
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিজের পাওয়া নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো। ট্রাম্পকে এ পুরস্কার দিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তিনি। ট্রাম্পও প্রশংসায় ভাসিয়েছেন মাচাদোকে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মাচাদো। পরে সেখান থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
স্প্যানিশ ও ইংরেজি ভাষায় মাচাদো বলেন, আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হাতে নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক তুলে দিয়েছি। আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ভরসা করতে পারি।
মাচাদো আরও বলেন৷ ‘আমি মনে করি, আজ ভেনেজুয়েলাবাসীর জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন।’
এই পদক পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ট্রাম্প। এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘এই পুরস্কার পারস্পরিক শ্রদ্ধার চমৎকার নিদর্শন।’
হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বৈঠক চলাকালে সাংবাদিকদের বলেন, মাচাদো ভেনেজুয়েলার বহু মানুষের জন্য এক অসাধারণ ও সাহসী কণ্ঠস্বর এবং ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার জীবনের বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে খোলামেলা ও ইতিবাচক আলোচনা আশা করছিলেন।
নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ সর্বজনবিদিত। বিভিন্ন সময় তিনি নিজেকেনোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য বলে দাবি করেছেন। গত বছর তিনি বলেছিলেন, তিনি সাতটি যুদ্ধ থামিয়েছেন। এ কারণে তাকে সাতটি নোবেল দেওয়া উচিত।
পরে গত বছর শান্তিতে নোবেলজয়ী হিসেবে মাচাদোর নাম ঘোষণা হলে প্রকাশ্যেই অসন্তোষ জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। মাচাদো অবশ্য নোবেল পাওয়ার পরই জানিয়েছিল, ট্রাম্পের সঙ্গে তিনি এই পুরস্কার ভাগ করে নেবেন। গত সপ্তাহে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার সূচি নির্ধারিত হলেও মাচাদো জানান, তিনি নোবেল পুরস্কারের পদক তুলে দেবেন ট্রাম্পের হাতে।
এ নিয়ে খবর প্রকাশ হলে এএফপির প্রশ্নের জবানে নোবেল কমিটি পরে স্পষ্ট করে জানায়, এ পুরস্কার হস্তান্তরযোগ্য নয়। গত সপ্তাহে এক বিবৃতিতে নোবেল কমিটি বলেছে, একবার নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলে তা বাতিল, ভাগ বা অন্যের কাছে হস্তান্তর করা যায় না। এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ও চিরস্থায়ী।
গত ৩ জানুয়ারি রাজধানী কারাকাসে মার্কিন সামরিক বাহিনী অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নেয়। ওই সময় ধারণা করা হচ্ছিল, বিরোধী দলীয় নেতা মাচাদো যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাবেন। ট্রাম্প অবশ্য মাচাদোকে সমর্থন দেননি। বরং মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হলে তার সঙ্গেই কাজ শুরু করেন। রদ্রিগেজ এখন ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মাচাদো ওয়াশিংটন সফরে কংগ্রেসেও মার্কিন সিনেটরদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে তার প্রত্যাশা ছিল, তিনি রদ্রিগেজের অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দেওয়া যে ভুল, তা বোঝাতে চেষ্টা করবেন। তার বিরোধী জোটেরই ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী এই সময়ে দায়িত্বে থাকা উচিত বলে দাবি করবেন।
বাস্তবতা অবশ্য বলছে ভিন্ন কথা। গত বুধবার ট্রাম্প ও রদ্রিগেজ ফোনে কথা বলেন। ওই ফোনালাপের পর ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে রদ্রিগেজের প্রশংসা করেন। রদ্রিগেজকে একজন অসাধারণ মানুষ বলে উল্লেখ করেন তিনি। রদ্রিগেজও ফোনালাপকে ফলপ্রসূ ও সৌজন্যমূলক বলে উল্লেখ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিজের পাওয়া নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো। ট্রাম্পকে এ পুরস্কার দিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তিনি। ট্রাম্পও প্রশংসায় ভাসিয়েছেন মাচাদোকে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মাচাদো। পরে সেখান থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
স্প্যানিশ ও ইংরেজি ভাষায় মাচাদো বলেন, আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হাতে নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক তুলে দিয়েছি। আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ভরসা করতে পারি।
মাচাদো আরও বলেন৷ ‘আমি মনে করি, আজ ভেনেজুয়েলাবাসীর জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন।’
