
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজায় একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ফিলিস্তিনিদের নিহতের ঘটনায় স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব। ত্রাণ সংগ্রহের জন্য অপেক্ষারত লোকজনের ওপর ইসরায়েলি বাহিনী গুলি চালিয়েছে বলে খবর প্রকাশের পর এ আহ্বান জানালেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) পরিচালিত রাফাহ কেন্দ্রে মানুষ খাবারের জন্য অপেক্ষা করার সময় গুলির কথা জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
বিবিসির খবরে বলা হয়, এ ঘটনায় সোমবার বিবৃতি দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেন, গতকাল (রোববার) গাজায় সাহায্য চাইতে গিয়ে ফিলিস্তিনিদের নিহত ও আহত হওয়ার খবরে আমি মর্মাহত। আমি এ ঘটনার তাৎক্ষণিক ও স্বাধীন তদন্ত এবং দোষীদের জবাবদিহি করার আহ্বান জানাচ্ছি।
রেড ক্রস জানিয়েছে, তাদের হাসপাতালে ২১ জনের মরদেহ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আহত অবস্থায় তাদের হাসপাতালে গেছেন আরও ১৫৮ জন। তবে হামাস পরিচালিত সিভিল ডিফেন্স সংস্থা বলেছে, ওই হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছিলেন।
তবে রোববার (১ জুন) ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলের কাছাকাছি বা ভেতরে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনা অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, এ ধরনের খবর মিথ্যা।
এক্স-এ একটি পোস্টে জাতিসংঘ মহাসচিবের মন্তব্যকে ‘অপমানজনক’ অভিহিত করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিবৃতিতে হামাসের কথা উল্লেখ না করার জন্য তার সমালোচনাও করেছে।
জিএইচএফও জানিয়েছে, ত্রাণ বিতরণকেন্দ্র হামলা নিয়ে করা প্রতিবেদনগুলো ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট’। তাদের স্থাপনায় বা তার কাছাকাছি কোনো হামলার প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েল বিবিসিসহ আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলোকে গাজায় প্রবেশ করতে দেয় না। ফলে এই অঞ্চলে কী ঘটছে, তা বিবিসি স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি বলে জানিয়েছে।

গাজায় একটি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ফিলিস্তিনিদের নিহতের ঘটনায় স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব। ত্রাণ সংগ্রহের জন্য অপেক্ষারত লোকজনের ওপর ইসরায়েলি বাহিনী গুলি চালিয়েছে বলে খবর প্রকাশের পর এ আহ্বান জানালেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) পরিচালিত রাফাহ কেন্দ্রে মানুষ খাবারের জন্য অপেক্ষা করার সময় গুলির কথা জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
বিবিসির খবরে বলা হয়, এ ঘটনায় সোমবার বিবৃতি দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেন, গতকাল (রোববার) গাজায় সাহায্য চাইতে গিয়ে ফিলিস্তিনিদের নিহত ও আহত হওয়ার খবরে আমি মর্মাহত। আমি এ ঘটনার তাৎক্ষণিক ও স্বাধীন তদন্ত এবং দোষীদের জবাবদিহি করার আহ্বান জানাচ্ছি।
রেড ক্রস জানিয়েছে, তাদের হাসপাতালে ২১ জনের মরদেহ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আহত অবস্থায় তাদের হাসপাতালে গেছেন আরও ১৫৮ জন। তবে হামাস পরিচালিত সিভিল ডিফেন্স সংস্থা বলেছে, ওই হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছিলেন।
তবে রোববার (১ জুন) ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলের কাছাকাছি বা ভেতরে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনা অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, এ ধরনের খবর মিথ্যা।
এক্স-এ একটি পোস্টে জাতিসংঘ মহাসচিবের মন্তব্যকে ‘অপমানজনক’ অভিহিত করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিবৃতিতে হামাসের কথা উল্লেখ না করার জন্য তার সমালোচনাও করেছে।
জিএইচএফও জানিয়েছে, ত্রাণ বিতরণকেন্দ্র হামলা নিয়ে করা প্রতিবেদনগুলো ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট’। তাদের স্থাপনায় বা তার কাছাকাছি কোনো হামলার প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েল বিবিসিসহ আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলোকে গাজায় প্রবেশ করতে দেয় না। ফলে এই অঞ্চলে কী ঘটছে, তা বিবিসি স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি বলে জানিয়েছে।

লেবাননে ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা না পেরোতেই সেখানে নতুন করে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট নিরসনের যে প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে, তা শুরুর দিকেই বড় এক পরীক্ষার মুখে পড়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো বার্ড ফ্লুর মারাত্মক ‘এইচ৫এন১’ (H5N1) স্ট্রেইন শনাক্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে অত্যন্ত সংক্রামক এই ভ্যারিয়েন্টটি এখন পৃথিবীর প্রতিটি মহাদেশেই পৌঁছে গেল। এর আগে অস্ট্রেলিয়াই ছিল একমাত্র মহাদেশ, যেখানে বার্ড ফ্লুর এই স্ট্রেইনটি খুঁজে
৯ ঘণ্টা আগে
ইউরোপে উদ্দেশে রওনা হওয়া অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি নৌকা গত সপ্তাহে লিবিয়া উপকূলে ডুবে গিয়ে অন্তত ৫১ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানিয়েছে পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘আবরিন’। এ দুর্ঘটনায় গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা এবং নিখোঁজদের মধ্যে ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, বাকিদের হদিস মেলেনি।
১০ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
১২ ঘণ্টা আগে