
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। শনিবার (১১ অক্টোবর) রাতে ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি চলে। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি আফগান তালেবান বাহিনীর ‘উসকানিমূলক’ হামলার জবাবে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানোর কথা জানিয়ে বলেছেন, আফগানিস্তানকে ভারতের মতোই উপযুক্ত জবাব দেবে পাকিস্তান। এমন পরিস্থিতিতে উভয়পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে কাতার, ইরান ও সৌদি আরব।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, পাকিস্তান ও আফগান তালেবান বাহিনীর মধ্যে শনিবার (১১ অক্টোবর) রাতে সীমান্তজুড়ে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি জানিয়েছেন, আফগান বাহিনীর ‘উসকানিমূলক’ হামলার জবাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী শক্ত প্রতিক্রিয়া দিয়েছে।
নাকভি বলেন, বেসামরিক জনগণের ওপর আফগান বাহিনীর গুলিবর্ষণ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন। পাকিস্তানের সাহসী বাহিনী দ্রুত ও কার্যকর জবাব দিয়েছে। কোনো উসকানি সহ্য করা হবে না।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সেনারা সতর্ক অবস্থানে আছে। আফগানিস্তানকে ইটের জবাবে পাথর দেওয়া হচ্ছে। পাকিস্তানের জনগণ সেনাবাহিনীর পাশে আছে ইস্পাতের দেয়ালের মতো। আফগানিস্তানকেও ভারতের মতোই উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে ডন জানিয়েছে, পাকিস্তানি বাহিনী আন্তর্জাতিক সীমান্তে আফগান বাহিনীর বেশ কয়েকটি পোস্টে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এতে আফগান পোস্ট ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর ‘গুরুতর ক্ষতি’ হয়েছে বলে দাবি তাদের।
বলা হয়, হামলায় আর্টিলারি, ট্যাংক, হালকা ও ভারী অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। আফগান বাহিনী খাইবার পাখতুনখোয়ার আঙ্গুরআড্ডা, বাজাউর, কুররাম, দির, চিত্রাল এবং বেলুচিস্তানের বারামচায় পাকিস্তানি পোস্টে গুলি চালায়।
কাবুল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, পাকিস্তান গত সপ্তাহে আফগান রাজধানীতে বিমান হামলা চালায়। এর জবাবেই সীমান্তে লড়াই শুরু হয়েছে বলে দাবি তালেবান সীমান্তবাহিনীর।
তালেবান কর্মকর্তারা কুনার, নানগারহার, পাকতিকা, খোস্ত ও হেলমান্দ প্রদেশ থেকে সংঘর্ষের খবর নিশ্চিত করেছেন।
ইসলামাবাদ যদিও বিমান হামলার কথা অস্বীকার করেছে, তবে কাবুলকে সতর্ক করে বলেছে, ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-কে নিজেদের মাটিতে আশ্রয় দেওয়া বন্ধ করতে হবে।’
পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, ‘একাধিক আফগান সেনা নিহত হয়েছে’ এবং ‘তালেবান যোদ্ধারা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে।’
তারা আরও বলেছে, ‘দায়েশ ও খারেজি গোষ্ঠীর ঘাঁটিগুলো, যেগুলো আফগান অন্তর্বর্তী সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় চলছে, সেখানে আর্টিলারি, ট্যাংক, ড্রোন ও বিমান দিয়ে হামলা চালানো হচ্ছে।’
পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে ক্রমবর্ধমান সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, দুই দেশকে সংযম দেখাতে হবে। আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের স্থিতিশীলতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য।
সৌদি আরব, যাদের সঙ্গে সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি হয়েছে, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। রিয়াদ এক বিবৃতিতে জানায়, সৌদি সরকার সংযম, উত্তেজনা পরিহার ও সংলাপের আহ্বান জানাচ্ছে, যাতে অঞ্চলটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।
কাতারও একই আহ্বান জানিয়ে বলেছে, উভয় পক্ষ যেন সংলাপ, কূটনীতি ও সংযমের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উত্তেজনা কমায়।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, তারা আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় সব আন্তর্জাতিক উদ্যোগকে সমর্থন করে এবং পাকিস্তান ও আফগান জনগণের শান্তি ও সমৃদ্ধির পক্ষে রয়েছে।

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। শনিবার (১১ অক্টোবর) রাতে ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি চলে। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি আফগান তালেবান বাহিনীর ‘উসকানিমূলক’ হামলার জবাবে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানোর কথা জানিয়ে বলেছেন, আফগানিস্তানকে ভারতের মতোই উপযুক্ত জবাব দেবে পাকিস্তান। এমন পরিস্থিতিতে উভয়পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে কাতার, ইরান ও সৌদি আরব।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, পাকিস্তান ও আফগান তালেবান বাহিনীর মধ্যে শনিবার (১১ অক্টোবর) রাতে সীমান্তজুড়ে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি জানিয়েছেন, আফগান বাহিনীর ‘উসকানিমূলক’ হামলার জবাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী শক্ত প্রতিক্রিয়া দিয়েছে।
