
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চীনের দাবি, তাইওয়ান তাদের নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ। ফলে তাইওয়ানের স্বতন্ত্রভাবে কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার কোনো অধিকার নেই। তাইওয়ান বরাবরই চীনের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। তারা সবসময় নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবেই কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের সাম্প্রতিক আফ্রিকার দেশ কিংডম অব ইসওয়াতিনি (সাবেক বতসোয়ানা) সফর ঘিরেও ফের চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাইকে ‘ইঁদুর’ আখ্যা দিয়ে এ সফরের নিন্দা জানিয়েছে চীন। জবাবে তাইওয়ানের পক্ষ থেকেও চীনকে ‘মাছের ব্যাপারী’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার (২ মে) ইসওয়াতিনি রাজা তৃতীয় মাসাওয়াতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই। তবে আগে থেকে এ সফরের কথা ঘোষণা করা হয়নি। তিনি ইসওয়াতিনি পৌঁছানোর পরই এ সফরের কথা জানাজানি হয়েছে।
কৌশলগত কারণেই অবশ্য তাইওয়ান এ সফরের কথা গোপন রেখেছে। কারণ চীনের পক্ষ থেকে অতীতে এ ধরনের সফর আটকে দেওয়ার চেষ্টা করেছে বলে জানিয়েছে তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এমনকি ‘গোপন’ রাখার পরও বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এ সফর ঠেকানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি তাদের।
ইসওয়াতিনির রাজা মাসাওয়াতির সিংহাসন আরোহণের ৪০তম বার্ষিকী উদ্যাপনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গত মাসেই দেশটিতে যাওয়ার কথা ছিল লাইয়ের। তাইওয়ানের অভিযোগ, ওই সময় ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের তিনটি দেশকে চাপ দিয়ে প্রেসিডেন্ট লাইকে বহনকারী বিমানের ওভারফ্লাইট অনুমতি বাতিলে বাধ্য করে চীন। এ কারণেই এবার লাই ইসওয়াতিনিতে পৌঁছানোর পরই তার সফরের কথা প্রকাশ করা হয়েছে।
তাইওয়ানের এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেন, ‘পৌঁছানোর পরে ঘোষণা’ করার কৌশলটি আন্তর্জাতিক উচ্চপর্যায়ের কূটনীতিতে প্রায়ই ব্যবহার করা হয়, যেন বাইরের শক্তির সম্ভাব্য হস্তক্ষেপজনিত অনিশ্চয়তা কমানো যায়।
সফরের কথা জানাজানি হলে অবশ্য বেইজিং ছেড়ে কথা বলেনি। লাইয়ের এ সফরের নিন্দা জানিয়ে চীনের তাইওয়ানবিষয়ক কার্যালয়ের একজন মুখপাত্র শনিবার রাতে এক বিবৃতিতে বলেন, লাই চিং-তে ‘গোপনে’ ইসওয়াতিনিতে পৌঁছেছেন। তার এমন ঘৃণ্য আচরণ রাস্তায় এদিক-সেদিক দৌড়াতে থাকা ইঁদুরের মতো, যা আন্তর্জাতিক মহলে অবধারিতভাবে উপহাসের মুখে পড়বে।
এ বক্তব্যে জবাব দিতে দেরি করেনি তাইওয়ানও। দেশটির চীনবিষয়ক দপ্তর মেইনল্যান্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল এক বার্তায় বলেছে, লাই কোথাও যাবেন কি না, সেটি নির্ধারণ করার জন্য বেইজিংয়ের অনুমতির কোনো প্রয়োজন নেই। বরং চীনের তাইওয়ান অ্যাফেয়ার্স অফিসের আচরণ মাছের ব্যাপারীর মতো অশালীন, তাদের ভাষাও অত্যন্ত বিরক্তিকর।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টও নিজেদের স্বাধীনতা ও স্বাতন্ত্র্য নিয়ে স্পষ্ট ভাষায় কথা বলেছেন। ইসওয়াতিনির রাজার সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি বলেন, তাইওয়ান বিশ্বের যেকোনো দেশের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার অধিকার রাখে। কোনো দেশই এ অধিকার থামিয়ে রাখতে পারে না।
পরে রোববার প্রেসিডেন্ট লাইয়ের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, তাইওয়ান একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এই তাইওয়ান বিশ্বের অংশ। তাইওয়ানের দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষের বিশ্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার অধিকার রয়েছে। তাইওয়ানকে বিশ্বের জন্য অবদান রাখতে বাধা দেবে— কোনো দেশের সে অধিকার নেই এবং থাকা উচিতও নয়।
চীন বরাবরই অন্যান্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে, তারা যেন তাইওয়ানের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে। বিশ্বের বেশির ভাগ দেশের সঙ্গে তাইওয়ানের পৃথক কূটনৈতিক সম্পর্কও নেই। ইসওয়াতিনিসহ হাতেগোনা ১২টি দেশই কেবল এই সম্পর্ক টিকিয়ে রেখেছে, যেগুলোর বেশির ভাগই ক্যারিবীয় ও লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের।
রাজনীতি/টিআর

চীনের দাবি, তাইওয়ান তাদের নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ। ফলে তাইওয়ানের স্বতন্ত্রভাবে কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার কোনো অধিকার নেই। তাইওয়ান বরাবরই চীনের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। তারা সবসময় নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবেই কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের সাম্প্রতিক আফ্রিকার দেশ কিংডম অব ইসওয়াতিনি (সাবেক বতসোয়ানা) সফর ঘিরেও ফের চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাইকে ‘ইঁদুর’ আখ্যা দিয়ে এ সফরের নিন্দা জানিয়েছে চীন। জবাবে তাইওয়ানের পক্ষ থেকেও চীনকে ‘মাছের ব্যাপারী’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার (২ মে) ইসওয়াতিনি রাজা তৃতীয় মাসাওয়াতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই। তবে আগে থেকে এ সফরের কথা ঘোষণা করা হয়নি। তিনি ইসওয়াতিনি পৌঁছানোর পরই এ সফরের কথা জানাজানি হয়েছে।
