
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়— এ বিষয়ে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস তার সঙ্গে একমত। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) হোয়াইট হাউজে রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলার সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে রাজা চার্লস সাধারণত দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে থেকে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখেন। ফলে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য ব্রিটেনের রাজপরিবারের কর্মকর্তাদের জন্য অস্বস্তির কারণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
নৈশভোজ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে আমরা কিছু কাজ করছি এবং ভালোই এগোচ্ছি। আমরা সামরিকভাবে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেছি এবং কখনোই তাদের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেবো না— চার্লস আমার সঙ্গে একমত, বরং আমার থেকেও বেশি।’
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে রাজা চার্লসের চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শুরুর আগেই তা বাতিলের আহ্বান জানিয়েছিলেন যুক্তরাজ্যের লিবারেল ডেমোক্র্যাট নেতা এড ডেভি। চলতি মাসের শুরুতে পার্লামেন্টে তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশ্ব মঞ্চে সবচেয়ে অনির্দেশ্য নেতাদের একজন, আমি আশা করি তিনি আমাদের সম্রাটকে বিব্রত করবেন না।’
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও রাজা চার্লস গত সোমবার একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি খুব ভালো বৈঠক ছিল। তিনি অসাধারণ একজন ব্যক্তি। তাদের সঙ্গে দেখা করা সত্যিই সম্মানের।’
বৈঠকের পরের দিন নৈশভোজে দেওয়া ভাষণে রাজা চার্লস যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি ইঙ্গিত দেন, তার এই সফরের উদ্দেশ্য দুই দেশের ‘বিশেষ সম্পর্ক’ আরও জোরদার করা— যেমনটি প্রায় ৭০ বছর আগে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ করেছিলেন।
চার্লস বলেন, অতীতেও দুই দেশের সম্পর্কে কিছু চ্যালেঞ্জ এসেছে, বিশেষ করে ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকটের পর সম্পর্ক পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্র সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। তিনি বলেন, ‘প্রায় ৭০ বছর পর আজ এমন পরিস্থিতি কল্পনা করা কঠিন।’
ব্রিটেনের রাজা এমন কূটনৈতিকভাবে সংবেদনশীল সময়ে যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন, যখন ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের অবস্থানকে ‘খারাপ’ বলেও আখ্যা দেন এবং স্টারমারকে একপর্যায়ে ‘উইনস্টন চার্চিল নন’ বলে মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজে রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলাকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের ‘বিশেষ সম্পর্কে’র প্রশংসা করেন এবং বলেন, ‘আমেরিকানদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রিটিশরা’।
পরে ক্যাপিটল হিলে কংগ্রেসে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন কিং চার্লস— যা কোনো ব্রিটিশ সম্রাটের জন্য দ্বিতীয় ঘটনা; এর আগে ১৯৯১ সালে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এখানে ভাষণ দিয়েছিলেন।
ভাষণে চার্লস সরাসরি ইরান যুদ্ধের কথা না বললেও ন্যাটো নিয়ে ট্রাম্পের সমালোচনার প্রসঙ্গ তোলেন এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
রাজনীতি/আইআর

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়— এ বিষয়ে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস তার সঙ্গে একমত। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) হোয়াইট হাউজে রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলার সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে রাজা চার্লস সাধারণত দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে থেকে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখেন। ফলে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য ব্রিটেনের রাজপরিবারের কর্মকর্তাদের জন্য অস্বস্তির কারণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
নৈশভোজ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে আমরা কিছু কাজ করছি এবং ভালোই এগোচ্ছি। আমরা সামরিকভাবে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেছি এবং কখনোই তাদের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেবো না— চার্লস আমার সঙ্গে একমত, বরং আমার থেকেও বেশি।’
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে রাজা চার্লসের চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শুরুর আগেই তা বাতিলের আহ্বান জানিয়েছিলেন যুক্তরাজ্যের লিবারেল ডেমোক্র্যাট নেতা এড ডেভি। চলতি মাসের শুরুতে পার্লামেন্টে তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশ্ব মঞ্চে সবচেয়ে অনির্দেশ্য নেতাদের একজন, আমি আশা করি তিনি আমাদের সম্রাটকে বিব্রত করবেন না।’
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও রাজা চার্লস গত সোমবার একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি খুব ভালো বৈঠক ছিল। তিনি অসাধারণ একজন ব্যক্তি। তাদের সঙ্গে দেখা করা সত্যিই সম্মানের।’
বৈঠকের পরের দিন নৈশভোজে দেওয়া ভাষণে রাজা চার্লস যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি ইঙ্গিত দেন, তার এই সফরের উদ্দেশ্য দুই দেশের ‘বিশেষ সম্পর্ক’ আরও জোরদার করা— যেমনটি প্রায় ৭০ বছর আগে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ করেছিলেন।
চার্লস বলেন, অতীতেও দুই দেশের সম্পর্কে কিছু চ্যালেঞ্জ এসেছে, বিশেষ করে ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকটের পর সম্পর্ক পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্র সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। তিনি বলেন, ‘প্রায় ৭০ বছর পর আজ এমন পরিস্থিতি কল্পনা করা কঠিন।’
ব্রিটেনের রাজা এমন কূটনৈতিকভাবে সংবেদনশীল সময়ে যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন, যখন ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের অবস্থানকে ‘খারাপ’ বলেও আখ্যা দেন এবং স্টারমারকে একপর্যায়ে ‘উইনস্টন চার্চিল নন’ বলে মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজে রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলাকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের ‘বিশেষ সম্পর্কে’র প্রশংসা করেন এবং বলেন, ‘আমেরিকানদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রিটিশরা’।
পরে ক্যাপিটল হিলে কংগ্রেসে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন কিং চার্লস— যা কোনো ব্রিটিশ সম্রাটের জন্য দ্বিতীয় ঘটনা; এর আগে ১৯৯১ সালে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এখানে ভাষণ দিয়েছিলেন।
ভাষণে চার্লস সরাসরি ইরান যুদ্ধের কথা না বললেও ন্যাটো নিয়ে ট্রাম্পের সমালোচনার প্রসঙ্গ তোলেন এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
রাজনীতি/আইআর

চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১৮ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
২০ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
১ দিন আগে
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১ দিন আগে