
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে ১৪ দফার একটি পাল্টা পরিকল্পনা দিয়েছে ইরান। ওয়াশিংটনের পাঠানো ৯ দফা প্রস্তাবের জবাবে তেহরান এই শর্তগুলো পেশ করেছে।
আজ (৩ মে) রোববার আলজাজিরা ও ইরানের বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। যেখানে সাময়িক বিরতির বদলে স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসানের ওপর জোর দিয়েছে ইরান।
তাসনিম নিউজের তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র শুরুতে দুই মাসের সময়সীমা দিয়ে সাময়িক যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছিল। তবে ইরান সেই প্রস্তাবে দ্বিমত পোষণ করে জানিয়েছে, উদ্ভূত সমস্যাগুলো ৩০ দিনের মধ্যেই সমাধান করতে হবে। তেহরান কেবল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নয়, বরং স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেছে।
ইরানের এই ১৪ দফা পরিকল্পনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—উভয় পক্ষ একে অপরের ওপর আক্রমণ না করার নিশ্চয়তা প্রদান, ইরানের নিকটবর্তী অঞ্চলগুলো থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার এবং নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া। এছাড়া ইরানের জব্দকৃত সম্পদ অবমুক্ত করা, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্রন্টে অবিলম্বে যুদ্ধের ইতি টানার শর্ত জুড়ে দিয়েছে দেশটি।
কূটনৈতিক এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ইরান এখন তাদের দেওয়া প্রস্তাবের বিপরীতে হোয়াইট হাউসের চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। এই শান্তি পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা নিরসনে কতটুকু ভূমিকা রাখবে, তা এখন বিশ্ব রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানের ওপর ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে। তাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেম এবং সরকারি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করা। এই আকস্মিক হামলা চলাকালীন তেহরানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনেইসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হন।
হামলার জবাবে ইরান ইসরায়েল, মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি এবং প্রতিবেশী আরব দেশ বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব লক্ষ্য করে শত শত ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়তে শুরু করে। এছাড়া ইরান বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট 'হরমুজ প্রণালী' বন্ধ করে দেয়, যা বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রচণ্ড বাড়িয়ে দেয়।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এবং ১৬ এপ্রিল থেকে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
রাজনীতি/এসআর

মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে ১৪ দফার একটি পাল্টা পরিকল্পনা দিয়েছে ইরান। ওয়াশিংটনের পাঠানো ৯ দফা প্রস্তাবের জবাবে তেহরান এই শর্তগুলো পেশ করেছে।
আজ (৩ মে) রোববার আলজাজিরা ও ইরানের বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। যেখানে সাময়িক বিরতির বদলে স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসানের ওপর জোর দিয়েছে ইরান।
তাসনিম নিউজের তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র শুরুতে দুই মাসের সময়সীমা দিয়ে সাময়িক যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছিল। তবে ইরান সেই প্রস্তাবে দ্বিমত পোষণ করে জানিয়েছে, উদ্ভূত সমস্যাগুলো ৩০ দিনের মধ্যেই সমাধান করতে হবে। তেহরান কেবল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নয়, বরং স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেছে।
ইরানের এই ১৪ দফা পরিকল্পনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—উভয় পক্ষ একে অপরের ওপর আক্রমণ না করার নিশ্চয়তা প্রদান, ইরানের নিকটবর্তী অঞ্চলগুলো থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার এবং নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া। এছাড়া ইরানের জব্দকৃত সম্পদ অবমুক্ত করা, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্রন্টে অবিলম্বে যুদ্ধের ইতি টানার শর্ত জুড়ে দিয়েছে দেশটি।
কূটনৈতিক এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ইরান এখন তাদের দেওয়া প্রস্তাবের বিপরীতে হোয়াইট হাউসের চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। এই শান্তি পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা নিরসনে কতটুকু ভূমিকা রাখবে, তা এখন বিশ্ব রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানের ওপর ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে। তাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেম এবং সরকারি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করা। এই আকস্মিক হামলা চলাকালীন তেহরানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনেইসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হন।
হামলার জবাবে ইরান ইসরায়েল, মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি এবং প্রতিবেশী আরব দেশ বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব লক্ষ্য করে শত শত ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়তে শুরু করে। এছাড়া ইরান বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট 'হরমুজ প্রণালী' বন্ধ করে দেয়, যা বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রচণ্ড বাড়িয়ে দেয়।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এবং ১৬ এপ্রিল থেকে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
রাজনীতি/এসআর

চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১৫ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১৭ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
২১ ঘণ্টা আগে
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১ দিন আগে