গ্রেপ্তারের সময় তাদের হেফাজত থেকে ৩৭৫ পিস ইয়াবা, ১৯১ গ্রাম হেরোইন ও ১১ কেজি ২৯২ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২১টি মামলা করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের হেফাজত থেকে ৫৫৪ পিস ইয়াবা, ৩১ গ্রাম হেরোইন, ৩৯ কেজি ১৫০ গ্রাম গাঁজা ও ৫টি ইনজেকশন জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২০টি মামলা করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের হেফাজত থেকে ৯১৯ পিস ইয়াবা, ২০ গ্রাম হেরোইন, ৩ কেজি ৬১৪ গ্রাম গাঁজা ও ৩০ বোতল দেশীয় মদ জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২৮টি মামলা করা হয়েছে।
এর আগে রোববার (১০ মার্চ) তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তার বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ। তার আইনজীবী রিমান্ড মঞ্জুর না করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নূরুল
এদিন আসামিদের পক্ষে জামিন শুনানি করেন আশরাফ উল আলম। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত অধিকতর জামিন শুনানির জন্য ২১ মার্চ ধার্য করেন।
আহত ট্রেনচালক মো. আতিকুল ইসলাম ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার বিরামপুর গ্রামের আব্দুল হেকিমের ছেলে। বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনে কর্তব্যরত পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) হানিফ মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
খালাসপ্রাপ্তরা হলেন নিহতের ভাশুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহীন ও মন্টু মন্ডল। বুধবার (১৩ মার্চ) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মোহাম্মদ আলী হোসাইনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর প্রধান কর্মকর্তা মো. আতিক উল্লাহ খান জাহাজের মালিকপক্ষের কাছে একটি অডিও বার্তা পাঠিয়েছেন। সেই অডিও বার্তায় তিনি জলদস্যুদের আক্রমণের বর্ণনা দেন। কেউ হতাহত না হলেও ভীতি ছড়াতে
গ্রেপ্তারের সময় তাদের হেফাজত থেকে ১ হাজার ৪৬১ পিস ইয়াবা, ২৬৮.৮ গ্রাম হেরোইন, ২১ কেজি ৪৫০ গ্রাম গাঁজা, ১৫টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন ও ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যমতে র্যাব-১০ এর সদস্যরা সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে রাজধানী বাড্ডা থানার হাজী আব্দুল হামিদ রোডস্থ পূর্ব-পদরদিয়া এলাকা থেকে অপর ৪ জন জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের হেফাজত থেকে ৯২৪ পিস ইয়াবা, ৫৫ গ্রাম হেরোইন, ২০৭ বোতল ফেনসিডিল ও ৫৩ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৪টি মামলা করা হয়েছে।
১৬ এপ্রিল পর্যন্ত ড. ইউনূস জামিনে থাকবেন। ওইদিন তিনিসহ ৪ জনকে ফের হাজির হতে হবে। আদালত আরও বলেন, ১৬ এপ্রিল আপিল শুনানির দিন ধার্য করা হলো। একই সঙ্গে শ্রম আদালত থেকে পাঠানো মামলার এলসিআর গ্রহণ করা হলো।
শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পল্টনে নিজ চেম্বার থেকে তাকে আটক করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হলে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মামলায় সুপ্রিম কোর্ট বারের নির্বাচনে সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি, বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত নীল প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের হেফাজত থেকে ৪৩১ পিস ইয়াবা, ৫০৩ গ্রাম হেরোইন, ৩৯ কেজি ৬০০ গ্রাম গাঁজা ও ৪ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২২টি মামলা করা হয়েছে।
আদালতে গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সরদার জিন্নাত আলী। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল তাহমিনা আক্তার পলি।
বাদীপক্ষের আইনজীবী সাকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত। এরপর মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য আসামিদের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি ও সম্পত্তি ক্রোকের আবেদন করি।