
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইতিহাসের অন্য স্বৈরশাসকদের মতো ট্রাম্পেরও পতন হবে।
শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত বক্তব্যে খামেনি বলেন, ফেরাউন, নমরুদ, রেজা শাহ ও মোহাম্মদ রেজা শাহ অহংকারের চূড়ায় থেকেও পতিত হয়েছে। ট্রাম্পেরও ব্যতিক্রম হবে না।
দেশে চলমান বিক্ষোভ প্রসঙ্গে খামেনি বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র কোনো অস্থিরতার মুখে পিছু হটবে না। তিনি বলেন, ইরান ইসলামি প্রজাতন্ত্র লক্ষ লক্ষ সম্মানিত মানুষের রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ধ্বংসাত্মক শক্তির কাছে আমরা কখনো মাথা নত করব না।’
বিক্ষোভকারীদের বিষয়ে খামেনি অভিযোগ করেন, তারা বিদেশি শক্তির, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে খুশি করতেই এসব কর্মকাণ্ডে লিপ্ত।
তিনি আরও বলেন, তারা ট্রাম্পকে খুশি করতে চায়। কিন্তু তিনি যদি দেশ চালাতে জানতেন, তাহলে আগে নিজের দেশই ঠিক করতেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরের নানা সমস্যার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
গত জুন মাসে সংঘটিত হামলার প্রসঙ্গে খামেনি বলেন, ১২ দিনের যুদ্ধে এক হাজারের বেশি ইরানি নাগরিক শহীদ হয়েছেন।
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেই বলেছেন, হামলার নির্দেশ তিনি দিয়েছিলেন। খামেনির ভাষায়, এটি প্রমাণ করে যে ‘ইরানিদের রক্তে তার হাত রঞ্জিত।’
বক্তব্যের শেষদিকে খামেনি বলেন, ‘প্রিয় তরুণরা, তোমরা প্রস্তুত থাকো এবং ঐক্য ধরে রাখো। ঐক্যবদ্ধ জাতি যেকোনো শত্রুকে পরাজিত করতে পারে।’

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইতিহাসের অন্য স্বৈরশাসকদের মতো ট্রাম্পেরও পতন হবে।
শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত বক্তব্যে খামেনি বলেন, ফেরাউন, নমরুদ, রেজা শাহ ও মোহাম্মদ রেজা শাহ অহংকারের চূড়ায় থেকেও পতিত হয়েছে। ট্রাম্পেরও ব্যতিক্রম হবে না।
দেশে চলমান বিক্ষোভ প্রসঙ্গে খামেনি বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র কোনো অস্থিরতার মুখে পিছু হটবে না। তিনি বলেন, ইরান ইসলামি প্রজাতন্ত্র লক্ষ লক্ষ সম্মানিত মানুষের রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ধ্বংসাত্মক শক্তির কাছে আমরা কখনো মাথা নত করব না।’
বিক্ষোভকারীদের বিষয়ে খামেনি অভিযোগ করেন, তারা বিদেশি শক্তির, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে খুশি করতেই এসব কর্মকাণ্ডে লিপ্ত।
তিনি আরও বলেন, তারা ট্রাম্পকে খুশি করতে চায়। কিন্তু তিনি যদি দেশ চালাতে জানতেন, তাহলে আগে নিজের দেশই ঠিক করতেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরের নানা সমস্যার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
গত জুন মাসে সংঘটিত হামলার প্রসঙ্গে খামেনি বলেন, ১২ দিনের যুদ্ধে এক হাজারের বেশি ইরানি নাগরিক শহীদ হয়েছেন।
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেই বলেছেন, হামলার নির্দেশ তিনি দিয়েছিলেন। খামেনির ভাষায়, এটি প্রমাণ করে যে ‘ইরানিদের রক্তে তার হাত রঞ্জিত।’
বক্তব্যের শেষদিকে খামেনি বলেন, ‘প্রিয় তরুণরা, তোমরা প্রস্তুত থাকো এবং ঐক্য ধরে রাখো। ঐক্যবদ্ধ জাতি যেকোনো শত্রুকে পরাজিত করতে পারে।’

গত দু’সপ্তাহ ধরে ব্যাপক আকারে সরকারবিরোধী আন্দোলন চলছে ইরানে। দিন যতো গড়াচ্ছে, আন্দোলনের মাত্রাও তত তীব্র হচ্ছে।
২১ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজের খবরে বলা হয়েছে, এই স্থগিতাদেশ ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে এবং ভিসা প্রক্রিয়ার পুনর্মূল্যায়ন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকাল বহাল থাকবে।
১ দিন আগে
ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার হুমকি দেওয়ার পর আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
১ দিন আগে
ইরানে গত কয়েকদিনে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় দুই হাজার ৫৭১ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আমেরিকা-ভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ অ্যাজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
২ দিন আগে