
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানি তেল আমদানির অভিযোগে চীন ও গ্রিসের কয়েকটি কোম্পানি ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানের তেল রপ্তানি থেকে প্রাপ্ত অর্থ দেশটির অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যয় হয়, যা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর ও ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট একযোগে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করেছে।
গত বুধবার এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর জানায়, ইরান থেকে ‘লাখ লাখ ব্যারেল’ অপরিশোধিত তেল আমদানি করার অভিযোগে চীনের দু’টি তেল টার্মিনাল অপারেটর কোম্পানির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। একইসঙ্গে ইরানি তেল বহনে ব্যবহৃত একাধিক ট্যাংকারকেও এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়।
অন্যদিকে, ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে গ্রিক নাগরিক অ্যান্টোনিওস মার্গারিটিস ও তার নেটওয়ার্কভুক্ত কোম্পানি এবং জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অভিযোগ, শিপিং শিল্পে নিজের অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে ইরানি পেট্রোলিয়াম আমদানি করেছেন তিনি। ইরানি তেল রপ্তানিতে সহায়তা করার অভিযোগে আরও কয়েকটি ভেসেল ও অপারেটর কোম্পানিকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়।
যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে, ইরানের তেল রপ্তানির মাধ্যমে অর্জিত আয় দেশটির অত্যাধুনিক অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যয় হয়। ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে দাবি করেন, “এই পদক্ষেপগুলি ইরানের অত্যাধুনিক অস্ত্র কর্মসূচি অর্থায়ন, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলিকে সমর্থন এবং আমাদের সৈন্যদের ও আমাদের মিত্রদের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলার ক্ষমতাকে খর্ব করে।”
যুক্তরাষ্ট্রের ইরান বিরোধী নিষেধাজ্ঞা তীব্র হওয়া সত্ত্বেও গত কয়েক মাসে ইরানের প্রধান আমদানিকারক দেশে তেল রপ্তানি অব্যাহত রয়েছে বলে পরিসংখ্যানে জানা গেছে।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি

ইরানি তেল আমদানির অভিযোগে চীন ও গ্রিসের কয়েকটি কোম্পানি ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানের তেল রপ্তানি থেকে প্রাপ্ত অর্থ দেশটির অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যয় হয়, যা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর ও ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট একযোগে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করেছে।
গত বুধবার এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর জানায়, ইরান থেকে ‘লাখ লাখ ব্যারেল’ অপরিশোধিত তেল আমদানি করার অভিযোগে চীনের দু’টি তেল টার্মিনাল অপারেটর কোম্পানির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। একইসঙ্গে ইরানি তেল বহনে ব্যবহৃত একাধিক ট্যাংকারকেও এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়।
অন্যদিকে, ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে গ্রিক নাগরিক অ্যান্টোনিওস মার্গারিটিস ও তার নেটওয়ার্কভুক্ত কোম্পানি এবং জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অভিযোগ, শিপিং শিল্পে নিজের অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে ইরানি পেট্রোলিয়াম আমদানি করেছেন তিনি। ইরানি তেল রপ্তানিতে সহায়তা করার অভিযোগে আরও কয়েকটি ভেসেল ও অপারেটর কোম্পানিকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়।
যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে, ইরানের তেল রপ্তানির মাধ্যমে অর্জিত আয় দেশটির অত্যাধুনিক অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যয় হয়। ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে দাবি করেন, “এই পদক্ষেপগুলি ইরানের অত্যাধুনিক অস্ত্র কর্মসূচি অর্থায়ন, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলিকে সমর্থন এবং আমাদের সৈন্যদের ও আমাদের মিত্রদের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলার ক্ষমতাকে খর্ব করে।”
যুক্তরাষ্ট্রের ইরান বিরোধী নিষেধাজ্ঞা তীব্র হওয়া সত্ত্বেও গত কয়েক মাসে ইরানের প্রধান আমদানিকারক দেশে তেল রপ্তানি অব্যাহত রয়েছে বলে পরিসংখ্যানে জানা গেছে।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্যমতে, ক্যাপ্টেন হকিন্স বলেছেন, হামলাগুলো বন্দর আব্বাসের কাছাকাছি একটি এলাকাকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। বন্দর আব্বাস ইরানের দক্ষিণের একটি বন্দর শহর এবং হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত একটি ইরানি নৌঘাঁটির আবাসস্থল।
৩ ঘণ্টা আগে
দুই মার্কিন কর্মকর্তা আরও জানান, ট্রাম্প মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের স্পষ্ট করে বলেন, যারা এখনো আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের অংশ নন বা ইসরায়েলের সঙ্গে যাদের কোনো শান্তি চুক্তি নেই, তারা যেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর এই জোটে যোগ দেন এবং ইহুদি রাষ্ট্রটির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে ফেলেন।
২১ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবশেষ এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, সমঝোতার আলোচনা ‘গঠনমূলকভাবে এগোচ্ছে’। তবে এ নিয়ে তাড়াহুড়া না করতে বলেছেন তিনি। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, এ চুক্তি নিয়ে দুই দেশ ‘খুব কাছাকাছি এলেও এখনো দূরেও রয়ে গেছে’।
১ দিন আগে
স্কুলশিক্ষিকার সঙ্গে পুতিনের সেই সৌজন্য সাক্ষাতের দৃশ্যটি মূলত পশ্চিমা গণমাধ্যমের সেই দাবিকে উড়িয়ে দেওয়ার জন্যই সুনিপুণভাবে সাজানো হয়েছিল। গত ২৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা রুশ নেতা নিজের যে ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছেন, এটি ছিল তারই বহিঃপ্রকাশ— একজন আত্মবিশ্বাসী, সাধারণ মানুষের কাছের রাষ্ট্রনেতা, যিনি ব্যস্ততার
২ দিন আগে