
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান দাবি করেছেন ছাত্র-জনতার ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা গত বছরের আগস্টে দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। রাজনৈতিক এই পটপরিবর্তনের ঘটনায় গুঞ্জন-জল্পনায় অনেকেই সামনে আনেন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার কথা। তবে এসব ঘটনাপ্রবাহে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো হাত ছিল না।
ভারত সফর থেকে ফিরে স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে হোয়াইট হাউসের রুজভেল্ট রুমে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি এ দাবি করেন।
হাসিনার পতনে যুক্তরাষ্ট্রের কলকাঠি নাড়ার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান বলেন, শেখ হাসিনার পতনে যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনও ধরনের ভূমিকা নেই, সেটা ভারতীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বিশ্বাস করেন।
তিনি বলেন, বাইডেন প্রশাসনের একটি উল্লেখযোগ্য সফলতা মার্কিন-ভারত সম্পর্ক যা উভয় দেশের মধ্যে আস্থা এবং কৌশলগত বিনিয়োগে মাধ্যমে গড়ে উঠেছে।
সুলিভানকে প্রশ্ন করা হয়, মার্কিন ‘ডিপ স্টেট’ ভারতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ তুলেছে ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপি— এই প্রেক্ষাপটে বাইডেন প্রশাসনের অধীনে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অবনতি নিয়ে তার মন্তব্য কী। তাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডিপ স্টেটের নেতৃত্বদানকারী’ হিসেবে দেখা হয়, এমন অবস্থান থেকে তিনি কীভাবে এসব প্রশ্নের জবাব দেবেন?
জবাবে সুলিভান বলেন, আমি বিনয়ের সঙ্গে এই ধারণা প্রত্যাখ্যান করতে চাই যে, আমি ডিপ স্টেটের নেতৃত্বে আছি এবং সেই সঙ্গে এই ধারণাও প্রত্যাখ্যান করব যে, বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর পেছনে আমেরিকার হাত ছিল। বিষয়টি একেবারেই অবাস্তব। জ্যেষ্ঠ ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর আমি মনে করি না যে, তারাও এটা বিশ্বাস করেন।
অবশ্য হাসিনাকে উৎখাতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও ভূমিকা নেই বলে আগেই জানিয়েছিল ওয়াশিংটন। এমনকি বাংলাদেশে মার্কিন হস্তক্ষেপের অভিযোগ কেবলই মিথ্যা বলেও গত বছরের আগস্টে আখ্যায়িত করে দেশটি।
সংবাদমাধ্যম বলছে, বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পালাবদল ঘটেছে এই কয়েক মাস আগেই। সস্প্রতি দিল্লি সফর সম্পন্ন করেছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান। তিনি বলেছেন, ঢাকায় যা ঘটেছে, তার নেপথ্যে ওয়াশিংটনের হাত থাকতে পারে বলে যে ধারণা তৈরি হয়েছে, তা ভিত্তিহীন এবং ভুয়া।
তিনি আরও বলেছেন, ভারতের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও বিশ্বাস করেন না যে— বাংলাদেশের ঘটনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও সংশ্লিষ্টতা আছে।
মূলত গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে পালানোর পর ভারতের ইকোনমিক টাইমস পত্রিকা তাদের একটি প্রতিবেদনে হাসিনাকে উদ্ধৃত করে বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্র তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করেছে কারণ তারা (যুক্তরাষ্ট্র) বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ চায়।
পত্রিকাটি সেসময় আরও বলেছিল, হাসিনা তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মাধ্যমে পত্রিকাটির কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন। তবে হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ পরে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, তিনি (হাসিনা) কখনোই এ ধরনের কোনো বক্তব্য দেননি।

যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান দাবি করেছেন ছাত্র-জনতার ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা গত বছরের আগস্টে দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। রাজনৈতিক এই পটপরিবর্তনের ঘটনায় গুঞ্জন-জল্পনায় অনেকেই সামনে আনেন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার কথা। তবে এসব ঘটনাপ্রবাহে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো হাত ছিল না।
ভারত সফর থেকে ফিরে স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে হোয়াইট হাউসের রুজভেল্ট রুমে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি এ দাবি করেন।
হাসিনার পতনে যুক্তরাষ্ট্রের কলকাঠি নাড়ার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান বলেন, শেখ হাসিনার পতনে যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনও ধরনের ভূমিকা নেই, সেটা ভারতীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বিশ্বাস করেন।
তিনি বলেন, বাইডেন প্রশাসনের একটি উল্লেখযোগ্য সফলতা মার্কিন-ভারত সম্পর্ক যা উভয় দেশের মধ্যে আস্থা এবং কৌশলগত বিনিয়োগে মাধ্যমে গড়ে উঠেছে।
সুলিভানকে প্রশ্ন করা হয়, মার্কিন ‘ডিপ স্টেট’ ভারতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ তুলেছে ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপি— এই প্রেক্ষাপটে বাইডেন প্রশাসনের অধীনে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অবনতি নিয়ে তার মন্তব্য কী। তাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডিপ স্টেটের নেতৃত্বদানকারী’ হিসেবে দেখা হয়, এমন অবস্থান থেকে তিনি কীভাবে এসব প্রশ্নের জবাব দেবেন?
