
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য একটি চুক্তির ‘ধারণা’ সম্পর্কে অবহিত হলেও সুনির্দিষ্ট চুক্তিটি এখনো তার হাতে পৌঁছেনি বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পূর্ণাঙ্গ চুক্তি হাতে পেলে সে বিষয়ে মন্তব্য করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্পের ধারণা, ইরানের পক্ষ থেকে পাঠানো চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘গ্রহণযোগ্য’ হবে না। একই সঙ্গে এ-ও বলেছেন, তেহরান ‘খারাপ আচরণ’ করলে ইরানের ওপর আবারও হামলা চালানো হবে।
রোববার (৩ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, শনিবার ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচ থেকে মিয়ামিগামী বিমানে ওঠার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘তারা আমাকে চুক্তির ধারণা সম্পর্কে জানিয়েছে। এখন তারা এর সুনির্দিষ্ট বিবরণ পাঠাবে।’
পরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রুথ সোশ্যালেও এ বিষয়ে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। বলেন, ইরানের প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য হবে বলে তার মনে হয় না এবং তেহরান তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য ‘যথেষ্ট বড় মূল্য’ এখনো দেয়নি।
ইরানে আবার হামলা চালানোর সম্ভাবনা আছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি সেটা বলতে চাই না। একজন প্রতিবেদককে তা বলা যায় না। তারা (ইরান) যদি খারাপ আচরণ করে, খারাপ কিছু করে, তাহলে আমরা দেখব। তবে এমনটা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।’
এর আগে শনিবার এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা জানান, তেহরানের দেওয়া প্রস্তাবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর পাশাপাশি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। আর ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পরবর্তী ধাপে করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ট্রাম্প এ প্রস্তাব গ্রহণ করেননি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, পারমাণবিক ইস্যু সমাধানের আগেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল ইরান। ওই কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবে এবার সেই সময়সূচি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ট্রাম্প বরাবরই বলে আসছেন, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। শুক্রবারও তিনি বলেন, ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাবে তিনি সন্তুষ্ট নন। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন তার অবস্থান পরিবর্তন করলে তেহরান কূটনৈতিক আলোচনায় ফিরতে প্রস্তুত।
শুক্রবার ট্রাম্প আরও বলেন, ‘মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে’ তিনি সামরিক পদক্ষেপকে অগ্রাধিকার দিতে চান না। একই সঙ্গে কংগ্রেস নেতাদের তিনি জানিয়েছেন, যুদ্ধ চালিয়ে যেতে তার আলাদা অনুমতির প্রয়োজন নেই, কারণ যুদ্ধবিরতি ‘কার্যত শত্রুতা’র সমাপ্তি ঘটিয়েছে।
তবে অভ্যন্তরীণভাবে ট্রাম্প এখন চাপের মুখে রয়েছেন। কারণ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণের কারণে বৈশ্বিক বাজারের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দামও বেড়েছে। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মূল্যস্ফীতি বাড়লে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি ভোটার অসন্তোষের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তেহরানের ১৪ দফা প্রস্তাবে ইরানসংলগ্ন অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, অবরোধ প্রত্যাহার, ইরানের জব্দ সম্পদ মুক্ত করা, ক্ষতিপূরণ, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া ও লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির জন্য নতুন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে।
চার সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বোমাবর্ষণ স্থগিত করলেও যুদ্ধের স্থায়ী সমাধানে এখনো কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। এ সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে, বিশ্ববাজারে ধাক্কা দিয়েছে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কাও বাড়িয়েছে।
দুই মাসের বেশি সময় ধরে ইরান নিজেদের জাহাজ ছাড়া উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রায় সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ করে রেখেছে। গত মাসে পালটা পদক্ষেপ হিসেবে ইরানি বন্দর থেকে আসা জাহাজের ওপর অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
ওয়াশিংটন বারবার বলছে, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার মতো চুক্তি ছাড়া যুদ্ধ বন্ধ হবে না। ফেব্রুয়ারিতে পারমাণবিক আলোচনা চলাকালেই ট্রাম্প ইরানে হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। যদিও তেহরান দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি শান্তিপূর্ণ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা বলেন, পারমাণবিক আলোচনা পরবর্তী ধাপে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে সমঝোতার পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে তেহরান।
প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ভবিষ্যতে আর হামলা চালাবে না— এমন নিশ্চয়তার ভিত্তিতে যুদ্ধের অবসান ঘটবে। এরপর ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবরোধ প্রত্যাহার করবে।
পরে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হবে। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত রাখলেও শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার ওয়াশিংটনকে স্বীকার করতে হবে বলেও দাবি জানিয়েছে তেহরান।
ওই ইরানি কর্মকর্তা বলেন, ‘জটিল পারমাণবিক ইস্যুকে শেষ ধাপে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যেন আলোচনার জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।’
রাজনীতি/আইআর/টিআর

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য একটি চুক্তির ‘ধারণা’ সম্পর্কে অবহিত হলেও সুনির্দিষ্ট চুক্তিটি এখনো তার হাতে পৌঁছেনি বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পূর্ণাঙ্গ চুক্তি হাতে পেলে সে বিষয়ে মন্তব্য করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্পের ধারণা, ইরানের পক্ষ থেকে পাঠানো চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘গ্রহণযোগ্য’ হবে না। একই সঙ্গে এ-ও বলেছেন, তেহরান ‘খারাপ আচরণ’ করলে ইরানের ওপর আবারও হামলা চালানো হবে।
