
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সিরিয়ার আলেপ্পোতে সেনাবাহিনী ও কুর্দি বাহিনীর মধ্যে এক প্রাণঘাতি সংঘর্ষের পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা এসেছে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। গত কয়েকদিনে এ এলাকায় সেনাবাহিনী ও কুর্দি যোদ্ধাদের মধ্যে সংঘর্ষে কয়েক হাজার বেসামরিক মানুষ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) আলেপ্পোতে যুদ্ধবিরতির এই ঘোষণা এসেছে। এর আগে এখানে সরকারি বাহিনী ও কুর্দিদের মধ্যে সংঘর্ষ-সহিংসতায় অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। সিরিয়ায় আসাদ আল বাশার সরকার পতনের পর এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ।
সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আবাসিক এলাকায় নতুন করে সামরিক উত্তেজনা এড়াতে আলেপ্পোর শেখ মাকসুদ, আশরাফিয়েহ ও বানি জেইদ এলাকায় ভোর ৩টা থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হলো।’
কুর্দি যোদ্ধাদের শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টার মধ্যে ওই এলাকা ছাড়ার সময় দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানায়, লক্ষ্য হলো, সংঘর্ষে বাস্তুচ্যুত বেসামরিক মানুষদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীল পরিবেশে নিজ নিজ ঘরে ফিরে স্বাভাবিক জীবন শুরু করার সুযোগ দেওয়া।
গত মঙ্গলবার থেকে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী আলেপ্পোয় যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) সঙ্গে লড়ছে সরকারি বাহিনী। এ সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে দুপক্ষই একে অন্যকে পালটাপালটি দোষারোপ করেছে।
কুর্দিদের প্রশাসন ও সামরিক কাঠামো নতুন সরকারের সঙ্গে একীভূত করার চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এসডিএফ সিরিয়ার তেলসমৃদ্ধ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে। ২০১৯ সালে সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর ভূখণ্ডগত পরাজয়ে তাদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলেপ্পোর গভর্নর আজ্জাম আলঘারিব সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানাকে বলেন, তিনি আশরাফিয়েহ এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থার প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন। তবে সরকারি ঘোষণার বিষয়ে কুর্দি বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে এএফপির এক সংবাদদাতা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত কুর্দি অধ্যুষিত আশরাফিয়েহ ও শেখ মাকসুদ এলাকায় তীব্র লড়াই চলেছে। 0অভিযান শুরুর আগে ওই এলাকার বাসিন্দাদের মানবিক করিডোর দিয়ে সরে যেতে নির্দেশ দেয় সিরীয় সেনাবাহিনী।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, প্রায় ১৬ হাজার মানুষ এলাকা ছেড়েছেন। তাদের একজন ৪৩ বছর বয়সী রানা ইসা বৃহস্পতিবার সকালে পরিবার নিয়ে আশরাফিয়েহ ছাড়েন। তিনি বলেন, ‘আমরা খুব কঠিন সময় পার করেছি। আমার সন্তানরা ভীষণ আতঙ্কিত ছিল। অনেকে চলে যেতে চান। কিন্তু স্নাইপারের ভয়ে সাহস পাচ্ছেন না।’
এসডিএফ প্রধান মাজলুম আবদি বলেন, কুর্দি এলাকাগুলোতে হামলা ‘সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনাকে ক্ষুণ্ন করছে।’ মার্চে একীভূতকরণ চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য তিনি কয়েক দিন আগে দামেস্ক সফর করেছিলেন।
চুক্তিটি গত বছরই বাস্তবায়নের কথা ছিল। তবে বিকেন্দ্রীকৃত শাসনব্যবস্থার দাবিসহ নানা মতভেদের কারণে অগ্রগতি থমকে আছে। এপ্রিল মাসে কুর্দি যোদ্ধারা এলাকা ছাড়তে সম্মত হলেও শেখ মাকসুদ ও আশরাফিয়েহ এখনো এসডিএফ-সংযুক্ত কুর্দি ইউনিটগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
