
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফ্রান্সের ইভিয়ান-লে-বাঁ শহরে চলমান জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ইউক্রেন সংকট নিরসনে নতুন আশার বাণী শোনালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার পর ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে তিনি তার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবেন।
গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুন) সম্মেলনের এক ফাঁকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমি সাধ্যমতো সবকিছুই করব। রণক্ষেত্রে উভয় পক্ষের বিপুল সংখ্যক তরুণ প্রাণ হারাচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। রাশিয়াকে অবশ্যই একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে।”
নিজের কূটনৈতিক দক্ষতার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প দাবি করেন, অতীতে তিনি আটটি যুদ্ধ মিটিয়েছেন এবং ইউক্রেন যুদ্ধটিই তার কাছে সবচেয়ে সহজ মনে হচ্ছে। তবে তার এই দাবি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে কিছুটা বিতর্ক রয়েছে।
জি-৭ সম্মেলনের এই বিশেষ অধিবেশনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, ইতালি, জাপান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনের সাইডলাইনে প্রেসিডেন্ট জেলেঙ্কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও'র সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) জেলেঙ্কি জানান, তার প্রধান লক্ষ্য ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে রাশিয়াকে যুদ্ধ বন্ধে বাধ্য করা।
জেলেনস্কি আরও জানান, জি-৭ নেতাদের কাছ থেকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র, সেগুলো তৈরির লাইসেন্স, শীতকালীন সহায়তা প্যাকেজ এবং রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি। এসব ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র পূর্ণ সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে। জেলেঙ্কি দৃঢ়তার সাথে বলেন, ‘রাশিয়াকে বুঝিয়ে দিতে হবে যে তাদের এই আগ্রাসন কোনোভাবেই স্বাভাবিক হিসেবে গণ্য হবে না।’
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লেয়েন বৈঠকের ইতিবাচক আবহ তুলে ধরে বলেন, ‘২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। ইউক্রেন সাহসিকতার সাথে ফ্রন্টলাইন ধরে রেখেছে এবং রাশিয়ার দুর্বলতা এখন স্পষ্ট। এটিই আমাদের সমর্থন দ্বিগুণ করার উপযুক্ত সময়।’
এদিকে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে আলোচনার আরেকটি প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি চুক্তি। হরমুজ প্রণালী দ্রুত উন্মুক্ত করার পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি রুট তৈরির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেছেন নেতারা। সম্মেলনের আয়োজক ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানান, একটি শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য চুক্তিতে পৌঁছানোই এখন তাদের প্রধান অগ্রাধিকার। এই প্রণালীতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য যৌথভাবে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, শুক্রবার জেনেভায় আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পর হরমোজ প্রণালী পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়ে যাবে। গত সোমবার ডিজিটালভাবে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মাধ্যমে পরবর্তী ৬০ দিন আলোচনার একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে, যেখানে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং দেশটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো জটিল বিষয়গুলো উঠে আসবে। ট্রাম্প আশাবাদী যে, ইরানের সাথে দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনা আরও সহজ হবে।

ফ্রান্সের ইভিয়ান-লে-বাঁ শহরে চলমান জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ইউক্রেন সংকট নিরসনে নতুন আশার বাণী শোনালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার পর ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে তিনি তার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবেন।
গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুন) সম্মেলনের এক ফাঁকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমি সাধ্যমতো সবকিছুই করব। রণক্ষেত্রে উভয় পক্ষের বিপুল সংখ্যক তরুণ প্রাণ হারাচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। রাশিয়াকে অবশ্যই একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে।”
নিজের কূটনৈতিক দক্ষতার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প দাবি করেন, অতীতে তিনি আটটি যুদ্ধ মিটিয়েছেন এবং ইউক্রেন যুদ্ধটিই তার কাছে সবচেয়ে সহজ মনে হচ্ছে। তবে তার এই দাবি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে কিছুটা বিতর্ক রয়েছে।
জি-৭ সম্মেলনের এই বিশেষ অধিবেশনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, ইতালি, জাপান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনের সাইডলাইনে প্রেসিডেন্ট জেলেঙ্কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও'র সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) জেলেঙ্কি জানান, তার প্রধান লক্ষ্য ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে রাশিয়াকে যুদ্ধ বন্ধে বাধ্য করা।
জেলেনস্কি আরও জানান, জি-৭ নেতাদের কাছ থেকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র, সেগুলো তৈরির লাইসেন্স, শীতকালীন সহায়তা প্যাকেজ এবং রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি। এসব ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র পূর্ণ সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে। জেলেঙ্কি দৃঢ়তার সাথে বলেন, ‘রাশিয়াকে বুঝিয়ে দিতে হবে যে তাদের এই আগ্রাসন কোনোভাবেই স্বাভাবিক হিসেবে গণ্য হবে না।’
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লেয়েন বৈঠকের ইতিবাচক আবহ তুলে ধরে বলেন, ‘২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। ইউক্রেন সাহসিকতার সাথে ফ্রন্টলাইন ধরে রেখেছে এবং রাশিয়ার দুর্বলতা এখন স্পষ্ট। এটিই আমাদের সমর্থন দ্বিগুণ করার উপযুক্ত সময়।’
এদিকে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে আলোচনার আরেকটি প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি চুক্তি। হরমুজ প্রণালী দ্রুত উন্মুক্ত করার পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি রুট তৈরির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেছেন নেতারা। সম্মেলনের আয়োজক ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানান, একটি শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য চুক্তিতে পৌঁছানোই এখন তাদের প্রধান অগ্রাধিকার। এই প্রণালীতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য যৌথভাবে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, শুক্রবার জেনেভায় আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পর হরমোজ প্রণালী পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়ে যাবে। গত সোমবার ডিজিটালভাবে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মাধ্যমে পরবর্তী ৬০ দিন আলোচনার একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে, যেখানে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং দেশটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো জটিল বিষয়গুলো উঠে আসবে। ট্রাম্প আশাবাদী যে, ইরানের সাথে দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনা আরও সহজ হবে।

চীনের প্রতিবেশী দেশ নেপালে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান তৎপরতা নিয়ে বেইজিংয়ের ‘উদ্বেগে’র ইঙ্গিত দিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। নেপালের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে তিনি নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানালকে বলেছেন, ‘দূরের আত্মীয়ের চেয়ে কাছের প্রতিবেশী অনেক ভাল
১ দিন আগে
ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ২৭ মিনিটে এই শক্তিশালী ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর কেন্দ্রস্থল ছিল দেশটির মধ্য সুলাওয়েসি প্রদেশের রাজধানী পালু শহর থেকে প্রায় ৪৬ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্বে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার (৬.২১ মাইল) গভীরে।
১ দিন আগে
যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর লক্ষ্য ছিল ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ তৈরি করে দেশটির শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করা এবং মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্য নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসা। কিন্তু তিন মাসেরও বেশি সময়ের সংঘাতের পর ট্রাম্প এখন যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসতে আগ্রহী হলেও নেতানিয়াহু এখনো মনে করছেন, ইরানকে যথেষ্ট
১ দিন আগে
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লায়েন বলেন, এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো চুক্তিটি দ্রুত ও পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা। তিনি হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের টোল ছাড়া অবাধ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান।
১ দিন আগে