
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ঘিয়ে রঙের তসর সিল্কের পাঞ্জাবি, সঙ্গে ঘিয়ে রঙেরই তসর সিল্কের কোঁচা দেওয়া ধুতি। কোঁচাটা আবার গোঁজা পাঞ্জাবির পকেটে। গলায় উত্তরীয়।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় এমন বাঙলি বেশেই নয়াদিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে দেখা গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে।
এ রাজ্যে টানা তিনবার ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেসকে হঠিয়ে তার দল বিজেপি যখন ক্ষমতায় আসার পথে, তখন দলীয় সদর দপ্তরে মোদির মুখের হাসিটা বেশ চওড়া। মঞ্চে বক্তৃতা দেওয়ার সময় তিনি ঘোষণা দিলেন, আসছে পঁচিশে বৈশাখ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতেই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।
পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যম এই সময়ের খবরে বলা হয়েছে, রাত সাড়ে ৯টার হালনাগাদ তথ্য বলছে, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৩টি আসনের মধ্যে ১৪৬টি আসনে এরই মধ্যে বিজেপি প্রার্থীদের জয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। বিপরীতে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত হয়েছে মাত্র ৫৩টি আসনে।
বিধানসভার এ নির্বাচনে সরকার গঠন করতে হলে কোনো দলের প্রয়োজনীয় ম্যাজিক নম্বরটি হলো ১৪৭। সে হিসাবে বিজেপির সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন আর মাত্র একটি আসন। আরও ৬৩টি আসনে এগিয়ে থাকায় এখন তাদের চূড়ান্ত জয় ঘোষণা সময়ের ব্যাপার মাত্র।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের এ জয়কে আগেই ‘অবিস্মরণীয়’ অভিহিত করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। ভাষণে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের সাধনা যখন সিদ্ধ হয়, তখন যে খুশি আসে, তা আজ দেশের সব বিজেপি সমর্থকের মুখে দেখছি। আমিও তাদের খুশিতে সামিল। আজকের দিন দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ঘোষণার দিন, ভরসার দিন।
এমন খুশির কারণ গোপন কিছু নয়। ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গে বাম সরকারের পতনের পর থেকে টানা তিন মেয়াদে ১৫ বছর ক্ষমতায় রয়েছে তৃণমূল। ওই নির্বাচন থেকেই পশ্চিমবঙ্গ জয়ের লক্ষ্যে জানপ্রাণ দিয়ে লড়ে যাচ্ছে বিজেপি। এর মধ্যে কেন্দ্রে মোদির নেতৃত্বে টানা জয় মিললেও বাংলা ভাষাভাষী এ রাজ্যে বিজেপি সুবিধা করে উঠতে পারছিল না মোটেও।
শেষ পর্যন্ত চতুর্থবারের চেষ্টায় তৃণমূল দুর্গে ফাটল ধরিয়ে পদ্মফুলের পতাকা উড়ল পশ্চিমবঙ্গে। মোদি বলেন, আমি বাংলা, অসম, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু ও কেরালার জনতাকে প্রণাম জানাই। বিজেপির কোটি-কোটি কার্যকর্তাকে হৃদয় থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনারা নতুন ইতিহাস রচনা করলেন।
মোদি জানান, বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেই তিনি জানিয়েছিলেন, গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত পদ্ম ফুটবে। আজ তাই-ই হয়েছে। বিহার, উড়িষ্যা হয়ে পশ্চিমবঙ্গেও ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি।
শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ টেনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা আজ শান্তি পেল। ১৯৫১ সালে জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা করে দেশের যুবকদের দেশপ্রেমের বার্তা দিয়েছিলেন। তিনি যে সশক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা কয়েক দশক ধরে পূরণ হওয়ার অপেক্ষায় ছিল। আজ বাংলার জনতা আমাদের সেই সুযোগ দিলেন। আজ বাংলার ইতিহাসে এক নয়া অধ্যায় যুক্ত হলো।
ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র, ষোগীরাজ অরবিন্দ ঘোষকেও শ্রদ্ধা জানান নরেন্দ্র মোদি। পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালায় বিজেপির নেতাকর্মীদের বহু অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে উল্লেখ করে নির্বাচনি সাফল্য তাদের সবার প্রতি উৎসর্গ করেন তিনি। বলেন, ‘বাংলার পবিত্র ভূমিতে আজ এক নতুন সূর্যোদয় হলো। বাংলার মানুষ তোষণ ও ভয়ের রাজনীতিকে ছুঁড়ে ফেলেছে। আজ থেকে বাংলা ভারতের উন্নয়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে, পা মিলিয়ে চলবে।’
পশ্চিমবঙ্গের সব মানুষের জন্য বিজেপি সরকার রাতদিন এক করে কাজ করবে বলে আশ্বাস দেন নরেন্দ্র মোদি। বলেন, নারীদের নিরাপত্তা, তরুণদের কর্মকসংস্থান ও অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেও স্মরণ করেন মোদি। বলেন, আগামী ২৫ বৈশাখ রবি ঠাকুরের জন্মদিনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার শপথ নেবে। মোদি বলেন, রবীন্দ্রনাথ যেমন ভয়মুক্ত মন ও পরিবেশ চেয়েছিলেন, বিজেপির শাসনে বাংলায় সেই পরিবেশ তৈরি হবে।
আগের নির্বাচনগুলোর কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের নির্বাচনে বন্দুকের আওয়াজ নয়, জনতা-জনার্দনের আওয়াজ শোনা গেছে। তাই বদলা নয়, বদলের কথা বলতে হবে। কে ভোট দিয়েছে, কে ভোট দেয়নি, তা ভুলে বাংলার জন্য কাজ করতে হবে।

ঘিয়ে রঙের তসর সিল্কের পাঞ্জাবি, সঙ্গে ঘিয়ে রঙেরই তসর সিল্কের কোঁচা দেওয়া ধুতি। কোঁচাটা আবার গোঁজা পাঞ্জাবির পকেটে। গলায় উত্তরীয়।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় এমন বাঙলি বেশেই নয়াদিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে দেখা গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে।
এ রাজ্যে টানা তিনবার ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেসকে হঠিয়ে তার দল বিজেপি যখন ক্ষমতায় আসার পথে, তখন দলীয় সদর দপ্তরে মোদির মুখের হাসিটা বেশ চওড়া। মঞ্চে বক্তৃতা দেওয়ার সময় তিনি ঘোষণা দিলেন, আসছে পঁচিশে বৈশাখ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতেই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।
পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যম এই সময়ের খবরে বলা হয়েছে, রাত সাড়ে ৯টার হালনাগাদ তথ্য বলছে, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৩টি আসনের মধ্যে ১৪৬টি আসনে এরই মধ্যে বিজেপি প্রার্থীদের জয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। বিপরীতে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত হয়েছে মাত্র ৫৩টি আসনে।
বিধানসভার এ নির্বাচনে সরকার গঠন করতে হলে কোনো দলের প্রয়োজনীয় ম্যাজিক নম্বরটি হলো ১৪৭। সে হিসাবে বিজেপির সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন আর মাত্র একটি আসন। আরও ৬৩টি আসনে এগিয়ে থাকায় এখন তাদের চূড়ান্ত জয় ঘোষণা সময়ের ব্যাপার মাত্র।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের এ জয়কে আগেই ‘অবিস্মরণীয়’ অভিহিত করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। ভাষণে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের সাধনা যখন সিদ্ধ হয়, তখন যে খুশি আসে, তা আজ দেশের সব বিজেপি সমর্থকের মুখে দেখছি। আমিও তাদের খুশিতে সামিল। আজকের দিন দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ঘোষণার দিন, ভরসার দিন।
এমন খুশির কারণ গোপন কিছু নয়। ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গে বাম সরকারের পতনের পর থেকে টানা তিন মেয়াদে ১৫ বছর ক্ষমতায় রয়েছে তৃণমূল। ওই নির্বাচন থেকেই পশ্চিমবঙ্গ জয়ের লক্ষ্যে জানপ্রাণ দিয়ে লড়ে যাচ্ছে বিজেপি। এর মধ্যে কেন্দ্রে মোদির নেতৃত্বে টানা জয় মিললেও বাংলা ভাষাভাষী এ রাজ্যে বিজেপি সুবিধা করে উঠতে পারছিল না মোটেও।
