সেদিন হাইকোর্টের সেই আদেশটি অনেক পত্রিকায় তেমন গুরুত্বও পায়নি। কিন্তু পরবর্তী পাঁচ সপ্তাহের মাথায় সেই বিক্ষোভের জেরে এক সময় ১৬ বছর ধরে কঠোরভাবে বিরোধী দলকে দমন করে একটানা ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনাকে গোপনে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে হয়।
ব্যাংক থেকে ঋণগুলো কীসের ভিত্তিতে দেয়া হয়েছে, এবং তা কী কাজে লাগানো হচ্ছে– এ নিয়ে বিস্তর অনুসন্ধান জরুরি। এর ভিত্তিতে দুর্বৃত্ত চক্রকে এবং নিয়মভঙ্গ করে নেয়া ঋণগ্রহীতাদের সামনে এনে উপযুক্ত বিচার করতে হবে।
বাংলাদেশে সরকার পতনের পর রাষ্ট্রক্ষমতায় কয়েকদিন ধরে যে শূন্যতা, সেটির অবসান হলো ডক্টর ইউনূসের নেতৃত্বে নতুন অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠনের মাধ্যমে। তবে শুরু থেকেই নতুন এই সরকারকে মুখোমুখি হতে হচ্ছে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের।
এ ধরনের তদন্ত কমিশন কেন ও কখন গঠন করা হয়? কেন এই কমিশনকে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন বলা হচ্ছে? এই কমিশনের করা তদন্তের সাথে অন্য তদন্তের আসলে পাথর্ক্য কতটুকু? কোন কোন ঘটনার তদন্ত করবে কমিশন?
গত ১৬ই জুলাই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত টানা বাংলাদেশে নজিরবিহীন বিক্ষোভ আর সহিংস আন্দোলন হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এ ধরণের বিক্ষোভ কখনোই দেখা যায়নি। এতো কম সময়ের মধ্যে ১৫০-এর বেশি মানুষ নিহত হবার ঘটনা ঘটেনি।
আফসোস কোনও কিছুতেই কিছু হয়নি। বরং সুইস ব্যাংকসমূহে বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়। মালয়েশিয়ায় ‘মাই সেকেন্ড হোম’ কর্মসূচিতে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। দুবাইয়েও একদল বাংলাদেশি বিপুল সম্পদের মালিক। যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর-কোথায় তাদের সম্পদ নেই?
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের হিসেবে, এবারের ঈদুল আজহায় সারাদেশে প্রায় ১ কোটি ৪ লাখেরবেশি পশু জবাই হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮ লাখ ৫০ হাজারের মতো গরু-মহিষ এবং বাকিগুলোখাসি, বকরি, ভেড়াসহ অন্যান্য পশু।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার বিশ্লেষণ বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে প্রতিবছর ১ হাজারেও বেশি মানুষ নিহত হয়। ২০২১-এর তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ যে গুলি চালায় সেসব তথ্যের মাত্র তিনভাগের একভাগ এফবিআই-এর ডাটাবেজে সংরক্ষিত হয়। বাকিটা উধাও। কেননা থানাগুলো কেন্দ্রীয় সরকারকে এসব তথ্য দিতে বাধ্য নয়।
আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠতিব্য নির্বাচনে মোট ৩০০ আসনে প্রার্থী এক হাজার ৮৯৫ জন। কিন্তু নারী প্রার্থীর সংখ্যা মাত্র মাত্র ৯২, তাদের মধ্যে ২৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। রাজনৈতিক দলের সংখ্যা বিবেচনায় নিলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে...
তিনি পরকে আপন করতে জানতেন। যে তাঁর নীতি-আদর্শে বিশ্বাসী না, সে-ও তাঁর সান্নিধ্যে আপন হয়ে উঠতো। ব্যক্তিত্বের অমোঘ এক মানবিক আকর্ষণ ছিল বঙ্গবন্ধুর। সাগর বা মহাসাগরের গভীরতা মাপা যাবে, কিন্তু বাংলার মানুষের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসা কোনোদিনই পরিমাপ করা যাবে না। তিনি ছোটকে বড়ো করতেন, বড়কে করতেন আরও বড়ো।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বরাবরই আওয়ামী লীগ-বিরোধী অবস্থানে রয়েছেন এবং তিনি সরকারের কড়া সমালোচক। ২০১৪ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে জিএম কাদের উৎসাহিত করেছিলেন। সরকারি...