
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আরব নেতারা প্রকাশ্যে গাজায় ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানালেও গোপনে সহযোগিতা করে গেছে তেল আবিবকে। ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির সমর্থিত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে প্রতিরোধ করতে ইসরায়েলকে সামরিক সহযোগিতা করেছে ৬টি আরব দেশ। গোপনে ইসরায়েলকে সহযোগিতা করা দেশগুলো হলো বাহরাইন, মিসর, সৌদি আরব, কাতার, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গোপন নথি বিশ্লেষণ করে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট ও আইসিআইজে।
তদন্ত প্রতিবেদকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন আইসিআইজে জানায়, তারা ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিনির্মাণ’ শিরোনামে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের এক গোপন নথি হাতে পায়, যাতে দেখা যায় আরব নেতারা গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার সময় গোপনে দেশটির সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখে। গোপন নথিটি তৈরি হয় ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে। এ সময় বাহরাইন, মিসর , জর্ডান ও কাতারে আরব সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইসরায়েল একাধিক বৈঠক করে বলে দাবি করা হয় । এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি বৈঠক হলো ২০২৪ সালের মে মাসে কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে।
এমন এক সময় গোপন নথির খবর সামনে এলো যখন হামাস ও ইসরায়েল উভয়পক্ষই ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি প্রস্তাবের আলোকে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। চুক্তির প্রথম ধাপে ইসরায়েলের ২০ জিম্মি ও ২৮ বন্দির মরদেহ হস্তান্তরে রাজি হয়েছে হামাস। অপরদিকে ইসরায়েল মুক্তি দিবে প্রায় ২ হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে। এ ছাড়া শান্তিচুক্তির আলোকে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে ইসরায়েল।
এর আগে সাধারণ পরিষদের ভাষণে (২৬ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সদস্যদের উদ্দেশে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘আপনারা গভীরভাবে জানেন ইসরায়েল আপনাদেরই লড়াই লড়ছে। তাই আমি আপনাদের দরজার পেছনের গোপন কথা জানাতে চাই। সেটি হলো অনেক বিশ্বনেতা যারা প্রকাশ্যে আমাদের সমালোচনা করে কিন্তু গোপনে তারা আমাদের ধন্যবাদ জানায়।’

আরব নেতারা প্রকাশ্যে গাজায় ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানালেও গোপনে সহযোগিতা করে গেছে তেল আবিবকে। ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির সমর্থিত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে প্রতিরোধ করতে ইসরায়েলকে সামরিক সহযোগিতা করেছে ৬টি আরব দেশ। গোপনে ইসরায়েলকে সহযোগিতা করা দেশগুলো হলো বাহরাইন, মিসর, সৌদি আরব, কাতার, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গোপন নথি বিশ্লেষণ করে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট ও আইসিআইজে।
তদন্ত প্রতিবেদকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন আইসিআইজে জানায়, তারা ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিনির্মাণ’ শিরোনামে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের এক গোপন নথি হাতে পায়, যাতে দেখা যায় আরব নেতারা গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার সময় গোপনে দেশটির সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখে। গোপন নথিটি তৈরি হয় ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে। এ সময় বাহরাইন, মিসর , জর্ডান ও কাতারে আরব সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইসরায়েল একাধিক বৈঠক করে বলে দাবি করা হয় । এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি বৈঠক হলো ২০২৪ সালের মে মাসে কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে।
এমন এক সময় গোপন নথির খবর সামনে এলো যখন হামাস ও ইসরায়েল উভয়পক্ষই ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি প্রস্তাবের আলোকে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। চুক্তির প্রথম ধাপে ইসরায়েলের ২০ জিম্মি ও ২৮ বন্দির মরদেহ হস্তান্তরে রাজি হয়েছে হামাস। অপরদিকে ইসরায়েল মুক্তি দিবে প্রায় ২ হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে। এ ছাড়া শান্তিচুক্তির আলোকে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে ইসরায়েল।
এর আগে সাধারণ পরিষদের ভাষণে (২৬ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সদস্যদের উদ্দেশে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘আপনারা গভীরভাবে জানেন ইসরায়েল আপনাদেরই লড়াই লড়ছে। তাই আমি আপনাদের দরজার পেছনের গোপন কথা জানাতে চাই। সেটি হলো অনেক বিশ্বনেতা যারা প্রকাশ্যে আমাদের সমালোচনা করে কিন্তু গোপনে তারা আমাদের ধন্যবাদ জানায়।’

আইআরজিসি এক বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত এমন ১৮টি মার্কিন কোম্পানির নাম উল্লেখ করেছে। মাইক্রোসফট, গুগল, অ্যাপল, ইন্টেল, আইবিএম, টেসলা ও বোয়িংয়ের মতো সব জায়ান্ট রয়েছে এ তালিকায়।
১৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ (৬৬ শতাংশ) মানুষ মনে করছেন, ইরানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য পূর্ণ না হলেও দেশটির উচিত দ্রুত এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসা। রয়টার্স-ইপসোসের জরিপে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে আমিরাত হবে প্রথম দেশ, যারা এই সরাসরি সংঘাতে যুক্ত হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে এই জোট থেকে যুক্তরাষ্ট্র ঠিক কী সুবিধা পাচ্ছে, তা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন। রুবিওর ভাষায়, 'এই সম্পর্ক আমাদের জন্য কতটা কার্যকর—তা নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।'
১৬ ঘণ্টা আগে