সিরিয়ার সঙ্গে ৯০০ কিলোমিটার সীমান্ত ভাগ করা তুরস্ক সীমান্ত এলাকা থেকে কুর্দি বাহিনীকে হটাতে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়েছে।
সেঞ্চুরি ইন্টারন্যাশনাল গবেষণা কেন্দ্রের ফেলো অ্যারন লুন্ড এএফপিকে বলেন, ‘আলেপ্পোই এসডিএফের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। উভয় পক্ষই একে অন্যের ওপর চাপ তৈরি এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন জোগাড়ের চেষ্টা করছে।’
সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চল জুড়ে দামেস্ক ও এসডিএফের পূর্ণাঙ্গ সংঘাতে তুরস্ক ও ইসরাইলও জড়িয়ে যেতে পারে, যা সিরিয়ার স্থিতিশীলতার জন্য ভয়াবহ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন অ্যারন লুন্ড।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দীর্ঘদিনের শাসক বাশার আল-আসাদ উৎখাতের পর থেকে সিরিয়ায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে ইসরাইল ও তুরস্ক প্রতিযোগিতায় রয়েছে। কুর্দি নিয়ন্ত্রিত উত্তরপূর্বাঞ্চলের কামিশলিতে আলেপ্পোর সহিংসতার বিরুদ্ধে কয়েক শত মানুষ বিক্ষোভ করে।
৬১ বছর বয়সী বিক্ষোভকারী সালাহউদ্দিন শেখমুস বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ চাই।’ অনেকে ‘যুদ্ধ নয়’ ও ‘জাতিগত নির্মূল নয়’ স্লোগান লেখা ব্যানার বহন করেন। তুরস্কের কুর্দি অধ্যুষিত দিয়ারবাকিরেও কয়েক শত মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

সিরিয়ার আলেপ্পোতে সেনাবাহিনী ও কুর্দি বাহিনীর মধ্যে এক প্রাণঘাতি সংঘর্ষের পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা এসেছে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। গত কয়েকদিনে এ এলাকায় সেনাবাহিনী ও কুর্দি যোদ্ধাদের মধ্যে সংঘর্ষে কয়েক হাজার বেসামরিক মানুষ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) আলেপ্পোতে যুদ্ধবিরতির এই ঘোষণা এসেছে। এর আগে এখানে সরকারি বাহিনী ও কুর্দিদের মধ্যে সংঘর্ষ-সহিংসতায় অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। সিরিয়ায় আসাদ আল বাশার সরকার পতনের পর এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ।
সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আবাসিক এলাকায় নতুন করে সামরিক উত্তেজনা এড়াতে আলেপ্পোর শেখ মাকসুদ, আশরাফিয়েহ ও বানি জেইদ এলাকায় ভোর ৩টা থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হলো।’
কুর্দি যোদ্ধাদের শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টার মধ্যে ওই এলাকা ছাড়ার সময় দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানায়, লক্ষ্য হলো, সংঘর্ষে বাস্তুচ্যুত বেসামরিক মানুষদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীল পরিবেশে নিজ নিজ ঘরে ফিরে স্বাভাবিক জীবন শুরু করার সুযোগ দেওয়া।
গত মঙ্গলবার থেকে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী আলেপ্পোয় যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) সঙ্গে লড়ছে সরকারি বাহিনী। এ সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে দুপক্ষই একে অন্যকে পালটাপালটি দোষারোপ করেছে।
কুর্দিদের প্রশাসন ও সামরিক কাঠামো নতুন সরকারের সঙ্গে একীভূত করার চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এসডিএফ সিরিয়ার তেলসমৃদ্ধ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে। ২০১৯ সালে সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর ভূখণ্ডগত পরাজয়ে তাদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলেপ্পোর গভর্নর আজ্জাম আলঘারিব সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানাকে বলেন, তিনি আশরাফিয়েহ এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থার প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন। তবে সরকারি ঘোষণার বিষয়ে কুর্দি বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে এএফপির এক সংবাদদাতা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত কুর্দি অধ্যুষিত আশরাফিয়েহ ও শেখ মাকসুদ এলাকায় তীব্র লড়াই চলেছে। 