রোববার (৩ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, শনিবার ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচ থেকে মিয়ামিগামী বিমানে ওঠার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘তারা আমাকে চুক্তির ধারণা সম্পর্কে জানিয়েছে। এখন তারা এর সুনির্দিষ্ট বিবরণ পাঠাবে।’
পরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রুথ সোশ্যালেও এ বিষয়ে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। বলেন, ইরানের প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য হবে বলে তার মনে হয় না এবং তেহরান তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য ‘যথেষ্ট বড় মূল্য’ এখনো দেয়নি।
ইরানে আবার হামলা চালানোর সম্ভাবনা আছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি সেটা বলতে চাই না। একজন প্রতিবেদককে তা বলা যায় না। তারা (ইরান) যদি খারাপ আচরণ করে, খারাপ কিছু করে, তাহলে আমরা দেখব। তবে এমনটা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।’
এর আগে শনিবার এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা জানান, তেহরানের দেওয়া প্রস্তাবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর পাশাপাশি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। আর ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পরবর্তী ধাপে করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ট্রাম্প এ প্রস্তাব গ্রহণ করেননি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, পারমাণবিক ইস্যু সমাধানের আগেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল ইরান। ওই কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবে এবার সেই সময়সূচি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ট্রাম্প বরাবরই বলে আসছেন, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। শুক্রবারও তিনি বলেন, ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাবে তিনি সন্তুষ্ট নন। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন তার অবস্থান পরিবর্তন করলে তেহরান কূটনৈতিক আলোচনায় ফিরতে প্রস্তুত।
শুক্রবার ট্রাম্প আরও বলেন, ‘মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে’ তিনি সামরিক পদক্ষেপকে অগ্রাধিকার দিতে চান না। একই সঙ্গে কংগ্রেস নেতাদের তিনি জানিয়েছেন, যুদ্ধ চালিয়ে যেতে তার আলাদা অনুমতির প্রয়োজন নেই, কারণ যুদ্ধবিরতি ‘কার্যত শত্রুতা’র সমাপ্তি ঘটিয়েছে।
তবে অভ্যন্তরীণভাবে ট্রাম্প এখন চাপের মুখে রয়েছেন। কারণ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণের কারণে বৈশ্বিক বাজারের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দামও বেড়েছে। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মূল্যস্ফীতি বাড়লে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি ভোটার অসন্তোষের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তেহরানের ১৪ দফা প্রস্তাবে ইরানসংলগ্ন অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, অবরোধ প্রত্যাহার, ইরানের জব্দ সম্পদ মুক্ত করা, ক্ষতিপূরণ, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া ও লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির জন্য নতুন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে।
চার সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বোমাবর্ষণ স্থগিত করলেও যুদ্ধের স্থায়ী সমাধানে এখনো কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। এ সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে, বিশ্ববাজারে ধাক্কা দিয়েছে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কাও বাড়িয়েছে।
দুই মাসের বেশি সময় ধরে ইরান নিজেদের জাহাজ ছাড়া উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রায় সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ করে রেখেছে। গত মাসে পালটা পদক্ষেপ হিসেবে ইরানি বন্দর থেকে আসা জাহাজের ওপর অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
ওয়াশিংটন বারবার বলছে, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার মতো চুক্তি ছাড়া যুদ্ধ বন্ধ হবে না। ফেব্রুয়ারিতে পারমাণবিক আলোচনা চলাকালেই ট্রাম্প ইরানে হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। যদিও তেহরান দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি শান্তিপূর্ণ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা বলেন, পারমাণবিক আলোচনা পরবর্তী ধাপে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে সমঝোতার পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে তেহরান।
প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ভবিষ্যতে আর হামলা চালাবে না— এমন নিশ্চয়তার ভিত্তিতে যুদ্ধের অবসান ঘটবে। এরপর ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবরোধ প্রত্যাহার করবে।
পরে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হবে। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত রাখলেও শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার ওয়াশিংটনকে স্বীকার করতে হবে বলেও দাবি জানিয়েছে তেহরান।
ওই ইরানি কর্মকর্তা বলেন, ‘জটিল পারমাণবিক ইস্যুকে শেষ ধাপে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যেন আলোচনার জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।’
রাজনীতি/আইআর/টিআর

আইসিজের এ সংক্রান্ত বিষয়ে রায়ের কথাও উল্লেখ করেন জাতিসংঘে এই বিশেষ দূত। সে রায় অগ্রাহ্য করে ইউর্যপের দেশগুলো যেভাবে ইসরায়েলকে সহায়তা করে যাচ্ছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, সেটিকেই ‘ইসরায়েলিকরণ’ আখ্যা দেন তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত দ্রুত শেষ হওয়ার কোনো ‘সম্ভাবনা নেই’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি তেহরানের সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘তারা এমন কিছু দাবি করছে যা আমি মেনে নিতে পারি না।’
১ দিন আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসকে জানিয়েছেন যে, চলমান যুদ্ধবিরতির সময় ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতা ‘শেষ’ হয়ে গেছে। আর সে কারণে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে কংগ্রেসের অনুমোদনের নির্ধারিত সময়সীমা মানার প্রয়োজন তার নেই বলে তিনি যুক্তি দিয়েছেন।
১ দিন আগে
ইরান যুদ্ধকে ঘিরে ইউরোপের সঙ্গে মতবিরোধ বাড়তে থাকার প্রেক্ষাপটে সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যদেশ জার্মানি থেকে প্রায় ৫ হাজার সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন এ ঘোষণা দেয়। শনিবার (২ মে) রয়টার্সের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১ দিন আগে