শেষ পর্যন্ত চতুর্থবারের চেষ্টায় তৃণমূল দুর্গে ফাটল ধরিয়ে পদ্মফুলের পতাকা উড়ল পশ্চিমবঙ্গে। মোদি বলেন, আমি বাংলা, অসম, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু ও কেরালার জনতাকে প্রণাম জানাই। বিজেপির কোটি-কোটি কার্যকর্তাকে হৃদয় থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনারা নতুন ইতিহাস রচনা করলেন।
মোদি জানান, বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেই তিনি জানিয়েছিলেন, গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত পদ্ম ফুটবে। আজ তাই-ই হয়েছে। বিহার, উড়িষ্যা হয়ে পশ্চিমবঙ্গেও ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি।
শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ টেনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা আজ শান্তি পেল। ১৯৫১ সালে জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা করে দেশের যুবকদের দেশপ্রেমের বার্তা দিয়েছিলেন। তিনি যে সশক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা কয়েক দশক ধরে পূরণ হওয়ার অপেক্ষায় ছিল। আজ বাংলার জনতা আমাদের সেই সুযোগ দিলেন। আজ বাংলার ইতিহাসে এক নয়া অধ্যায় যুক্ত হলো।
ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র, ষোগীরাজ অরবিন্দ ঘোষকেও শ্রদ্ধা জানান নরেন্দ্র মোদি। পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালায় বিজেপির নেতাকর্মীদের বহু অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে উল্লেখ করে নির্বাচনি সাফল্য তাদের সবার প্রতি উৎসর্গ করেন তিনি। বলেন, ‘বাংলার পবিত্র ভূমিতে আজ এক নতুন সূর্যোদয় হলো। বাংলার মানুষ তোষণ ও ভয়ের রাজনীতিকে ছুঁড়ে ফেলেছে। আজ থেকে বাংলা ভারতের উন্নয়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে, পা মিলিয়ে চলবে।’
পশ্চিমবঙ্গের সব মানুষের জন্য বিজেপি সরকার রাতদিন এক করে কাজ করবে বলে আশ্বাস দেন নরেন্দ্র মোদি। বলেন, নারীদের নিরাপত্তা, তরুণদের কর্মকসংস্থান ও অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেও স্মরণ করেন মোদি। বলেন, আগামী ২৫ বৈশাখ রবি ঠাকুরের জন্মদিনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার শপথ নেবে। মোদি বলেন, রবীন্দ্রনাথ যেমন ভয়মুক্ত মন ও পরিবেশ চেয়েছিলেন, বিজেপির শাসনে বাংলায় সেই পরিবেশ তৈরি হবে।
আগের নির্বাচনগুলোর কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের নির্বাচনে বন্দুকের আওয়াজ নয়, জনতা-জনার্দনের আওয়াজ শোনা গেছে। তাই বদলা নয়, বদলের কথা বলতে হবে। কে ভোট দিয়েছে, কে ভোট দেয়নি, তা ভুলে বাংলার জন্য কাজ করতে হবে।

এ বাউন্ডের ফল ঘোষণার পর দেখা গেছে, পদ্মফুলের প্রার্থী শুভেন্দু পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৩৮৬ ভোট। অন্যদিকে জোড়া ফুলের মমতা পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৮৩২ ভোট। সে হিসাবে মমতার চেয়ে ৫৬৩ ভোটে এগিয়ে গেছেন শুভেন্দু।
২ ঘণ্টা আগে
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার জিএমটি সময় ১১টা ২৪ পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ দশমিক ৬৪ ডলার বা ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১১১ দশমিক ৮১ ডলারে। এর আগে শুক্রবার এই সূচক ২ দশমিক ২৩ ডলার কমে শেষ হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে আরও অনেক বাকি থাকলেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের জয়ের ঘোষণাই দিয়ে বসেছেন। একে অভিহিত করেছেন ‘অবিস্মরণীয় জয়’ হিসেবে। এ জয়ের জন্য পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি মানুষকে প্রণামও জানিয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালির কাছে জাস্ক উপকূলে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার দাবি করেছে আইআরজিসি। তবে আইআরজিসির দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
৫ ঘণ্টা আগে