0অভিযান শুরুর আগে ওই এলাকার বাসিন্দাদের মানবিক করিডোর দিয়ে সরে যেতে নির্দেশ দেয় সিরীয় সেনাবাহিনী।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, প্রায় ১৬ হাজার মানুষ এলাকা ছেড়েছেন। তাদের একজন ৪৩ বছর বয়সী রানা ইসা বৃহস্পতিবার সকালে পরিবার নিয়ে আশরাফিয়েহ ছাড়েন। তিনি বলেন, ‘আমরা খুব কঠিন সময় পার করেছি। আমার সন্তানরা ভীষণ আতঙ্কিত ছিল। অনেকে চলে যেতে চান। কিন্তু স্নাইপারের ভয়ে সাহস পাচ্ছেন না।’
এসডিএফ প্রধান মাজলুম আবদি বলেন, কুর্দি এলাকাগুলোতে হামলা ‘সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনাকে ক্ষুণ্ন করছে।’ মার্চে একীভূতকরণ চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য তিনি কয়েক দিন আগে দামেস্ক সফর করেছিলেন।
চুক্তিটি গত বছরই বাস্তবায়নের কথা ছিল। তবে বিকেন্দ্রীকৃত শাসনব্যবস্থার দাবিসহ নানা মতভেদের কারণে অগ্রগতি থমকে আছে। এপ্রিল মাসে কুর্দি যোদ্ধারা এলাকা ছাড়তে সম্মত হলেও শেখ মাকসুদ ও আশরাফিয়েহ এখনো এসডিএফ-সংযুক্ত কুর্দি ইউনিটগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
সিরিয়ার সঙ্গে ৯০০ কিলোমিটার সীমান্ত ভাগ করা তুরস্ক সীমান্ত এলাকা থেকে কুর্দি বাহিনীকে হটাতে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়েছে।
সেঞ্চুরি ইন্টারন্যাশনাল গবেষণা কেন্দ্রের ফেলো অ্যারন লুন্ড এএফপিকে বলেন, ‘আলেপ্পোই এসডিএফের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। উভয় পক্ষই একে অন্যের ওপর চাপ তৈরি এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন জোগাড়ের চেষ্টা করছে।’
সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চল জুড়ে দামেস্ক ও এসডিএফের পূর্ণাঙ্গ সংঘাতে তুরস্ক ও ইসরাইলও জড়িয়ে যেতে পারে, যা সিরিয়ার স্থিতিশীলতার জন্য ভয়াবহ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন অ্যারন লুন্ড।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দীর্ঘদিনের শাসক বাশার আল-আসাদ উৎখাতের পর থেকে সিরিয়ায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে ইসরাইল ও তুরস্ক প্রতিযোগিতায় রয়েছে। কুর্দি নিয়ন্ত্রিত উত্তরপূর্বাঞ্চলের কামিশলিতে আলেপ্পোর সহিংসতার বিরুদ্ধে কয়েক শত মানুষ বিক্ষোভ করে।
৬১ বছর বয়সী বিক্ষোভকারী সালাহউদ্দিন শেখমুস বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ চাই।’ অনেকে ‘যুদ্ধ নয়’ ও ‘জাতিগত নির্মূল নয়’ স্লোগান লেখা ব্যানার বহন করেন। তুরস্কের কুর্দি অধ্যুষিত দিয়ারবাকিরেও কয়েক শত মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তেল কোম্পানিগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলা নিয়ে তার পরিকল্পনার পক্ষে এসব কোম্পানির সমর্থন আদায় করাই এ বৈঠকের উদ্দেশ্য।
১৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ডে কোনো ধরনের সামরিক অভিযান চালায়, তবে ডেনিশ সেনারা ‘আগে গুলি চালাবে, পরে প্রশ্ন করবে’— এমন কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় বলছে, এটি ১৯৫২ সালে প্রণীত ডেনিশ সেনাবাহিনীর একটি নিয়মের প্রতিফলন, যা এখনো কার্যকর রয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সামরিক বাহিনী অভিযান চালিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর দেশটির নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ কমানোর একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
এদিকে বৃহস্পতিবার রাজধানী তেহরান ছাড়াও কোম, ইসফাহান, বন্দর আব্বাস ও বোজনুর্দ শহরে বড় ধরনের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বরাতে ফক্স নিউজ জানিয়েছে, দেশ জুড়ে চলা এ বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে অন্তত ৪৫ জন নিহত হয়েছেন।
১৯ ঘণ্টা আগে