
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবিস্ফোরিত আধুনিক সমরাস্ত্র উদ্ধারকে কেন্দ্র করে দেশটির সামরিক গবেষণা কার্যক্রম জোরদার হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলো।
ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভির বরাতে জানা যায়, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) হরমোজগান প্রদেশে ১৫টির বেশি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয় করে সেগুলো গবেষণার জন্য সংরক্ষণ করেছে। এসব অস্ত্রের মধ্যে বাঙ্কার-বাস্টার ধরনের বোমা এবং বিভিন্ন ক্ষুদ্র বিস্ফোরক রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
উদ্ধার করা এসব অস্ত্র এখন ইরানের সামরিক প্রযুক্তি ও গবেষণা ইউনিটের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। দেশটির গণমাধ্যমগুলোর দাবি, সংঘাতপূর্ণ এলাকা থেকে পাওয়া এসব অবিস্ফোরিত অস্ত্রকে তারা প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়নের সম্ভাব্য উৎস হিসেবে বিবেচনা করছে।
ইরানের স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্ক (এসএনএন) একে “অবাঞ্ছিত উপহার” হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, যুদ্ধক্ষেত্র এখন দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণাগারের একটি নতুন ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। তাদের দাবি, এসব অস্ত্র বিশ্লেষণের মাধ্যমে উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘদিন ধরে ইরান রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং বা উল্টো প্রকৌশলের ওপর নির্ভর করে আসছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ‘হক’ ক্ষেপণাস্ত্র ও ২০১১ সালে জব্দ করা ‘আরকিউ-১৭০’ ড্রোন নিয়ে দেশটি গবেষণা চালিয়েছিল বলে দাবি করা হয়।
সরকারপন্থি বিভিন্ন বিশ্লেষকের মতে, বর্তমানে উদ্ধার হওয়া মার্কিন ও ইসরায়েলি অস্ত্রগুলোর প্রযুক্তিগত দিক বিশ্লেষণ করে ইরান ভবিষ্যতে নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে পারবে।
তেহরানের কায়হান পত্রিকার সম্পাদক হোসেন শারিয়া তামদারি মন্তব্য করেছেন, এসব প্রযুক্তি চীন ও রাশিয়ার মতো দেশের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে। তিনি একে “ইরানের জন্য সুযোগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চ্যালেঞ্জ” হিসেবে উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, কিছু সরকারি বিশ্লেষক ও গণমাধ্যম দাবি করছে, এসব অস্ত্রের প্রযুক্তি বিশ্লেষণ ভবিষ্যতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে সরকারপন্থিদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সূত্র: বিবিসি
রাজনীতি/একে

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবিস্ফোরিত আধুনিক সমরাস্ত্র উদ্ধারকে কেন্দ্র করে দেশটির সামরিক গবেষণা কার্যক্রম জোরদার হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলো।
ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভির বরাতে জানা যায়, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) হরমোজগান প্রদেশে ১৫টির বেশি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয় করে সেগুলো গবেষণার জন্য সংরক্ষণ করেছে। এসব অস্ত্রের মধ্যে বাঙ্কার-বাস্টার ধরনের বোমা এবং বিভিন্ন ক্ষুদ্র বিস্ফোরক রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
উদ্ধার করা এসব অস্ত্র এখন ইরানের সামরিক প্রযুক্তি ও গবেষণা ইউনিটের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। দেশটির গণমাধ্যমগুলোর দাবি, সংঘাতপূর্ণ এলাকা থেকে পাওয়া এসব অবিস্ফোরিত অস্ত্রকে তারা প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়নের সম্ভাব্য উৎস হিসেবে বিবেচনা করছে।
ইরানের স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্ক (এসএনএন) একে “অবাঞ্ছিত উপহার” হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, যুদ্ধক্ষেত্র এখন দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণাগারের একটি নতুন ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। তাদের দাবি, এসব অস্ত্র বিশ্লেষণের মাধ্যমে উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘদিন ধরে ইরান রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং বা উল্টো প্রকৌশলের ওপর নির্ভর করে আসছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ‘হক’ ক্ষেপণাস্ত্র ও ২০১১ সালে জব্দ করা ‘আরকিউ-১৭০’ ড্রোন নিয়ে দেশটি গবেষণা চালিয়েছিল বলে দাবি করা হয়।
সরকারপন্থি বিভিন্ন বিশ্লেষকের মতে, বর্তমানে উদ্ধার হওয়া মার্কিন ও ইসরায়েলি অস্ত্রগুলোর প্রযুক্তিগত দিক বিশ্লেষণ করে ইরান ভবিষ্যতে নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে পারবে।
তেহরানের কায়হান পত্রিকার সম্পাদক হোসেন শারিয়া তামদারি মন্তব্য করেছেন, এসব প্রযুক্তি চীন ও রাশিয়ার মতো দেশের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে। তিনি একে “ইরানের জন্য সুযোগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চ্যালেঞ্জ” হিসেবে উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, কিছু সরকারি বিশ্লেষক ও গণমাধ্যম দাবি করছে, এসব অস্ত্রের প্রযুক্তি বিশ্লেষণ ভবিষ্যতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে সরকারপন্থিদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সূত্র: বিবিসি
রাজনীতি/একে

চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১৫ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১৭ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
২১ ঘণ্টা আগে
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১ দিন আগে