
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক বিশেষ নির্বাহী আদেশে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডের তিনটি আঞ্চলিক শাখাকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ওয়াশিংটনে স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা। নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা শাখাগুলো হলো মিশর, লেবানন ও জর্ডানের মুসলিম ব্রাদারহুড।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের প্রতিদ্বন্দ্বীদের ওপর ওয়াশিংটন তার চাপ আরও বাড়িয়ে দিল। তবে মুসলিম ব্রাদারহুড ও এর শাখাগুলো বরাবরই সহিংসতার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও পৃথক বিবৃতিতে জানান, লেবাননের মুসলিম ব্রাদারহুডকে (আল-জামা আল-ইসলামিয়া) ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ (এফটিও) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া কঠোরতম পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা। একই সঙ্গে সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ ফাওজি তাক্কোশকেও বিশেষভাবে চিহ্নিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
মার্কো রুবিও বলেন, মুসলিম ব্রাদারহুডের সহিংসতা ও অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ড যেখানেই ঘটুক না কেন, তা প্রতিহত করার একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রচেষ্টার এটিই প্রথম ধাপ। যুক্তরাষ্ট্র তার হাতে থাকা সব ধরনের উপায় ব্যবহার করে এদের সম্পদ ও কার্যক্রম খর্ব করবে।
ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এ সংগঠনগুলো ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাসকে ‘বস্তুগত সহায়তা’ প্রদান করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলি স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে লেবানন শাখা হিজবুল্লাহর সঙ্গে মিলে ইসরায়েলের ওপর রকেট হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
স্টেট ডিপার্টমেন্টের ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এ পদক্ষেপে ব্রাদারহুডের আর্থিক উৎসগুলো বন্ধ হয়ে যাবে এবং সংগঠনগুলোর সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ হবে।
এদিকে লেবাননের পার্লামেন্ট সদস্য ইমাদ আল-হুত এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞা কেবল মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থ রক্ষার কৌশল। একই সঙ্গে জর্ডানও এই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানিয়েছে। দেশটি বলছে, গত এক বছর ধরে গাজা যুদ্ধের প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার কারণেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের লক্ষ্যবস্তু করেছে।
অন্যদিকে মিশর সরকার এই ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপে কাতার ও তুরস্কের মতো মার্কিন মিত্রদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপড়েন তৈরি হতে পারে।
১৯২৮ সালে মুসলিম স্কলার হাসান আল-বান্না প্রতিষ্ঠা করেন মুসলিম ব্রাদারহুড। রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক সংগঠন আকারে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে এর শাখা-প্রশাখা রয়েছে সংগঠনটির।
লেবাননে ‘আল-জামা আল-ইসলামিয়া’ নামে এই গোষ্ঠীটি পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব করে। জর্ডানে তাদের রাজনৈতিক শাখা ‘ইসলামিক অ্যাকশন ফ্রন্ট’ ২০২৪ সালের নির্বাচনে ৩১টি আসন জিতেছে। তবে গত বছর জর্ডান সরকার নাশকতার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তাদের নিষিদ্ধ করে।
মিশরে ২০১২ সালে প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল মুসলিম ব্রাদারহুড। কিন্তু ২০১৩ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।
এরপর থেকে কায়রো এই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ব্যাপক দমন-পীড়ন চালায়। মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে একটি ‘যুগান্তকারী পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তে দেশটির ভেতরেও প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ফ্লোরিডা ও টেক্সাসের রিপাবলিকান গভর্নররা এই অজুহাতে দেশটির অন্যতম প্রধান মুসলিম নাগরিক অধিকার সংস্থা ‘কেয়ার’ (সিএআইআর)-এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক বিশেষ নির্বাহী আদেশে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডের তিনটি আঞ্চলিক শাখাকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ওয়াশিংটনে স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা। নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা শাখাগুলো হলো মিশর, লেবানন ও জর্ডানের মুসলিম ব্রাদারহুড।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের প্রতিদ্বন্দ্বীদের ওপর ওয়াশিংটন তার চাপ আরও বাড়িয়ে দিল। তবে মুসলিম ব্রাদারহুড ও এর শাখাগুলো বরাবরই সহিংসতার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও পৃথক বিবৃতিতে জানান, লেবাননের মুসলিম ব্রাদারহুডকে (আল-জামা আল-ইসলামিয়া) ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ (এফটিও) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া কঠোরতম পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা। একই সঙ্গে সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ ফাওজি তাক্কোশকেও বিশেষভাবে চিহ্নিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
মার্কো রুবিও বলেন, মুসলিম ব্রাদারহুডের সহিংসতা ও অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ড যেখানেই ঘটুক না কেন, তা প্রতিহত করার একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রচেষ্টার এটিই প্রথম ধাপ। যুক্তরাষ্ট্র তার হাতে থাকা সব ধরনের উপায় ব্যবহার করে এদের সম্পদ ও কার্যক্রম খর্ব করবে।
ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এ সংগঠনগুলো ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাসকে ‘বস্তুগত সহায়তা’ প্রদান করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলি স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে লেবানন শাখা হিজবুল্লাহর সঙ্গে মিলে ইসরায়েলের ওপর রকেট হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
স্টেট ডিপার্টমেন্টের ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এ পদক্ষেপে ব্রাদারহুডের আর্থিক উৎসগুলো বন্ধ হয়ে যাবে এবং সংগঠনগুলোর সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ হবে।
এদিকে লেবাননের পার্লামেন্ট সদস্য ইমাদ আল-হুত এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞা কেবল মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থ রক্ষার কৌশল। একই সঙ্গে জর্ডানও এই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানিয়েছে। দেশটি বলছে, গত এক বছর ধরে গাজা যুদ্ধের প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার কারণেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের লক্ষ্যবস্তু করেছে।
অন্যদিকে মিশর সরকার এই ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপে কাতার ও তুরস্কের মতো মার্কিন মিত্রদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপড়েন তৈরি হতে পারে।
১৯২৮ সালে মুসলিম স্কলার হাসান আল-বান্না প্রতিষ্ঠা করেন মুসলিম ব্রাদারহুড। রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক সংগঠন আকারে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে এর শাখা-প্রশাখা রয়েছে সংগঠনটির।
লেবাননে ‘আল-জামা আল-ইসলামিয়া’ নামে এই গোষ্ঠীটি পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব করে। জর্ডানে তাদের রাজনৈতিক শাখা ‘ইসলামিক অ্যাকশন ফ্রন্ট’ ২০২৪ সালের নির্বাচনে ৩১টি আসন জিতেছে। তবে গত বছর জর্ডান সরকার নাশকতার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তাদের নিষিদ্ধ করে।
মিশরে ২০১২ সালে প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল মুসলিম ব্রাদারহুড। কিন্তু ২০১৩ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।
এরপর থেকে কায়রো এই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ব্যাপক দমন-পীড়ন চালায়। মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে একটি ‘যুগান্তকারী পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তে দেশটির ভেতরেও প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ফ্লোরিডা ও টেক্সাসের রিপাবলিকান গভর্নররা এই অজুহাতে দেশটির অন্যতম প্রধান মুসলিম নাগরিক অধিকার সংস্থা ‘কেয়ার’ (সিএআইআর)-এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

ইউরোপে উদ্দেশে রওনা হওয়া অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি নৌকা গত সপ্তাহে লিবিয়া উপকূলে ডুবে গিয়ে অন্তত ৫১ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানিয়েছে পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘আবরিন’। এ দুর্ঘটনায় গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা এবং নিখোঁজদের মধ্যে ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, বাকিদের হদিস মেলেনি।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৯ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
১০ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
১২ ঘণ্টা আগে