগকে যদি স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ দেওয়া হয় তাহলে তো দুনিয়ার সব স্বৈরশাসককেই সম্মান করতে হবে"।
৩ দিন আগে
নেপালের তরুণ প্রজন্মের মতো করে বাংলাদেশেও তরুণ প্রজন্মের উত্তাল বিক্ষোভ সরকারের পতন ঘটিয়েছিল। তবে প্রায় দুই বছর হতে চললেও বাংলাদেশ তরুণদের আন্দোলন এখন পর্যন্ত তেমন অর্থবহ রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি।
৩ দিন আগে
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে দেশব্যাপী পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।
৪ দিন আগে