
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত এবং এর ফলে সৃষ্ট লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে বর্তমান মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধরনের ধস নেমেছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রকাশিত রয়টার্স/ইপসোস-এর নতুন জনমত জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের জনসমর্থন কমে এখন ৩৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এটি তার দ্বিতীয় মেয়াদের মধ্যে সর্বনিম্ন রেটিং।
এর আগে মার্চ ও এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে তার জনপ্রিয়তা ছিল ৩৬ শতাংশ। জনপ্রিয়তার এই হার হ্রাসের প্রতিফলন ঘটেছে তার নেতিবাচক রেটিংয়েও। ট্রাম্পের ওপর অসন্তুষ্ট মার্কিন নাগরিকদের হার এখন ৬৪ শতাংশে পৌঁছেছে, যা মার্চে ছিল ৬২ শতাংশ।
জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের বর্তমান জনপ্রিয়তা তার প্রথম মেয়াদের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন হারের সমান। ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিল দাঙ্গার ছয় দিন পর রয়টার্স/ইপসোস-এর জরিপে তার জনপ্রিয়তা একই পর্যায়ে নেমেছিল। তবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক জীবনের সর্বনিম্ন রেটিং ছিল ৩৩ শতাংশ, যা ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে রেকর্ড করা হয়।
বর্তমান পরিস্থিতির জন্য অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন।
নতুন জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ওপর আস্থা হারিয়েছেন বিপুল সংখ্যক মানুষ। বর্তমানে মাত্র ২৭ শতাংশ নাগরিক তার অর্থনৈতিক পদক্ষেপকে সমর্থন করছেন। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার ফলে জ্বালানি তেলের দাম ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে প্রেসিডেন্টের ভূমিকায় সন্তুষ্ট মাত্র ২২ শতাংশ নাগরিক, যা গত মার্চে ছিল ২৫ শতাংশ।
দলের ভেতরেও ট্রাম্প কিছুটা চাপে পড়েছেন। যদিও এখনো ৭১ শতাংশ রিপাবলিকান তাকে সমর্থন করছেন, তবে তাদের মধ্যে ৪১ শতাংশই দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের ব্যর্থতায় অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। ইরানের সঙ্গে চলমান সংকট মোকাবিলায় তার ভূমিকার প্রতি সমর্থন কমে ৩৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগের মাসগুলোতে যথাক্রমে ৩৮ ও ৩৬ শতাংশ ছিল।
উল্লেখ্য, গত শনিবার ওয়াশিংটন হিলটনে ‘হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’ ডিনারে হামলার ঘটনার আগেই এই জরিপটি সম্পন্ন করা হয়। রয়টার্স জানিয়েছে, ওই হামলার ঘটনা ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় নতুন কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস-নর্ক সেন্টারের গত বুধবারের জরিপ আরও ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে। সেই জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা মার্চ থেকে ৮ পয়েন্ট কমে মাত্র ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে।
অর্থনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও ট্রাম্প প্রশাসন ক্রমবর্ধমান জ্বালানি তেলের দামের পক্ষে সাফাই গেয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া হলে তেলের দাম কমে আসবে। বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চলছে। এই সময়ে শান্তি প্রস্তাব জমা দেওয়ার কথা ছিল ইরানের।
গত সোমবার তেহরান একটি শান্তি প্রস্তাব জমা দিলেও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। রুবিওর মতে, ওই প্রস্তাবে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো ছাড় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নেই, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অগ্রহণযোগ্য।
গত ১৫ থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে এক হাজার ১৪ জন উত্তরদাতার ওপর এই রয়টার্স/ইপসোস জরিপটি চালানো হয়। এই জরিপে ভুলের মাত্রা ধরা হয়েছে ৩ শতাংশ। সব মিলিয়ে দ্রব্যমূল্য ও বৈদেশিক নীতির জটিলতায় ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের জনপ্রিয়তা এখন খাদের কিনারায় এসে ঠেকেছে।
রাজনীতি/একে

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত এবং এর ফলে সৃষ্ট লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে বর্তমান মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধরনের ধস নেমেছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রকাশিত রয়টার্স/ইপসোস-এর নতুন জনমত জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের জনসমর্থন কমে এখন ৩৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এটি তার দ্বিতীয় মেয়াদের মধ্যে সর্বনিম্ন রেটিং।