জবাবে সুলিভান বলেন, আমি বিনয়ের সঙ্গে এই ধারণা প্রত্যাখ্যান করতে চাই যে, আমি ডিপ স্টেটের নেতৃত্বে আছি এবং সেই সঙ্গে এই ধারণাও প্রত্যাখ্যান করব যে, বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর পেছনে আমেরিকার হাত ছিল। বিষয়টি একেবারেই অবাস্তব। জ্যেষ্ঠ ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর আমি মনে করি না যে, তারাও এটা বিশ্বাস করেন।
অবশ্য হাসিনাকে উৎখাতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও ভূমিকা নেই বলে আগেই জানিয়েছিল ওয়াশিংটন। এমনকি বাংলাদেশে মার্কিন হস্তক্ষেপের অভিযোগ কেবলই মিথ্যা বলেও গত বছরের আগস্টে আখ্যায়িত করে দেশটি।
সংবাদমাধ্যম বলছে, বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পালাবদল ঘটেছে এই কয়েক মাস আগেই। সস্প্রতি দিল্লি সফর সম্পন্ন করেছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান। তিনি বলেছেন, ঢাকায় যা ঘটেছে, তার নেপথ্যে ওয়াশিংটনের হাত থাকতে পারে বলে যে ধারণা তৈরি হয়েছে, তা ভিত্তিহীন এবং ভুয়া।
তিনি আরও বলেছেন, ভারতের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও বিশ্বাস করেন না যে— বাংলাদেশের ঘটনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও সংশ্লিষ্টতা আছে।
মূলত গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে পালানোর পর ভারতের ইকোনমিক টাইমস পত্রিকা তাদের একটি প্রতিবেদনে হাসিনাকে উদ্ধৃত করে বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্র তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করেছে কারণ তারা (যুক্তরাষ্ট্র) বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ চায়।
পত্রিকাটি সেসময় আরও বলেছিল, হাসিনা তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মাধ্যমে পত্রিকাটির কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন। তবে হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ পরে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, তিনি (হাসিনা) কখনোই এ ধরনের কোনো বক্তব্য দেননি।

ইউক্রেনের ব্যাপক ড্রোন হামলায় রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে একদিনে ৮৪টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে রুশ কর্তৃপক্ষ। এর জেরে রাজধানীর চারটি প্রধান বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। অন্যদিকে রাশিয়ার পালটা হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৩ বছর বয়সী এক
৬ ঘণ্টা আগে
গালফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, রোববার (২১ জুন) শেষ রাতের দিকে রাস লাফানের বারজানের একটি অভ্যন্তরীণ গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই সময় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, জরুরি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ওয়েস্টমিনস্টারে ফিরে আসা বার্নহ্যাম সোমবার (২২ জুন) হাউজ অব কমন্সে শপথ নেন। হাউজ অব কমন্সে তার শপথ গ্রহণ ঘিরে লেবার পার্টির এমপিদের উচ্ছ্বাস ও দলটির জ্যেষ্ঠ নেতাদের প্রকাশ্য সমর্থন নতুন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তাকে স্পষ্টভাবে এগিয়ে দিয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
অথচ এর আগে যুক্তরাজ্যের রাজনীতি ছিল যথেষ্ট স্থিতিশীল। গত শতকের শেষ চতুর্ভাগে প্রায় ১১ বছর প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন লৌহমানবীখ্যাত মার্গারেট থ্যাচার।
১ দিন আগে