
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আটটি যুদ্ধ বন্ধ করার পরও যেহেতু নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি, তাই তিনি আর শুধুই শান্তির কথা ভাবতে বাধ্য নন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নোবেল পুরস্কার না দেওয়ার জন্য তিনি দায়ী করেছেন নরওয়েকে, যে দেশ থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গর স্টরকে পাঠানো এক বার্তায় ট্রাম্প বলেছেন এমন কথা। ট্রাম্প সরাসরিই বলেছেন, নরওয়ে তাকে নোবেল থেকে বঞ্চিত করেছে।
বিবিসির মার্কিন সহযোগী সিবিএস নিউজ ট্রাম্পের এ বার্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এ বার্তাতেও ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের ব্যাপারে নিজের দাবি পুনরায় ব্যক্ত করেছেন।
নোবেল নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ নতুন কিছু নয়। এর আগে তিনি বলেছেন, সাতটি যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য তার সাতটি নোবেল পাওয়া উচিত। এর মধ্যে গত বছর শান্তিতে নোবেলজয়ী ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো তার নোবেল পদকটি ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার হাতে তুলে নেন। সেটি সাদরেই গ্রহণ করেছেন ট্রাম্প, যদিও নোবেল কমিটি জানিয়েছে, এ পুরস্কার একবার ঘোষণা হয়ে গেলে তা আর হস্তান্তর হওয়ার সুযোগ নেই।
এর মধ্য দিয়ে নতুন করে আলোচনায় আসা নোবেল পুরস্কার নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ আবারও জেগে উঠেছে। গত বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা হওয়ার সময় তিনি এ পুরস্কার না পাওয়ার জন্য নরওয়েকে দায়ী করেছিলেন। এবারও একই অভিযোগ করেছেন তিনি।
নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গর স্টর জানিয়েছেন, তার ও ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের পাঠানো এক মেসেজের জবাবে তিনি ওই টেক্সট মেসেজটি পেয়েছেন। তবে নরওয়ের সরকার নয়, একটি স্বাধীন কমিটি নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণা করে থাকে। এর সঙ্গে নরওয়ে সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই।
ট্রাম্প এ-ও বলেছেন, শান্তি সবসময়ই প্রাধান্য পাবে। কিন্তু এখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কী ভালো এবং যথাযথ, সেটা নিয়েই বেশি ভাববেন।
ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে ট্রাম্পের এমন বৈরী সম্পর্ক গত কয়েকদিন ধরেই লক্ষ করা যাচ্ছে। এর মূলে রয়েছে গ্রিনল্যান্ড ইস্যু। ডেনমার্কের অধীনে থাকা এই দ্বীপরাষ্ট্রটিকে নিজের দখলে নিতে চান ট্রাম্প। ডেনমার্ক বা গ্রিনল্যান্ড কেউই তার এ প্রস্তাবের সঙ্গে কোনোভাবেই একমত নয়।
শুধু তাই নয়, সম্প্রতি ইউরোপের আটটি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান সরাসরি ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন, নিন্দা জানান। তাতে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। ওই আটটি দেশের ওপর নতুন করে শুল্কারোপের পরিকল্পনা ঘোষণা দেন তিনি।
ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড নিয়ে একের পর এক বার্তাকে ‘পুরোপুরি ভুল’ বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ এ পদক্ষেপকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন।

আটটি যুদ্ধ বন্ধ করার পরও যেহেতু নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি, তাই তিনি আর শুধুই শান্তির কথা ভাবতে বাধ্য নন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নোবেল পুরস্কার না দেওয়ার জন্য তিনি দায়ী করেছেন নরওয়েকে, যে দেশ থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গর স্টরকে পাঠানো এক বার্তায় ট্রাম্প বলেছেন এমন কথা। ট্রাম্প সরাসরিই বলেছেন, নরওয়ে তাকে নোবেল থেকে বঞ্চিত করেছে।
বিবিসির মার্কিন সহযোগী সিবিএস নিউজ ট্রাম্পের এ বার্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এ বার্তাতেও ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের ব্যাপারে নিজের দাবি পুনরায় ব্যক্ত করেছেন।