নাকভি বলেন, বেসামরিক জনগণের ওপর আফগান বাহিনীর গুলিবর্ষণ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন। পাকিস্তানের সাহসী বাহিনী দ্রুত ও কার্যকর জবাব দিয়েছে। কোনো উসকানি সহ্য করা হবে না।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সেনারা সতর্ক অবস্থানে আছে। আফগানিস্তানকে ইটের জবাবে পাথর দেওয়া হচ্ছে। পাকিস্তানের জনগণ সেনাবাহিনীর পাশে আছে ইস্পাতের দেয়ালের মতো। আফগানিস্তানকেও ভারতের মতোই উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে ডন জানিয়েছে, পাকিস্তানি বাহিনী আন্তর্জাতিক সীমান্তে আফগান বাহিনীর বেশ কয়েকটি পোস্টে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এতে আফগান পোস্ট ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর ‘গুরুতর ক্ষতি’ হয়েছে বলে দাবি তাদের।
বলা হয়, হামলায় আর্টিলারি, ট্যাংক, হালকা ও ভারী অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। আফগান বাহিনী খাইবার পাখতুনখোয়ার আঙ্গুরআড্ডা, বাজাউর, কুররাম, দির, চিত্রাল এবং বেলুচিস্তানের বারামচায় পাকিস্তানি পোস্টে গুলি চালায়।
কাবুল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, পাকিস্তান গত সপ্তাহে আফগান রাজধানীতে বিমান হামলা চালায়। এর জবাবেই সীমান্তে লড়াই শুরু হয়েছে বলে দাবি তালেবান সীমান্তবাহিনীর।
তালেবান কর্মকর্তারা কুনার, নানগারহার, পাকতিকা, খোস্ত ও হেলমান্দ প্রদেশ থেকে সংঘর্ষের খবর নিশ্চিত করেছেন।
ইসলামাবাদ যদিও বিমান হামলার কথা অস্বীকার করেছে, তবে কাবুলকে সতর্ক করে বলেছে, ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-কে নিজেদের মাটিতে আশ্রয় দেওয়া বন্ধ করতে হবে।’
পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, ‘একাধিক আফগান সেনা নিহত হয়েছে’ এবং ‘তালেবান যোদ্ধারা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে।’
তারা আরও বলেছে, ‘দায়েশ ও খারেজি গোষ্ঠীর ঘাঁটিগুলো, যেগুলো আফগান অন্তর্বর্তী সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় চলছে, সেখানে আর্টিলারি, ট্যাংক, ড্রোন ও বিমান দিয়ে হামলা চালানো হচ্ছে।’
পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে ক্রমবর্ধমান সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, দুই দেশকে সংযম দেখাতে হবে। আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের স্থিতিশীলতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য।
সৌদি আরব, যাদের সঙ্গে সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি হয়েছে, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। রিয়াদ এক বিবৃতিতে জানায়, সৌদি সরকার সংযম, উত্তেজনা পরিহার ও সংলাপের আহ্বান জানাচ্ছে, যাতে অঞ্চলটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।
কাতারও একই আহ্বান জানিয়ে বলেছে, উভয় পক্ষ যেন সংলাপ, কূটনীতি ও সংযমের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উত্তেজনা কমায়।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, তারা আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় সব আন্তর্জাতিক উদ্যোগকে সমর্থন করে এবং পাকিস্তান ও আফগান জনগণের শান্তি ও সমৃদ্ধির পক্ষে রয়েছে।

আইআরজিসি এক বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত এমন ১৮টি মার্কিন কোম্পানির নাম উল্লেখ করেছে। মাইক্রোসফট, গুগল, অ্যাপল, ইন্টেল, আইবিএম, টেসলা ও বোয়িংয়ের মতো সব জায়ান্ট রয়েছে এ তালিকায়।
১৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ (৬৬ শতাংশ) মানুষ মনে করছেন, ইরানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য পূর্ণ না হলেও দেশটির উচিত দ্রুত এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসা। রয়টার্স-ইপসোসের জরিপে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে আমিরাত হবে প্রথম দেশ, যারা এই সরাসরি সংঘাতে যুক্ত হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে এই জোট থেকে যুক্তরাষ্ট্র ঠিক কী সুবিধা পাচ্ছে, তা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন। রুবিওর ভাষায়, 'এই সম্পর্ক আমাদের জন্য কতটা কার্যকর—তা নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।'
১৬ ঘণ্টা আগে