
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি ও সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধের আন্তর্জাতিক সমঝোতা উপেক্ষা করেই দক্ষিণ লেবাননে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুন) দক্ষিণ লেবাননের নাবতিয়েহ গভর্নরেটের মায়ফাদুন ও শুকিন এলাকায় ড্রোন থেকে গাড়ি লক্ষ্য করে চালানো এসব হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যখন একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির প্রক্রিয়া চলছে, ঠিক তখনই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দক্ষিণ লেবানন দখল রাখার ঘোষণা এবং এই নতুন হামলায় অঞ্চলটিতে আবারও চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
তবে চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া প্রকাশ না হওয়ার মধ্যেই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা দিয়েছেন যে, দক্ষিণ লেবানন তাদের দখলেই থাকবে। বিপরীতে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই যুদ্ধাবস্থা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী সরে না আসা পর্যন্ত যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হয়েছে বলে ধরা যায় না। দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার না করলে ইসরায়েলকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলেও হুমকি দিয়েছে তেহরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড।
এই সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে লেবাননের পার্লামেন্ট স্পিকার নাবিহ বেরির সঙ্গে ফোনালাপে ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ইসরায়েলকে যুদ্ধ বন্ধ, বাড়িঘর ধ্বংস করা থেকে বিরত থাকা এবং লেবানিজ ভূখণ্ড থেকে সরে যেতে বাধ্য করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ প্রয়োগ করা জরুরি। এদিকে, ইরান লেবাননকে আশ্বস্ত করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার পরবর্তী ধাপে তারা ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলবে।
অন্যদিকে, নাবতিয়েহ অঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম অনিশ্চয়তা ও হতাশা। মোহাম্মদ নাসের নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, ইসরায়েলি শত্রুকে বিশ্বাস করার কোনো উপায় নেই, তাই তারা কখনোই নিজেদের নিরাপদ মনে করতে পারছেন না। আরেক বাসিন্দা হোসেন বদরেদ্দিনের ভাষ্য, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নব্বইয়ের দশকের মতো অঞ্চলটি দখলের চেষ্টা করছে, তবে প্রতিরোধ যোদ্ধারা তাদের সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে দিচ্ছে না।

যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি ও সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধের আন্তর্জাতিক সমঝোতা উপেক্ষা করেই দক্ষিণ লেবাননে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুন) দক্ষিণ লেবাননের নাবতিয়েহ গভর্নরেটের মায়ফাদুন ও শুকিন এলাকায় ড্রোন থেকে গাড়ি লক্ষ্য করে চালানো এসব হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যখন একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির প্রক্রিয়া চলছে, ঠিক তখনই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দক্ষিণ লেবানন দখল রাখার ঘোষণা এবং এই নতুন হামলায় অঞ্চলটিতে আবারও চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
তবে চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া প্রকাশ না হওয়ার মধ্যেই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা দিয়েছেন যে, দক্ষিণ লেবানন তাদের দখলেই থাকবে। বিপরীতে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই যুদ্ধাবস্থা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী সরে না আসা পর্যন্ত যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হয়েছে বলে ধরা যায় না। দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার না করলে ইসরায়েলকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলেও হুমকি দিয়েছে তেহরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড।
এই সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে লেবাননের পার্লামেন্ট স্পিকার নাবিহ বেরির সঙ্গে ফোনালাপে ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ইসরায়েলকে যুদ্ধ বন্ধ, বাড়িঘর ধ্বংস করা থেকে বিরত থাকা এবং লেবানিজ ভূখণ্ড থেকে সরে যেতে বাধ্য করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ প্রয়োগ করা জরুরি। এদিকে, ইরান লেবাননকে আশ্বস্ত করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার পরবর্তী ধাপে তারা ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলবে।
অন্যদিকে, নাবতিয়েহ অঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম অনিশ্চয়তা ও হতাশা। মোহাম্মদ নাসের নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, ইসরায়েলি শত্রুকে বিশ্বাস করার কোনো উপায় নেই, তাই তারা কখনোই নিজেদের নিরাপদ মনে করতে পারছেন না। আরেক বাসিন্দা হোসেন বদরেদ্দিনের ভাষ্য, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নব্বইয়ের দশকের মতো অঞ্চলটি দখলের চেষ্টা করছে, তবে প্রতিরোধ যোদ্ধারা তাদের সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে দিচ্ছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউজের লনে আয়োজিত ‘আলটিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ’ (ইউএফসি) মিক্সড মার্শাল আর্টস ইভেন্টে একটি বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ করার দাবি করছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই। গতকাল মঙ্গলবার তারা এ দাবি করে।
৮ ঘণ্টা আগে
জি-৭ সম্মেলনের এই বিশেষ অধিবেশনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, ইতালি, জাপান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনের সাইডলাইনে প্রেসিডেন্ট জেলেঙ্কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও'র সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সামাজি
১২ ঘণ্টা আগে
তিনটি গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান সংঘাত ইরানকে বুঝিয়ে দিয়েছে— হরমুজ প্রণালি সাময়িকভাবে অচল করে দিলেই বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ, বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে বিশাল ধাক্কা দেওয়া সম্ভব। ফলে যুদ্ধ শেষ হলেও ভবিষ্যতের যেকোনো সংকটে এই কৌশল
২১ ঘণ্টা আগে