
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ষষ্ঠদশ রাউন্ডে এগিয়ে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শেষ পর্যন্ত আর হোঁচট খেতে হয়নি। পরের রাউন্ডগুলোতে কেবল ব্যবধান বাড়িয়েছেন। তাতে শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীই ভবানীপুরের নতুন বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন।
কলকাতার গণমাধ্যম আনন্দবাজার ও এই সময়ের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টার দিকে ভবানীপুরের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করে ভারতের নির্বাচন কমিশন।
২০ রাউন্ডের ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৯১৭ ভোট। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৮১২ ভোট। সে হিসাবে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটের ব্যবধানে মমতাকে পরাজিত করেছেন শুভেন্দু।
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরের এ আসনটিই ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। কারণ সবচেয়ে ‘হেভিওয়েট’ এ আসনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজ্যের বিরোধী দলীয় নেতা বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এর আগে কখনো বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতা মুখোমুখি হননি। এবার সেই দেখায় বিরোধী দলীয় নেতারই জয় হলো।
এর আগে ২০১১ সাল থেকে এই বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে তৃণমূলের দখলে। ২০১১ সালের উপনির্বাচন ও ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে এ আসনে জেতেন মমতা। পরে ২০২১ সালের সালের উপনির্বাচনেও জয় পান তিনি। চতুর্থবারে এসে আর আসনটি ধরে রাখতে পারলেন না ‘দিদি’।
সকালে থেকেই এ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলছিল। প্রথমেই পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে ছিলেন মমতা। পরে তিনি ১ হাজার ৫৫৮ ভোটে ভোটে পিছিয়ে পড়েন। শুভেন্দু এগিয়ে যান।
তৃতীয় রাউন্ড শেষে ফের মমতা এগিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি ক্রমেই ব্যবধান বাড়িয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে। একপর্যায়ে ১৯ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে যান মমতা। এরপর থেকেই ঘুরে দাঁড়ান শুভেন্দু। ষষ্ঠদশ রাউন্ডে এসে শেষ পর্যন্ত মমতাকে পেছনে ফেলতে সমর্থ হন তিনি। হাসলেন শেষ হাসিও।
এদিকে শুভেন্দুকে কঠিন পরীক্ষা দিতে হলেও গোটা রাজ্য মিলিয়ে বিজেপির পরীক্ষা এতটা কঠিন মনে হচ্ছে না। শুরুর দিকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিললেও শেষ পর্যন্ত বিজেপি বড় ব্যবধানেই রাজ্য সরকার গঠন করবে বলে মনে হচ্ছে।
সবশেষ খবর বলছে, ২৯৩টি আসনের মধ্যে এরই মধ্যে ১৪৬টি আসনে বিজেপিকে জয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আরও ৬৩টি আসনে তারা এগিয়ে রয়েছে। বিপরীতে তৃণমূলের জয় নিশ্চিত হয়েছে মাত্র ৫৩টি আসনে।
হিসাব বলছে, আর একটিমাত্র আসনে জয় পেলেই বিজেপি শিবির চূড়ান্ত উল্লাসে মেতে উঠতে পারবে। আর ভোটের যে প্রবণতা, তাতে দুই শতাধিক আসনের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাই হয়তো উঠবে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দলটির হাতে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এরই মধ্যে ‘অবিস্মরণীয় বিজয়’ লিখে পোস্ট দিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ধুতি-পাঞ্জাবিতে নয়াদিল্লিতে বিজেপি সদর দপ্তরে হাজির হয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে ঘোষণা দিয়েছেন, ২৫ বৈশাখ রবীন্দ্রজয়ন্তীতে হবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের শপথ।
মোদি তার বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে আকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য প্রণামও জানিয়েছেন। আশ্বাস দিয়েছেন, কোনো ধরনের প্রতিশোধ নয়, বরং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দিনবদলের জন্য বিজেপি সরকার পশ্চিমবঙ্গে কাজ করবে।

ষষ্ঠদশ রাউন্ডে এগিয়ে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শেষ পর্যন্ত আর হোঁচট খেতে হয়নি। পরের রাউন্ডগুলোতে কেবল ব্যবধান বাড়িয়েছেন। তাতে শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীই ভবানীপুরের নতুন বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন।
কলকাতার গণমাধ্যম আনন্দবাজার ও এই সময়ের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টার দিকে ভবানীপুরের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করে ভারতের নির্বাচন কমিশন।
২০ রাউন্ডের ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৯১৭ ভোট। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৮১২ ভোট। সে হিসাবে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটের ব্যবধানে মমতাকে পরাজিত করেছেন শুভেন্দু।