নোবেল নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ নতুন কিছু নয়। এর আগে তিনি বলেছেন, সাতটি যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য তার সাতটি নোবেল পাওয়া উচিত। এর মধ্যে গত বছর শান্তিতে নোবেলজয়ী ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো তার নোবেল পদকটি ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার হাতে তুলে নেন। সেটি সাদরেই গ্রহণ করেছেন ট্রাম্প, যদিও নোবেল কমিটি জানিয়েছে, এ পুরস্কার একবার ঘোষণা হয়ে গেলে তা আর হস্তান্তর হওয়ার সুযোগ নেই।
এর মধ্য দিয়ে নতুন করে আলোচনায় আসা নোবেল পুরস্কার নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ আবারও জেগে উঠেছে। গত বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা হওয়ার সময় তিনি এ পুরস্কার না পাওয়ার জন্য নরওয়েকে দায়ী করেছিলেন। এবারও একই অভিযোগ করেছেন তিনি।
নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গর স্টর জানিয়েছেন, তার ও ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের পাঠানো এক মেসেজের জবাবে তিনি ওই টেক্সট মেসেজটি পেয়েছেন। তবে নরওয়ের সরকার নয়, একটি স্বাধীন কমিটি নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণা করে থাকে। এর সঙ্গে নরওয়ে সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই।
ট্রাম্প এ-ও বলেছেন, শান্তি সবসময়ই প্রাধান্য পাবে। কিন্তু এখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কী ভালো এবং যথাযথ, সেটা নিয়েই বেশি ভাববেন।
ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে ট্রাম্পের এমন বৈরী সম্পর্ক গত কয়েকদিন ধরেই লক্ষ করা যাচ্ছে। এর মূলে রয়েছে গ্রিনল্যান্ড ইস্যু। ডেনমার্কের অধীনে থাকা এই দ্বীপরাষ্ট্রটিকে নিজের দখলে নিতে চান ট্রাম্প। ডেনমার্ক বা গ্রিনল্যান্ড কেউই তার এ প্রস্তাবের সঙ্গে কোনোভাবেই একমত নয়।
শুধু তাই নয়, সম্প্রতি ইউরোপের আটটি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান সরাসরি ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন, নিন্দা জানান। তাতে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। ওই আটটি দেশের ওপর নতুন করে শুল্কারোপের পরিকল্পনা ঘোষণা দেন তিনি।
ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড নিয়ে একের পর এক বার্তাকে ‘পুরোপুরি ভুল’ বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ এ পদক্ষেপকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন।

ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান সংকট নিরসনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দিতে ভারত ও পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
ওই কর্মকর্তা বলেন, বিক্ষোভের সময় ‘সন্ত্রাসী ও সশস্ত্র দাঙ্গাবাজরা’ নিরীহ ইরানিদের লক্ষ্য করে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। তার দাবি, সহিংসতার বড় একটি অংশ পরিকল্পিত ছিল এবং এর পেছনে বিদেশি শক্তির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
১ দিন আগে
মালাগা থেকে যাত্রা করা ট্রেনটি পরিচালনা করছিল বেসরকারি রেল কোম্পানি ইরিও। কোম্পানিটি জানিয়েছে, ওই ট্রেনে প্রায় ৩০০ যাত্রী ছিলেন। অন্যদিকে রেনফে পরিচালিত মাদ্রিদ-হুয়েলভাগামী ট্রেনটিতে ছিলেন প্রায় ১০০ যাত্রী।
১ দিন আগে
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর খবর বলছে, এই বোর্ডের সনদটি এরই মধ্যে বিশ্বের অন্তত এক ডজন রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে পাঠানো হয়েছে। তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তারা এই বোর্ডের সদস্য হতে পারেন। এ সংক্রান্ত নথিতে এমন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের বিকল্প বা প্রতিদ্বন্দ্বী একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা
১ দিন আগে