কৌশলগত কারণেই অবশ্য তাইওয়ান এ সফরের কথা গোপন রেখেছে। কারণ চীনের পক্ষ থেকে অতীতে এ ধরনের সফর আটকে দেওয়ার চেষ্টা করেছে বলে জানিয়েছে তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এমনকি ‘গোপন’ রাখার পরও বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এ সফর ঠেকানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি তাদের।
ইসওয়াতিনির রাজা মাসাওয়াতির সিংহাসন আরোহণের ৪০তম বার্ষিকী উদ্যাপনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গত মাসেই দেশটিতে যাওয়ার কথা ছিল লাইয়ের। তাইওয়ানের অভিযোগ, ওই সময় ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের তিনটি দেশকে চাপ দিয়ে প্রেসিডেন্ট লাইকে বহনকারী বিমানের ওভারফ্লাইট অনুমতি বাতিলে বাধ্য করে চীন। এ কারণেই এবার লাই ইসওয়াতিনিতে পৌঁছানোর পরই তার সফরের কথা প্রকাশ করা হয়েছে।
তাইওয়ানের এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেন, ‘পৌঁছানোর পরে ঘোষণা’ করার কৌশলটি আন্তর্জাতিক উচ্চপর্যায়ের কূটনীতিতে প্রায়ই ব্যবহার করা হয়, যেন বাইরের শক্তির সম্ভাব্য হস্তক্ষেপজনিত অনিশ্চয়তা কমানো যায়।
সফরের কথা জানাজানি হলে অবশ্য বেইজিং ছেড়ে কথা বলেনি। লাইয়ের এ সফরের নিন্দা জানিয়ে চীনের তাইওয়ানবিষয়ক কার্যালয়ের একজন মুখপাত্র শনিবার রাতে এক বিবৃতিতে বলেন, লাই চিং-তে ‘গোপনে’ ইসওয়াতিনিতে পৌঁছেছেন। তার এমন ঘৃণ্য আচরণ রাস্তায় এদিক-সেদিক দৌড়াতে থাকা ইঁদুরের মতো, যা আন্তর্জাতিক মহলে অবধারিতভাবে উপহাসের মুখে পড়বে।
এ বক্তব্যে জবাব দিতে দেরি করেনি তাইওয়ানও। দেশটির চীনবিষয়ক দপ্তর মেইনল্যান্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল এক বার্তায় বলেছে, লাই কোথাও যাবেন কি না, সেটি নির্ধারণ করার জন্য বেইজিংয়ের অনুমতির কোনো প্রয়োজন নেই। বরং চীনের তাইওয়ান অ্যাফেয়ার্স অফিসের আচরণ মাছের ব্যাপারীর মতো অশালীন, তাদের ভাষাও অত্যন্ত বিরক্তিকর।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টও নিজেদের স্বাধীনতা ও স্বাতন্ত্র্য নিয়ে স্পষ্ট ভাষায় কথা বলেছেন। ইসওয়াতিনির রাজার সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি বলেন, তাইওয়ান বিশ্বের যেকোনো দেশের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার অধিকার রাখে। কোনো দেশই এ অধিকার থামিয়ে রাখতে পারে না।
পরে রোববার প্রেসিডেন্ট লাইয়ের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, তাইওয়ান একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এই তাইওয়ান বিশ্বের অংশ। তাইওয়ানের দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষের বিশ্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার অধিকার রয়েছে। তাইওয়ানকে বিশ্বের জন্য অবদান রাখতে বাধা দেবে— কোনো দেশের সে অধিকার নেই এবং থাকা উচিতও নয়।
চীন বরাবরই অন্যান্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে, তারা যেন তাইওয়ানের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে। বিশ্বের বেশির ভাগ দেশের সঙ্গে তাইওয়ানের পৃথক কূটনৈতিক সম্পর্কও নেই। ইসওয়াতিনিসহ হাতেগোনা ১২টি দেশই কেবল এই সম্পর্ক টিকিয়ে রেখেছে, যেগুলোর বেশির ভাগই ক্যারিবীয় ও লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের।
রাজনীতি/টিআর

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরুর পর তেহরান গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান এই রুটটি বন্ধ হওয়ার পর গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ ঘোষণা করে। পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই ব্যর্থ হওয়ার পর এই কঠোর
৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র শুরুতে দুই মাসের সময়সীমা দিয়ে সাময়িক যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছিল। তবে ইরান সেই প্রস্তাবে দ্বিমত পোষণ করে জানিয়েছে, উদ্ভূত সমস্যাগুলো ৩০ দিনের মধ্যেই সমাধান করতে হবে। তেহরান কেবল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নয়, বরং স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
আইসিজের এ সংক্রান্ত বিষয়ে রায়ের কথাও উল্লেখ করেন জাতিসংঘে এই বিশেষ দূত। সে রায় অগ্রাহ্য করে ইউর্যপের দেশগুলো যেভাবে ইসরায়েলকে সহায়তা করে যাচ্ছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, সেটিকেই ‘ইসরায়েলিকরণ’ আখ্যা দেন তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত দ্রুত শেষ হওয়ার কোনো ‘সম্ভাবনা নেই’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি তেহরানের সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘তারা এমন কিছু দাবি করছে যা আমি মেনে নিতে পারি না।’
১ দিন আগে