এই পদক পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ট্রাম্প। এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘এই পুরস্কার পারস্পরিক শ্রদ্ধার চমৎকার নিদর্শন।’
হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বৈঠক চলাকালে সাংবাদিকদের বলেন, মাচাদো ভেনেজুয়েলার বহু মানুষের জন্য এক অসাধারণ ও সাহসী কণ্ঠস্বর এবং ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার জীবনের বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে খোলামেলা ও ইতিবাচক আলোচনা আশা করছিলেন।
নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ সর্বজনবিদিত। বিভিন্ন সময় তিনি নিজেকেনোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য বলে দাবি করেছেন। গত বছর তিনি বলেছিলেন, তিনি সাতটি যুদ্ধ থামিয়েছেন। এ কারণে তাকে সাতটি নোবেল দেওয়া উচিত।
পরে গত বছর শান্তিতে নোবেলজয়ী হিসেবে মাচাদোর নাম ঘোষণা হলে প্রকাশ্যেই অসন্তোষ জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। মাচাদো অবশ্য নোবেল পাওয়ার পরই জানিয়েছিল, ট্রাম্পের সঙ্গে তিনি এই পুরস্কার ভাগ করে নেবেন। গত সপ্তাহে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার সূচি নির্ধারিত হলেও মাচাদো জানান, তিনি নোবেল পুরস্কারের পদক তুলে দেবেন ট্রাম্পের হাতে।
এ নিয়ে খবর প্রকাশ হলে এএফপির প্রশ্নের জবানে নোবেল কমিটি পরে স্পষ্ট করে জানায়, এ পুরস্কার হস্তান্তরযোগ্য নয়। গত সপ্তাহে এক বিবৃতিতে নোবেল কমিটি বলেছে, একবার নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলে তা বাতিল, ভাগ বা অন্যের কাছে হস্তান্তর করা যায় না। এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ও চিরস্থায়ী।
গত ৩ জানুয়ারি রাজধানী কারাকাসে মার্কিন সামরিক বাহিনী অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নেয়। ওই সময় ধারণা করা হচ্ছিল, বিরোধী দলীয় নেতা মাচাদো যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাবেন। ট্রাম্প অবশ্য মাচাদোকে সমর্থন দেননি। বরং মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হলে তার সঙ্গেই কাজ শুরু করেন। রদ্রিগেজ এখন ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মাচাদো ওয়াশিংটন সফরে কংগ্রেসেও মার্কিন সিনেটরদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে তার প্রত্যাশা ছিল, তিনি রদ্রিগেজের অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দেওয়া যে ভুল, তা বোঝাতে চেষ্টা করবেন। তার বিরোধী জোটেরই ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী এই সময়ে দায়িত্বে থাকা উচিত বলে দাবি করবেন।
বাস্তবতা অবশ্য বলছে ভিন্ন কথা। গত বুধবার ট্রাম্প ও রদ্রিগেজ ফোনে কথা বলেন। ওই ফোনালাপের পর ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে রদ্রিগেজের প্রশংসা করেন। রদ্রিগেজকে একজন অসাধারণ মানুষ বলে উল্লেখ করেন তিনি। রদ্রিগেজও ফোনালাপকে ফলপ্রসূ ও সৌজন্যমূলক বলে উল্লেখ করেন।

আইএসপিআর জানায়, আর্মি রকেট ফোর্স কমান্ডের তত্ত্বাবধানে এই পরীক্ষা চালানো হয়। পাকিস্তানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ফাতাহ সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মূলত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যভেদে সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে। ‘ফাতাহ-৪’ ক্ষেপণাস্ত্রটিতে উন্নত এভিয়নিক্স এবং আধুনিক নেভিগেশন ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছ
৩ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজের ‘হ্যানিটি’ অনুষ্ঠানে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আর বেশি ধৈর্য ধরব না। তাদের একটি চুক্তি করা উচিত।’ ইরানের গোপন সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদের বিষয়ে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন যে, এটি মূলত জনসংযোগের (পাবলিক রিলেশনস) কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া দরকার।
৪ ঘণ্টা আগে
এই সফরের মধ্য দিয়ে ভারতীয় অবকাঠামো ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। দুই নেতার বৈঠকে প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব ছাড়াও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় 'সংলাপ ও কূটনীতি'র ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
ফৌজদারি অভিযোগ প্রত্যাহারের বিষয়ে রয়টার্স মন্তব্য জানতে চাইলে আদানি গ্রুপ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। যদিও এর আগে প্রতিষ্ঠানটি তাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছিল।
৬ ঘণ্টা আগে