
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের অভাবনীয় চমক দেখাল অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বিজয়ের নতুন দল তামিলাগা ভেট্টি কাজগম (টিভিকে)। মাত্র দুই বছর আগে গঠিত এই দলটি ভোটের লড়াইয়ে পেছনে ফেলে দিয়েছে সব দলকে। এতে তামিল রাজনীতির দীর্ঘদিনের দ্বিমুখী সমীকরণ ওলটপালট হয়ে গেছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়া ও দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়, সোমবার (৪ মে) রাতে ঘোষিত ফরাফলে তামিল রাজ্যটিতে শেষ পর্যন্ত বিজয়ের দলই শেষ হাসি হেসেছে। ২৩৪টি আসনের মধ্যে টিভিকে জয় পেয়েছে ১০৬ আসনে। আরও একটি আসনে দলটি এগিয়ে রয়েছে।
অন্যদিকে ডিএমকের নেতৃত্বাধীন জোট ৭৩ আসনে জয় নিয়ে রয়েছে রাজ্যে দ্বিতীয় স্থানে। তারাও আরও একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে। আর ৫২ আসনে জয় নিয়ে এআইএডিএমকের নেতৃত্বাধীন জোট রয়েছে তৃতীয় স্থানে। একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে তারাও।
সব মিলিয়ে বিজয়ের দলই তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন চমক হয়ে এসেছে। তবে এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের জন্য ১১৭ আসনের যে ‘ম্যাজিক ফিগার’ প্রয়োজন ছিল, সে পর্যন্ত পৌঁছানে পারেনি টিভিকে। ফলে সরকার গঠন শেষ পর্যন্ত কীভাবে হবে, তা জানতে আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে।
বড়পর্দায় বিজয় বা বিজয় থালাপাথি নামেই পরিচিত তিনি। পুরো নাম চন্দ্রশেখরণ জোসেফ বিজয়। ভারতের অন্যতম ব্যবসাফল নায়ক তিনি। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমার তালিকায় তার সিনেমা রয়েছে বেশ কয়েকটি।
খবরে বলা হয়েছে, প্রথমবার ভোটের ময়দানে নামা টিভিকে কেবল ভালোই করেনি, বরং ডিএমকে ও এআইএডিএমকের মতো প্রতিষ্ঠিত দলের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত অনেক আসনেও জয় ছিনিয়ে এনেছে। অভিনেতা বিজয়ের ব্যাপক জনপ্রিয়তা আর তার তরুণ নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আস্থাকেই এ সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি বলে মনে করা হচ্ছে।
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে কয়েক দশক ধরে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকের নেতৃত্বাধীন জোটের আধিপত্য চলে আসছে। সেই প্রথাগত রাজনৈতিক ধারার বিপরীতে দাঁড়িয়ে টিভিকের এই জয়জয়কার রাজ্যটির রাজনীতিতে এক নতুন যুগের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিজয় নিজেও তিরুচিরাপল্লি (পূর্ব) ও পেরাম্বুর উভয় আসনেই জয় পেয়েছেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, চলচ্চিত্রের পর্দায় একের পর এক সুপারহিট-মেগাহিট সিনেমা উপহার দেওয়া বিজয় ভোটের মাঠেও ছক্কা মেরেছেন। তামিলনাড়ু বিধানসভার এবারের এই নির্বাচনের ফলাফল ভারতের দক্ষিণী রাজনীতিতে তাকে এক বড় ‘কিংমেকার’ এবং এমনকি ‘কিং’ হিসেবেও তুলে আনতে যাচ্ছে।

ভারতের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের অভাবনীয় চমক দেখাল অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বিজয়ের নতুন দল তামিলাগা ভেট্টি কাজগম (টিভিকে)। মাত্র দুই বছর আগে গঠিত এই দলটি ভোটের লড়াইয়ে পেছনে ফেলে দিয়েছে সব দলকে। এতে তামিল রাজনীতির দীর্ঘদিনের দ্বিমুখী সমীকরণ ওলটপালট হয়ে গেছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়া ও দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়, সোমবার (৪ মে) রাতে ঘোষিত ফরাফলে তামিল রাজ্যটিতে শেষ পর্যন্ত বিজয়ের দলই শেষ হাসি হেসেছে। ২৩৪টি আসনের মধ্যে টিভিকে জয় পেয়েছে ১০৬ আসনে। আরও একটি আসনে দলটি এগিয়ে রয়েছে।
অন্যদিকে ডিএমকের নেতৃত্বাধীন জোট ৭৩ আসনে জয় নিয়ে রয়েছে রাজ্যে দ্বিতীয় স্থানে। তারাও আরও একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে। আর ৫২ আসনে জয় নিয়ে এআইএডিএমকের নেতৃত্বাধীন জোট রয়েছে তৃতীয় স্থানে। একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে তারাও।
সব মিলিয়ে বিজয়ের দলই তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন চমক হয়ে এসেছে। তবে এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের জন্য ১১৭ আসনের যে ‘ম্যাজিক ফিগার’ প্রয়োজন ছিল, সে পর্যন্ত পৌঁছানে পারেনি টিভিকে। ফলে সরকার গঠন শেষ পর্যন্ত কীভাবে হবে, তা জানতে আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে।
বড়পর্দায় বিজয় বা বিজয় থালাপাথি নামেই পরিচিত তিনি। পুরো নাম চন্দ্রশেখরণ জোসেফ বিজয়। ভারতের অন্যতম ব্যবসাফল নায়ক তিনি। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমার তালিকায় তার সিনেমা রয়েছে বেশ কয়েকটি।
খবরে বলা হয়েছে, প্রথমবার ভোটের ময়দানে নামা টিভিকে কেবল ভালোই করেনি, বরং ডিএমকে ও এআইএডিএমকের মতো প্রতিষ্ঠিত দলের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত অনেক আসনেও জয় ছিনিয়ে এনেছে। অভিনেতা বিজয়ের ব্যাপক জনপ্রিয়তা আর তার তরুণ নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আস্থাকেই এ সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি বলে মনে করা হচ্ছে।
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে কয়েক দশক ধরে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকের নেতৃত্বাধীন জোটের আধিপত্য চলে আসছে। সেই প্রথাগত রাজনৈতিক ধারার বিপরীতে দাঁড়িয়ে টিভিকের এই জয়জয়কার রাজ্যটির রাজনীতিতে এক নতুন যুগের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিজয় নিজেও তিরুচিরাপল্লি (পূর্ব) ও পেরাম্বুর উভয় আসনেই জয় পেয়েছেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, চলচ্চিত্রের পর্দায় একের পর এক সুপারহিট-মেগাহিট সিনেমা উপহার দেওয়া বিজয় ভোটের মাঠেও ছক্কা মেরেছেন। তামিলনাড়ু বিধানসভার এবারের এই নির্বাচনের ফলাফল ভারতের দক্ষিণী রাজনীতিতে তাকে এক বড় ‘কিংমেকার’ এবং এমনকি ‘কিং’ হিসেবেও তুলে আনতে যাচ্ছে।

চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১৩ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১৬ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
২০ ঘণ্টা আগে
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১ দিন আগে