এর আগে মার্চ ও এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে তার জনপ্রিয়তা ছিল ৩৬ শতাংশ। জনপ্রিয়তার এই হার হ্রাসের প্রতিফলন ঘটেছে তার নেতিবাচক রেটিংয়েও। ট্রাম্পের ওপর অসন্তুষ্ট মার্কিন নাগরিকদের হার এখন ৬৪ শতাংশে পৌঁছেছে, যা মার্চে ছিল ৬২ শতাংশ।
জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের বর্তমান জনপ্রিয়তা তার প্রথম মেয়াদের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন হারের সমান। ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিল দাঙ্গার ছয় দিন পর রয়টার্স/ইপসোস-এর জরিপে তার জনপ্রিয়তা একই পর্যায়ে নেমেছিল। তবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক জীবনের সর্বনিম্ন রেটিং ছিল ৩৩ শতাংশ, যা ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে রেকর্ড করা হয়।
বর্তমান পরিস্থিতির জন্য অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন।
নতুন জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ওপর আস্থা হারিয়েছেন বিপুল সংখ্যক মানুষ। বর্তমানে মাত্র ২৭ শতাংশ নাগরিক তার অর্থনৈতিক পদক্ষেপকে সমর্থন করছেন। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার ফলে জ্বালানি তেলের দাম ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে প্রেসিডেন্টের ভূমিকায় সন্তুষ্ট মাত্র ২২ শতাংশ নাগরিক, যা গত মার্চে ছিল ২৫ শতাংশ।
দলের ভেতরেও ট্রাম্প কিছুটা চাপে পড়েছেন। যদিও এখনো ৭১ শতাংশ রিপাবলিকান তাকে সমর্থন করছেন, তবে তাদের মধ্যে ৪১ শতাংশই দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের ব্যর্থতায় অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। ইরানের সঙ্গে চলমান সংকট মোকাবিলায় তার ভূমিকার প্রতি সমর্থন কমে ৩৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগের মাসগুলোতে যথাক্রমে ৩৮ ও ৩৬ শতাংশ ছিল।
উল্লেখ্য, গত শনিবার ওয়াশিংটন হিলটনে ‘হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’ ডিনারে হামলার ঘটনার আগেই এই জরিপটি সম্পন্ন করা হয়। রয়টার্স জানিয়েছে, ওই হামলার ঘটনা ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় নতুন কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস-নর্ক সেন্টারের গত বুধবারের জরিপ আরও ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে। সেই জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা মার্চ থেকে ৮ পয়েন্ট কমে মাত্র ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে।
অর্থনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও ট্রাম্প প্রশাসন ক্রমবর্ধমান জ্বালানি তেলের দামের পক্ষে সাফাই গেয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া হলে তেলের দাম কমে আসবে। বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চলছে। এই সময়ে শান্তি প্রস্তাব জমা দেওয়ার কথা ছিল ইরানের।
গত সোমবার তেহরান একটি শান্তি প্রস্তাব জমা দিলেও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। রুবিওর মতে, ওই প্রস্তাবে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো ছাড় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নেই, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অগ্রহণযোগ্য।
গত ১৫ থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে এক হাজার ১৪ জন উত্তরদাতার ওপর এই রয়টার্স/ইপসোস জরিপটি চালানো হয়। এই জরিপে ভুলের মাত্রা ধরা হয়েছে ৩ শতাংশ। সব মিলিয়ে দ্রব্যমূল্য ও বৈদেশিক নীতির জটিলতায় ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের জনপ্রিয়তা এখন খাদের কিনারায় এসে ঠেকেছে।
রাজনীতি/একে

ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ দীর্ঘায়িত করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, এমন খবরে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম আবারও বাড়ল। বুধবার ভোরে ব্রেন্ট ক্রুডের জুন ডেলিভারির দাম ৫২ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ বাড়ে। এ ছাড়া তেলের অন্যান্য সূচকও বেড়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার অচলাবস্থার মধ্যে আজ বুধবার (যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার) গড়ে প্রতি গ্যালন পেট্রোলের দাম দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ১৮ ডলার। দ্য গার্ডিয়ানের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু এক ভিডিও বার্তায় দাবি করেছেন, ইসরাইল লেবাননে একটি ‘বিশাল’ সুড়ঙ্গ ধ্বংস করেছে। তিনি বলেন, হিজবুল্লাহর অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিতে ইসরাইলি বাহিনী নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
এক সপ্তাহ আগে আল-রাশিদ টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরাকের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল-খাইকানি দাবি করেন, প্রতিবেশী তুরস্ক ও ইরান নাকি অভিযোগ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র বিমান ব্যবহার করে মেঘ 'ভেঙে ফেলা' এবং 'চুরি' করার চেষ্টা করছে।
৪ ঘণ্টা আগে