
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে মাঝ আকাশে পিএসএ এয়ারলাইন্স নামের মার্কিন বিমান সংস্থার একটি ফ্লাইটের সাথে দেশটির সামরিক বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ হয়েছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) ফেডেরাল এবং স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, দুর্ঘটনায় ফ্লাইটের ৬৪ জন যাত্রী ও ক্রু এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ইউএইচ-৬০ ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারের তিনজন ক্রুর সবাই নিহত হন।
দু’টি আকাশযানই ওয়াশিংটনের কাছে ভার্জিনিয়ার আরলিংটনে রনাল্ড রেগান ন্যাশনাল বিমানবন্দরের কাছে পোটোম্যাক নদীতে বিধ্বস্ত হয়। উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রান্সপোর্টেশন সেক্রেটারি (পরিবহনমন্ত্রী) শন ডাফি, যিনি হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেন, বলেন যে দুর্ঘটনার আগে পর্যন্ত দু’টি বিমানই ‘সাধারণ’ ফ্লাইট প্যাটার্নে চলছিল।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প নিহতদের স্মরণে এক মিনিটের নীরবতার আহ্বান জানান এবং দুর্ঘটনাকে ‘সত্যিকার অর্থে একটি ট্র্যাজেডি’ বলে বর্ণনা করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আজ আমরা এক পরিবার, আজ আমাদের সবার হৃদয় ভেঙে গেছে।’
সারারাত উদ্ধারকাজ
বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ওয়াশিংটন ডিসি ফায়ার সার্ভিসের প্রধান জন ডনলি বলেন, রাত ৮টা ৪৮ মিনিটে জরুরি সেবাকর্মীরা বিমানবন্দরে একটি বিপদ সঙ্কেতের জবাব দেন। বিপদ সঙ্কেত থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে বিমানবন্দরে বা তার কাছে বিমান দুর্ঘটনা হয়েছে।
ডনলি বলেন, স্থানীয়, রাজ্য ও ফেডেরাল সংস্থার প্রায় ৩০০ জন জরুরি কর্মী পানিতে কাজ করছিলেন। তিনি বলেন, আবহাওয়া ছিল হিমশীতল, সাথে প্রবল বাতাস। পানিতে প্রচুর বরফ জমে ছিল।
ডনলি বলেন, কর্মীরা সারারাত উদ্ধারকাজ চালান এবং বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত যাত্রীবাহী বিমান থেকে ২৭টি লাশ এবং হেলিকপ্টার থেকে একজন ক্রুর লাশ উদ্ধার করে।
তিনি বলেন, নদীর স্রোত ও বাতাস ধ্বংসাবশেষ অন্তত এক থেকে দুই কিলোমিটার দূরে নিয়ে গেছে, যার ফলে উদ্ধারকাজ জটিল হয়েছে। সূত্র : ভিওএ

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে মাঝ আকাশে পিএসএ এয়ারলাইন্স নামের মার্কিন বিমান সংস্থার একটি ফ্লাইটের সাথে দেশটির সামরিক বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ হয়েছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) ফেডেরাল এবং স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, দুর্ঘটনায় ফ্লাইটের ৬৪ জন যাত্রী ও ক্রু এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ইউএইচ-৬০ ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারের তিনজন ক্রুর সবাই নিহত হন।
দু’টি আকাশযানই ওয়াশিংটনের কাছে ভার্জিনিয়ার আরলিংটনে রনাল্ড রেগান ন্যাশনাল বিমানবন্দরের কাছে পোটোম্যাক নদীতে বিধ্বস্ত হয়। উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রান্সপোর্টেশন সেক্রেটারি (পরিবহনমন্ত্রী) শন ডাফি, যিনি হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেন, বলেন যে দুর্ঘটনার আগে পর্যন্ত দু’টি বিমানই ‘সাধারণ’ ফ্লাইট প্যাটার্নে চলছিল।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প নিহতদের স্মরণে এক মিনিটের নীরবতার আহ্বান জানান এবং দুর্ঘটনাকে ‘সত্যিকার অর্থে একটি ট্র্যাজেডি’ বলে বর্ণনা করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আজ আমরা এক পরিবার, আজ আমাদের সবার হৃদয় ভেঙে গেছে।’
সারারাত উদ্ধারকাজ
বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ওয়াশিংটন ডিসি ফায়ার সার্ভিসের প্রধান জন ডনলি বলেন, রাত ৮টা ৪৮ মিনিটে জরুরি সেবাকর্মীরা বিমানবন্দরে একটি বিপদ সঙ্কেতের জবাব দেন। বিপদ সঙ্কেত থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে বিমানবন্দরে বা তার কাছে বিমান দুর্ঘটনা হয়েছে।
ডনলি বলেন, স্থানীয়, রাজ্য ও ফেডেরাল সংস্থার প্রায় ৩০০ জন জরুরি কর্মী পানিতে কাজ করছিলেন। তিনি বলেন, আবহাওয়া ছিল হিমশীতল, সাথে প্রবল বাতাস। পানিতে প্রচুর বরফ জমে ছিল।
ডনলি বলেন, কর্মীরা সারারাত উদ্ধারকাজ চালান এবং বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত যাত্রীবাহী বিমান থেকে ২৭টি লাশ এবং হেলিকপ্টার থেকে একজন ক্রুর লাশ উদ্ধার করে।
তিনি বলেন, নদীর স্রোত ও বাতাস ধ্বংসাবশেষ অন্তত এক থেকে দুই কিলোমিটার দূরে নিয়ে গেছে, যার ফলে উদ্ধারকাজ জটিল হয়েছে। সূত্র : ভিওএ

গালফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, রোববার (২১ জুন) শেষ রাতের দিকে রাস লাফানের বারজানের একটি অভ্যন্তরীণ গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই সময় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, জরুরি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
১৪ ঘণ্টা আগে
ওয়েস্টমিনস্টারে ফিরে আসা বার্নহ্যাম সোমবার (২২ জুন) হাউজ অব কমন্সে শপথ নেন। হাউজ অব কমন্সে তার শপথ গ্রহণ ঘিরে লেবার পার্টির এমপিদের উচ্ছ্বাস ও দলটির জ্যেষ্ঠ নেতাদের প্রকাশ্য সমর্থন নতুন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তাকে স্পষ্টভাবে এগিয়ে দিয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
অথচ এর আগে যুক্তরাজ্যের রাজনীতি ছিল যথেষ্ট স্থিতিশীল। গত শতকের শেষ চতুর্ভাগে প্রায় ১১ বছর প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন লৌহমানবীখ্যাত মার্গারেট থ্যাচার।
২০ ঘণ্টা আগে
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার অবশেষে পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন। আসছে শরতেই প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে তিনি সরে দাঁড়াবেন বলে জানিয়েছেন। এ নিয়ে গত ১০ বছরে ষষ্ঠ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেয়াদ শেষ করার আগেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন স্টারমার।
১ দিন আগে