
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘ ৫৭ দিন বন্ধ থাকার পর ইরানের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আবারও চালু হয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আকাশসীমা বন্ধ থাকায় তেহরানের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথটি দীর্ঘদিন অচল ছিল। আকাশসীমা পুনরায় খুলে দেওয়ার পর দুই দিন ধরে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, স্বাভাবিক সময়ে এ বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০টি ফ্লাইট পরিচালিত হলেও বর্তমানে তা নেমে এসেছে মাত্র ১০ থেকে ১৫টিতে। তবে ধীরে ধীরে কার্যক্রম বাড়ছে এবং টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের উপস্থিতিও বাড়তে শুরু করেছে।
যুদ্ধের কারণে দেশের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেই এই বিমানবন্দরটি পুনরায় চালু করা হলো। এর আগে তেহরানের দ্বিতীয় বিমানবন্দর মেহরাবাদ একাধিকবার হামলার শিকার হয়। অভ্যন্তরীণ রুটে ব্যবহৃত এই বিমানবন্দর ছাড়াও তাবরিজ ও উর্মিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল।
দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা এবং সাম্প্রতিক সংঘাতে যাত্রীবাহী একাধিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানের বিমান খাত বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। বিমানবন্দর পুনরায় চালু হলেও যাত্রীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।
অবকাঠামো কিছুটা স্বাভাবিক হলেও ইরানে এখনো অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ভবিষ্যতে স্থায়ী শান্তি আসবে নাকি আবারও সংঘাত শুরু হবে— এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে শঙ্কা রয়েছে।

দীর্ঘ ৫৭ দিন বন্ধ থাকার পর ইরানের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আবারও চালু হয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আকাশসীমা বন্ধ থাকায় তেহরানের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথটি দীর্ঘদিন অচল ছিল। আকাশসীমা পুনরায় খুলে দেওয়ার পর দুই দিন ধরে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, স্বাভাবিক সময়ে এ বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০টি ফ্লাইট পরিচালিত হলেও বর্তমানে তা নেমে এসেছে মাত্র ১০ থেকে ১৫টিতে। তবে ধীরে ধীরে কার্যক্রম বাড়ছে এবং টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের উপস্থিতিও বাড়তে শুরু করেছে।
যুদ্ধের কারণে দেশের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেই এই বিমানবন্দরটি পুনরায় চালু করা হলো। এর আগে তেহরানের দ্বিতীয় বিমানবন্দর মেহরাবাদ একাধিকবার হামলার শিকার হয়। অভ্যন্তরীণ রুটে ব্যবহৃত এই বিমানবন্দর ছাড়াও তাবরিজ ও উর্মিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল।
দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা এবং সাম্প্রতিক সংঘাতে যাত্রীবাহী একাধিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানের বিমান খাত বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। বিমানবন্দর পুনরায় চালু হলেও যাত্রীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।
অবকাঠামো কিছুটা স্বাভাবিক হলেও ইরানে এখনো অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ভবিষ্যতে স্থায়ী শান্তি আসবে নাকি আবারও সংঘাত শুরু হবে— এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে শঙ্কা রয়েছে।

চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১৮ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
২০ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
১ দিন আগে
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১ দিন আগে