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরের এ আসনটিই ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। কারণ সবচেয়ে ‘হেভিওয়েট’ এ আসনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজ্যের বিরোধী দলীয় নেতা বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এর আগে কখনো বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতা মুখোমুখি হননি। এবার সেই দেখায় বিরোধী দলীয় নেতারই জয় হলো।
এর আগে ২০১১ সাল থেকে এই বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে তৃণমূলের দখলে। ২০১১ সালের উপনির্বাচন ও ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে এ আসনে জেতেন মমতা। পরে ২০২১ সালের সালের উপনির্বাচনেও জয় পান তিনি। চতুর্থবারে এসে আর আসনটি ধরে রাখতে পারলেন না ‘দিদি’।
সকালে থেকেই এ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলছিল। প্রথমেই পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে ছিলেন মমতা। পরে তিনি ১ হাজার ৫৫৮ ভোটে ভোটে পিছিয়ে পড়েন। শুভেন্দু এগিয়ে যান।
তৃতীয় রাউন্ড শেষে ফের মমতা এগিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি ক্রমেই ব্যবধান বাড়িয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে। একপর্যায়ে ১৯ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে যান মমতা। এরপর থেকেই ঘুরে দাঁড়ান শুভেন্দু। ষষ্ঠদশ রাউন্ডে এসে শেষ পর্যন্ত মমতাকে পেছনে ফেলতে সমর্থ হন তিনি। হাসলেন শেষ হাসিও।
এদিকে শুভেন্দুকে কঠিন পরীক্ষা দিতে হলেও গোটা রাজ্য মিলিয়ে বিজেপির পরীক্ষা এতটা কঠিন মনে হচ্ছে না। শুরুর দিকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিললেও শেষ পর্যন্ত বিজেপি বড় ব্যবধানেই রাজ্য সরকার গঠন করবে বলে মনে হচ্ছে।
সবশেষ খবর বলছে, ২৯৩টি আসনের মধ্যে এরই মধ্যে ১৪৬টি আসনে বিজেপিকে জয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আরও ৬৩টি আসনে তারা এগিয়ে রয়েছে। বিপরীতে তৃণমূলের জয় নিশ্চিত হয়েছে মাত্র ৫৩টি আসনে।
হিসাব বলছে, আর একটিমাত্র আসনে জয় পেলেই বিজেপি শিবির চূড়ান্ত উল্লাসে মেতে উঠতে পারবে। আর ভোটের যে প্রবণতা, তাতে দুই শতাধিক আসনের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাই হয়তো উঠবে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দলটির হাতে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এরই মধ্যে ‘অবিস্মরণীয় বিজয়’ লিখে পোস্ট দিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ধুতি-পাঞ্জাবিতে নয়াদিল্লিতে বিজেপি সদর দপ্তরে হাজির হয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে ঘোষণা দিয়েছেন, ২৫ বৈশাখ রবীন্দ্রজয়ন্তীতে হবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের শপথ।
মোদি তার বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে আকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য প্রণামও জানিয়েছেন। আশ্বাস দিয়েছেন, কোনো ধরনের প্রতিশোধ নয়, বরং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দিনবদলের জন্য বিজেপি সরকার পশ্চিমবঙ্গে কাজ করবে।

শেষ পর্যন্ত চতুর্থবারের চেষ্টায় তৃণমূল দুর্গে ফাটল ধরিয়ে পদ্মফুলের পতাকা উড়ল পশ্চিমবঙ্গে। মোদি বলেন, আমি বাংলা, অসম, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু ও কেরালার জনতাকে প্রণাম জানাই। বিজেপির কোটি-কোটি কার্যকর্তাকে হৃদয় থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনারা নতুন ইতিহাস রচনা করলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
এ বাউন্ডের ফল ঘোষণার পর দেখা গেছে, পদ্মফুলের প্রার্থী শুভেন্দু পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৩৮৬ ভোট। অন্যদিকে জোড়া ফুলের মমতা পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৮৩২ ভোট। সে হিসাবে মমতার চেয়ে ৫৬৩ ভোটে এগিয়ে গেছেন শুভেন্দু।
৬ ঘণ্টা আগে
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার জিএমটি সময় ১১টা ২৪ পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ দশমিক ৬৪ ডলার বা ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১১১ দশমিক ৮১ ডলারে। এর আগে শুক্রবার এই সূচক ২ দশমিক ২৩ ডলার কমে শেষ হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে আরও অনেক বাকি থাকলেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের জয়ের ঘোষণাই দিয়ে বসেছেন। একে অভিহিত করেছেন ‘অবিস্মরণীয় জয়’ হিসেবে। এ জয়ের জন্য পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি মানুষকে প্রণামও জানিয়েছেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে