
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানায়, দেশটির টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা আংশিক সচল হওয়ার পর হতাহতের এই শিউরে ওঠা তথ্য সামনে আসছে।
কোনো কোনো সূত্রের দাবি, প্রকৃত নিহতের সংখ্যা ২০ হাজার পর্যন্ত হতে পারে। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী বিভিন্ন হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে আহতদের তথ্য সংগ্রহ করছে বলে জানা গেছে, যা জনমনে আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সিবিএস নিউজ জানায়, টেলিফোন লাইনের সংযোগ ধীরে ধীরে সচল হওয়ায় এখন যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে। এরমধ্যে দুটি সূত্র জানায়, গত কয়েকদিনের বিক্ষোভে অন্তত ১২ হাজার মানুষ মারা গেছে। তবে এ সংখ্যা ২০ হাজার হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার দেশটির পার্লামেন্টে জানান, তাদের ধারণা ইরানে বিক্ষোভে ২ হাজার মানুষ নিহত হন। তবে এ সংখ্যা ধারণার চেয়ে বেশি হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
মঙ্গলবার টেলিফোন যোগাযোগ স্বাভাবিক হলেও ইরানের বাইরে কেউ ফোন করতে পারেনি। তবে সিবিএসের একটি সূত্র বাইরে খবর পাঠাতে পেরেছেন।
একই সূত্র আরও জানায়, নিরাপত্তা বাহিনী বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। তারা আহতদের পরিচয়সহ অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করছে।
লন্ডন থেকে পরিচালিত সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানায়, তারাও ১২ হাজার বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম সিবিএস জানায়, ওয়াশিংটনের একটি সূত্র তার ইরানের সূত্রের মাধ্যমে জানতে পেরেছে, গত কয়েকদিনের বিক্ষোভে ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ মারা গেছে।

ইরানে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানায়, দেশটির টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা আংশিক সচল হওয়ার পর হতাহতের এই শিউরে ওঠা তথ্য সামনে আসছে।
কোনো কোনো সূত্রের দাবি, প্রকৃত নিহতের সংখ্যা ২০ হাজার পর্যন্ত হতে পারে। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী বিভিন্ন হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে আহতদের তথ্য সংগ্রহ করছে বলে জানা গেছে, যা জনমনে আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সিবিএস নিউজ জানায়, টেলিফোন লাইনের সংযোগ ধীরে ধীরে সচল হওয়ায় এখন যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে। এরমধ্যে দুটি সূত্র জানায়, গত কয়েকদিনের বিক্ষোভে অন্তত ১২ হাজার মানুষ মারা গেছে। তবে এ সংখ্যা ২০ হাজার হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার দেশটির পার্লামেন্টে জানান, তাদের ধারণা ইরানে বিক্ষোভে ২ হাজার মানুষ নিহত হন। তবে এ সংখ্যা ধারণার চেয়ে বেশি হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
মঙ্গলবার টেলিফোন যোগাযোগ স্বাভাবিক হলেও ইরানের বাইরে কেউ ফোন করতে পারেনি। তবে সিবিএসের একটি সূত্র বাইরে খবর পাঠাতে পেরেছেন।
একই সূত্র আরও জানায়, নিরাপত্তা বাহিনী বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। তারা আহতদের পরিচয়সহ অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করছে।
লন্ডন থেকে পরিচালিত সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানায়, তারাও ১২ হাজার বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম সিবিএস জানায়, ওয়াশিংটনের একটি সূত্র তার ইরানের সূত্রের মাধ্যমে জানতে পেরেছে, গত কয়েকদিনের বিক্ষোভে ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ মারা গেছে।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আঞ্চলিক দুটি সূত্র জানায়, শুক্রবারই চুক্তিটি সই হওয়ার কথা। পরে এক তুর্কি কর্মকর্তাও বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে আরেকটি আঞ্চলিক সূত্রের ভাষ্য, চুক্তিটি সই হলেও শুক্রবারই তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
৬ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় ননথাবুরি প্রদেশের বাং কুরাই জেলায় এ ঘটনা ঘটে। হামলার সময় স্কুলে নিয়মিত কার্যক্রম চলছিল।
৮ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে ট্রাম্পের সামনে মূলত দুটি পথ খোলা— ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনায় থাকা একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি মেনে নেওয়া, যা কার্যকর হলে যুদ্ধের আগে কখনো না পাওয়া হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণের একটি অংশ পাবে তেহরান; অন্য পথে ট্রাম্প চাইলে তার দেওয়া হুঁশিয়ারি অনুযায়ী সামরিক অভিযান আরও জোরদার করতে পারেন, যাতে
১২ ঘণ্টা আগে
এ বিষয়ে অবগত সূত্রগুলোর ভাষ্য, উপসাগর জুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত রাখাই ছিল ইরানের বৃহত্তর কৌশলের অংশ। ২৮ জুলাই ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি নেটওয়ার্ক ও অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দেওয়ার পর উচ্চপর্যায়ের একাধিক কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে এ
১ দিন আগে